ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈশ্বরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের মাটি পর্যন্ত খেয়ে ফেলবে : রফিকুল ইসলাম খান ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে কুকুরের ৮ ছানাকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ায় সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল নাজনীন মুন্নির টকশো বাণিজ্যে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মাত্র ২ ঘন্টায় শেষ দর্শনার্থীহীন ঈশ্বরদীর প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী মেলা হাবিবের মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে ঈশ্বরদীতে মশাল মিছিল রাজনৈতিক আশ্রয় না পেয়ে দেশে ফিরলেন নাজনীন মুন্নি কিশোর-কিশোরীদের জন্য কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা : তোমার ডিজিটাল বন্ধু

সুদান থেকে পালাতে পারে ৮ লাখ মানুষ : জাতিসংঘ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
সুদানে চলমান সংঘাতের ফলে আট লাখের বেশি মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে বলে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে। সুদানের নাগরিক এবং দেশটিতে অস্থায়ীভাবে বসবাসকারী হাজার হাজার শরণার্থী আছে এই দলে। দেশটির লড়াইরত দুই বাহিনী এক দিন আগে আবারও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছে। তবে এরপরও সুদানে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতেই জাতিসংঘের এই সতর্কতা সামনে এলো। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক ব্রিফিংয়ে ইউএনএইচসিআরের শরণার্থী বিষয়ক সহকারী হাইকমিশনার রাউফ মাজউ বলেছেন, ‘সকল সংশ্লিষ্ট সরকার এবং অংশীদারদের সাথে পরামর্শ করে আমরা আট লাখ ১৫ হাজার লোকের একটি পরিসংখ্যানে পৌঁছেছি, যারা সুদান থেকে সাতটি প্রতিবেশী দেশে পালিয়ে যেতে পারে।’ এ ছাড়া সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে ইতোমধ্যেই প্রায় ৭৩ হাজার মানুষ সুদান ছেড়েছেন বলেও তিনি জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ যে আট লাখ মানুষের সুদান ছেড়ে পালানোর আশঙ্কা করছে, তার মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ ৮০ হাজার সুদানি নাগরিক। বাকিরা দেশটিতে শরণার্থী হিসেবে বসবাসরত। উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল থেকে সুদানে সামরিক ও আধা-সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। এতে এখন পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত ও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) কমান্ডার মোহাম্মদ হামদান দাগলোর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। লাখ লাখ সুদানি নাগরিক যুদ্ধ থেকে পালাতে চাইলেও এর জন্য প্রয়োজনীয় স্ফীত ব্যয় বহন করতে অক্ষম। এই কারণে খাদ্য ও পানির ঘাটতি এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেও নিজেদের বাড়িতেই কার্যত অবস্থান করছেন তারা। গত শনিবার রাতে খার্তুম শহরের মাঝে প্রবল লড়াই হয়েছে। তবে রোববার সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্ত ছিল। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা খার্তুমের পশ্চিমে একটি আধা সামরিক বাহিনীর কনভয়কে ধ্বংস করেছে। আধা সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ওপর গোলা মারা হচ্ছে, বিমান হামলাও চলছে। সুদানে এই নিয়ে বেশ কয়েক বার যুদ্ধবিরতিতে একমত হলো দুই পক্ষ। কিন্তু সেই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দুই পক্ষ একে অন্যকে আক্রমণ করেছে। সংঘর্ষ শুরুর পর জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সাহায্য সংস্থা ইতোমধ্যেই সুদানে তাদের পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছে, যুদ্ধের শুরুতে কর্মী নিহত হওয়ার পর সোমবার নিরাপদ এলাকায় তারা আবার তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। সূত্র : আলজাজিরা

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুদান থেকে পালাতে পারে ৮ লাখ মানুষ : জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

এফএনএস
সুদানে চলমান সংঘাতের ফলে আট লাখের বেশি মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে বলে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে। সুদানের নাগরিক এবং দেশটিতে অস্থায়ীভাবে বসবাসকারী হাজার হাজার শরণার্থী আছে এই দলে। দেশটির লড়াইরত দুই বাহিনী এক দিন আগে আবারও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছে। তবে এরপরও সুদানে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতেই জাতিসংঘের এই সতর্কতা সামনে এলো। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক ব্রিফিংয়ে ইউএনএইচসিআরের শরণার্থী বিষয়ক সহকারী হাইকমিশনার রাউফ মাজউ বলেছেন, ‘সকল সংশ্লিষ্ট সরকার এবং অংশীদারদের সাথে পরামর্শ করে আমরা আট লাখ ১৫ হাজার লোকের একটি পরিসংখ্যানে পৌঁছেছি, যারা সুদান থেকে সাতটি প্রতিবেশী দেশে পালিয়ে যেতে পারে।’ এ ছাড়া সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে ইতোমধ্যেই প্রায় ৭৩ হাজার মানুষ সুদান ছেড়েছেন বলেও তিনি জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ যে আট লাখ মানুষের সুদান ছেড়ে পালানোর আশঙ্কা করছে, তার মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ ৮০ হাজার সুদানি নাগরিক। বাকিরা দেশটিতে শরণার্থী হিসেবে বসবাসরত। উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল থেকে সুদানে সামরিক ও আধা-সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। এতে এখন পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত ও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) কমান্ডার মোহাম্মদ হামদান দাগলোর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। লাখ লাখ সুদানি নাগরিক যুদ্ধ থেকে পালাতে চাইলেও এর জন্য প্রয়োজনীয় স্ফীত ব্যয় বহন করতে অক্ষম। এই কারণে খাদ্য ও পানির ঘাটতি এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেও নিজেদের বাড়িতেই কার্যত অবস্থান করছেন তারা। গত শনিবার রাতে খার্তুম শহরের মাঝে প্রবল লড়াই হয়েছে। তবে রোববার সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্ত ছিল। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা খার্তুমের পশ্চিমে একটি আধা সামরিক বাহিনীর কনভয়কে ধ্বংস করেছে। আধা সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ওপর গোলা মারা হচ্ছে, বিমান হামলাও চলছে। সুদানে এই নিয়ে বেশ কয়েক বার যুদ্ধবিরতিতে একমত হলো দুই পক্ষ। কিন্তু সেই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দুই পক্ষ একে অন্যকে আক্রমণ করেছে। সংঘর্ষ শুরুর পর জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সাহায্য সংস্থা ইতোমধ্যেই সুদানে তাদের পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছে, যুদ্ধের শুরুতে কর্মী নিহত হওয়ার পর সোমবার নিরাপদ এলাকায় তারা আবার তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। সূত্র : আলজাজিরা