ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি ৩০২৭
- আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
এফএনএস
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে আরও তিন হাজার ২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে তিন হাজার ২৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকাতে ৮৪৯ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) দুই হাজার ১৭৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট দুই হাজার ৯৫০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৮৯২ জন এবং সারা দেশের (ঢাকায় ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে দুই হাজার ৫৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে চারজন ঢাকাতে এবং তিনজন সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) মারা যান। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতে ৫৭৮ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ২৬৮ জন মারা যান। চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৭৩ হাজার ৭৯৫ জন। এর মধ্যে ঢাকাতে ৭৪ হাজার ৯৭৬ জন ও সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ৯৮ হাজার ৮১৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ৬২ হাজার ৮৪৭ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৭০ হাজার ৫৮৪ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৯২ হাজার ২৬৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে সারা দেশে মোট ১০ হাজার ১০২ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকাতে তিন হাজার ৮১৪ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ছয় হাজার ২৮৮ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯৪ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার ছয় শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ। গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান।















