ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈশ্বরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের মাটি পর্যন্ত খেয়ে ফেলবে : রফিকুল ইসলাম খান ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে কুকুরের ৮ ছানাকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ায় সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল নাজনীন মুন্নির টকশো বাণিজ্যে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মাত্র ২ ঘন্টায় শেষ দর্শনার্থীহীন ঈশ্বরদীর প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী মেলা হাবিবের মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে ঈশ্বরদীতে মশাল মিছিল রাজনৈতিক আশ্রয় না পেয়ে দেশে ফিরলেন নাজনীন মুন্নি কিশোর-কিশোরীদের জন্য কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা : তোমার ডিজিটাল বন্ধু

জলঢাকায় বুড়িতিস্তার বাঁধে ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ল।

সুমন মিয়া, জলঢাকা উপজেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪ ২৪০ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর জলঢাকায় ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ায় এলাকাজুড়ে আতংক বিরাজ করছে।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের আলসিয়া পাড়ায় বুড়িতিস্তা নদীর বাঁধে একটি নৌকা থেকে রাসেল ভাইপার সাপটির দেখা মিলেছে। এদিকে, দেশজুড়ে আলোচিত এ বিষধর সাপ আটকের খবর পেয়ে শত শত গ্রামবাসী সাপটি দেখতে ভিড় জমায়। প্রত্যক্ষদর্শী কৃষক মোঃ গফরান (৩০) জানান, তিনি প্রত্যেকদিনের মতো আজকেও ঘাষ কাটতে নদীর চড়ে যাচ্ছিলেন। বাঁধে রাখা নৌকাটিতে উঠতেই দেখতে পান একটি অচেনা সাপ তাকে দেখে ফুসফুস করে তেড়ে উঠছেন। এসময় ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে স্হানীয় লোকদের খবর দিলে সবাই মিলে লাঠিসোঁটা দিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন।এরপর তার পেট থেকে বের হয় এক-এক করে ২৯ টি বাচ্চা সাপ। তবে সাপটি মেরে ফেললেও উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাসেল ভাইপার সাপের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনা শোনার সাথে-সাথেই সেখানে গেছেন এবং থানায় অবগত করে সবাইকে আতঙ্ক না হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ জোবায়ের আলমকে একাধিক বার কল দিলে তিনি গাড়িতে থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন। তবে বন অফিসের কর্মচারী প্রদীপ কুমার জানান, তিনি বন কর্মকর্তা স্যারের নির্দেশে সেখানে গিয়ে নিশ্চিত হন এটি রাসেলস ভাইপার সাপ। পরে স্যারের নির্দেশে স্হানীয় মানুষকে সাপটিকে মাটিতে পুতে ফেলতে বলেন।

জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, রাসেল ভাইপার একটি বিষাক্ত সাপ। লম্বা বহির্গামী বিষদাঁতের জন্য অনেক বেশি লোক দংশিত হয়।সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন দিতে পারলে কোনো ক্ষতি হয় না। আমাদের হাসপাতালে যথেষ্ট পরিমান ভ্যাকসিন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সাপটি ডিম পাড়ার পরিবর্তে সরাসরি বাচ্চা দেয়। এরা বছরের যেকোনো সময় বাচ্চা প্রজনন করে। একটি স্ত্রী সাপ গর্ভধারণ শেষে ২০-৪০ টি বাচ্চা দেয়।সাপটি দেখে আতঙ্কিত না হয়ে উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে সচেতন থাকতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জলঢাকায় বুড়িতিস্তার বাঁধে ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ল।

আপডেট সময় : ০১:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

নীলফামারীর জলঢাকায় ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ায় এলাকাজুড়ে আতংক বিরাজ করছে।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের আলসিয়া পাড়ায় বুড়িতিস্তা নদীর বাঁধে একটি নৌকা থেকে রাসেল ভাইপার সাপটির দেখা মিলেছে। এদিকে, দেশজুড়ে আলোচিত এ বিষধর সাপ আটকের খবর পেয়ে শত শত গ্রামবাসী সাপটি দেখতে ভিড় জমায়। প্রত্যক্ষদর্শী কৃষক মোঃ গফরান (৩০) জানান, তিনি প্রত্যেকদিনের মতো আজকেও ঘাষ কাটতে নদীর চড়ে যাচ্ছিলেন। বাঁধে রাখা নৌকাটিতে উঠতেই দেখতে পান একটি অচেনা সাপ তাকে দেখে ফুসফুস করে তেড়ে উঠছেন। এসময় ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে স্হানীয় লোকদের খবর দিলে সবাই মিলে লাঠিসোঁটা দিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন।এরপর তার পেট থেকে বের হয় এক-এক করে ২৯ টি বাচ্চা সাপ। তবে সাপটি মেরে ফেললেও উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাসেল ভাইপার সাপের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনা শোনার সাথে-সাথেই সেখানে গেছেন এবং থানায় অবগত করে সবাইকে আতঙ্ক না হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ জোবায়ের আলমকে একাধিক বার কল দিলে তিনি গাড়িতে থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন। তবে বন অফিসের কর্মচারী প্রদীপ কুমার জানান, তিনি বন কর্মকর্তা স্যারের নির্দেশে সেখানে গিয়ে নিশ্চিত হন এটি রাসেলস ভাইপার সাপ। পরে স্যারের নির্দেশে স্হানীয় মানুষকে সাপটিকে মাটিতে পুতে ফেলতে বলেন।

জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, রাসেল ভাইপার একটি বিষাক্ত সাপ। লম্বা বহির্গামী বিষদাঁতের জন্য অনেক বেশি লোক দংশিত হয়।সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন দিতে পারলে কোনো ক্ষতি হয় না। আমাদের হাসপাতালে যথেষ্ট পরিমান ভ্যাকসিন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সাপটি ডিম পাড়ার পরিবর্তে সরাসরি বাচ্চা দেয়। এরা বছরের যেকোনো সময় বাচ্চা প্রজনন করে। একটি স্ত্রী সাপ গর্ভধারণ শেষে ২০-৪০ টি বাচ্চা দেয়।সাপটি দেখে আতঙ্কিত না হয়ে উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে সচেতন থাকতে হবে।