ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি হাফিজ সম্পাদক হাবিব বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি হাফিজ সম্পাদক হাবিব ঈশ্বরদীতে জমি দখলের চেষ্টা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ পাবনা-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা যৌথ বাহিনীর অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ২ পাবনা-৪ আসনে জামায়াতের এমপি র্প্রাথীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা দরগা বাজার হাট পুনর্জীবিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : আশরাফ হোসেন আকবর সকাল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ মাতৃছায়া কিন্ডারগার্টেন স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপির পাকা ধান মোটরসাইকেলে করে দাঁড়িপাল্লায় তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে – হাবিব

ইরানে আইনে ড্রেস কোড লঙ্ঘনে নারীদের পেতে হবে কঠোর শাস্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১০০ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
নারীরা ইসলামিক পোশাকের নির্দিষ্ট বিধান না মানলে পেতে হবে কঠোর শাস্তি। গতকাল বুধবার এমন আইন পাস করেছেন ইরানের আইন প্রনণেতারা। এই শাস্তির মেয়াদ হতে পারে সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত। খবর এএফপির। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, সংসদ তিন বছরের ট্রায়াল সময়ের জন্য ‘হিজাব ও সতীত্বের সংস্কৃতির জন্য সমর্থন’ বিল অনুমোদন করেছে। নতুন পাস হওয়া খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘বিদেশি বা শত্রু সরকার, মিডিয়া, গোষ্ঠী বা সংস্থার সহযোগিতায়’ হেডস্কার্ফ বা উপযুক্ত পোশাক পরতে ব্যর্থ হলে নারীদের পাঁচ থেকে দশ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। বিলটির এখনও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমোদনের অপেক্ষায়। ইরানের নারীরা গত বছরের গণবিক্ষোভের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কঠোর ড্রেস কোড ক্রমবর্ধমানভাবে লঙ্ঘন করছে। তারা মাথা না ঢেকে এবং শালীন পোশাক না পরেই চলাফেরা করছে। ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে এই বিক্ষোভ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। আমিনিকে ড্রেস কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিক্ষোভে কয়েক ডজন নিরাপত্তা কর্মীসহ শত শত লোক নিহত হয়েছে এবং কর্মকর্তারা এটিকে বিদেশি প্ররোচিত ‘দাঙ্গা’ বলে আখ্যা দিয়ে হাজার হাজার লোককে গ্রেপ্তার করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রজাতন্ত্রের প্রথম বছর থেকে ইরানে মহিলাদের জন্য মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ টহল সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পোশাক কোড লঙ্ঘনকারী নারী এবং ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করেছে। কিছু কিছু ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং লঙ্ঘনকারীদের সনাক্তের জন্য পাবলিক প্লেসগুলোতে নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইরানে আইনে ড্রেস কোড লঙ্ঘনে নারীদের পেতে হবে কঠোর শাস্তি

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এফএনএস
নারীরা ইসলামিক পোশাকের নির্দিষ্ট বিধান না মানলে পেতে হবে কঠোর শাস্তি। গতকাল বুধবার এমন আইন পাস করেছেন ইরানের আইন প্রনণেতারা। এই শাস্তির মেয়াদ হতে পারে সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত। খবর এএফপির। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, সংসদ তিন বছরের ট্রায়াল সময়ের জন্য ‘হিজাব ও সতীত্বের সংস্কৃতির জন্য সমর্থন’ বিল অনুমোদন করেছে। নতুন পাস হওয়া খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘বিদেশি বা শত্রু সরকার, মিডিয়া, গোষ্ঠী বা সংস্থার সহযোগিতায়’ হেডস্কার্ফ বা উপযুক্ত পোশাক পরতে ব্যর্থ হলে নারীদের পাঁচ থেকে দশ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। বিলটির এখনও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমোদনের অপেক্ষায়। ইরানের নারীরা গত বছরের গণবিক্ষোভের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কঠোর ড্রেস কোড ক্রমবর্ধমানভাবে লঙ্ঘন করছে। তারা মাথা না ঢেকে এবং শালীন পোশাক না পরেই চলাফেরা করছে। ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে এই বিক্ষোভ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। আমিনিকে ড্রেস কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিক্ষোভে কয়েক ডজন নিরাপত্তা কর্মীসহ শত শত লোক নিহত হয়েছে এবং কর্মকর্তারা এটিকে বিদেশি প্ররোচিত ‘দাঙ্গা’ বলে আখ্যা দিয়ে হাজার হাজার লোককে গ্রেপ্তার করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রজাতন্ত্রের প্রথম বছর থেকে ইরানে মহিলাদের জন্য মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ টহল সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পোশাক কোড লঙ্ঘনকারী নারী এবং ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করেছে। কিছু কিছু ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং লঙ্ঘনকারীদের সনাক্তের জন্য পাবলিক প্লেসগুলোতে নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।