ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেশবপুরে বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল পাবনার তিন আসনে ১৮ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ যশোরে ভোটের মাঠে চূড়ান্ত ৩৪ প্রার্থী: ২২ জানুয়ারি প্রচার শুরু টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন রাজশাহী- ৬ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক পেলেন দাঁড়িপাল্লা ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ কাশিনাথপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র যেন গণ-শৌচাগার ঈশ্বরদীতে মানবতার সেবা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরন টাকা না দেওয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চালান মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশকে দেওয়া উপহারের ২০ লোকোমোটিভ বন্ধুত্বের প্রতীক : অশ্বিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

বাংলাদেশকে দেওয়া ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভকে (রেল ইঞ্জিন) বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ভারতের কাছ থেকে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে দেওয়া এই ২০টি বিজি লোকো বাংলাদেশের জনগণের রেল ভ্রমণকে সহজ করবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে লোকোমোটিভ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ভারতের রেলমন্ত্রী। দর্শনা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের দেওয়া অনুদানের ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এগুলো গ্রহণ করেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। ভারত বলছে, এই লোকোমোটিভগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশকে দেওয়া এই লোকোমোটিভকে সম্পদ ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন ভারতের রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারের জন্য অগ্রাধিকার ছিল বহুমুখী সংযোগ বাড়ানো। বিশেষ করে রেলওয়েতে। ভারতের রেলমন্ত্রী বলেন, রেল সংযোগ হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান উপাদান। যার মাঝে ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে রেল সেক্টরের প্রকল্প শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ১ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতিফলন হিসেবে, কলকাতা-ঢাকা, কলকাতা-খুলনা ও ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে তিনটি আন্তঃসীমান্ত ট্রেন সার্ভিস চালু রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানান শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে যা রেলওয়ের মাধ্যমে বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক এবং উপ-আঞ্চলিক সংযোগের গুরুত্বকে তুলে ধরবে। এরমধ্যে রয়েছে ১৯৬৫ আগের রেল সংযোগসমূহ পুনরুদ্ধার করা, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে নতুন রেলওয়ে সংযোগ তৈরি করা, বাংলাদেশের রেল কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া। ভারতের রেলমন্ত্রী বলেন, রেলের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়েছে। প্রতি মাসে উভয় দিক থেকে প্রায় ১০০টি পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা ঢাকার রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান দিল্লির রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশকে দেওয়া উপহারের ২০ লোকোমোটিভ বন্ধুত্বের প্রতীক : অশ্বিনী

আপডেট সময় : ০২:২৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩

এফএনএস

বাংলাদেশকে দেওয়া ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভকে (রেল ইঞ্জিন) বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ভারতের কাছ থেকে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে দেওয়া এই ২০টি বিজি লোকো বাংলাদেশের জনগণের রেল ভ্রমণকে সহজ করবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে লোকোমোটিভ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ভারতের রেলমন্ত্রী। দর্শনা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের দেওয়া অনুদানের ২০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এগুলো গ্রহণ করেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। ভারত বলছে, এই লোকোমোটিভগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশকে দেওয়া এই লোকোমোটিভকে সম্পদ ও দক্ষতা বিনিময়ের একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন ভারতের রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারের জন্য অগ্রাধিকার ছিল বহুমুখী সংযোগ বাড়ানো। বিশেষ করে রেলওয়েতে। ভারতের রেলমন্ত্রী বলেন, রেল সংযোগ হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান উপাদান। যার মাঝে ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে রেল সেক্টরের প্রকল্প শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ১ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যমানের প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতিফলন হিসেবে, কলকাতা-ঢাকা, কলকাতা-খুলনা ও ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে তিনটি আন্তঃসীমান্ত ট্রেন সার্ভিস চালু রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানান শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে যা রেলওয়ের মাধ্যমে বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক এবং উপ-আঞ্চলিক সংযোগের গুরুত্বকে তুলে ধরবে। এরমধ্যে রয়েছে ১৯৬৫ আগের রেল সংযোগসমূহ পুনরুদ্ধার করা, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে নতুন রেলওয়ে সংযোগ তৈরি করা, বাংলাদেশের রেল কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া। ভারতের রেলমন্ত্রী বলেন, রেলের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়েছে। প্রতি মাসে উভয় দিক থেকে প্রায় ১০০টি পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা ঢাকার রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান দিল্লির রেল ভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।