ই পি জেড ট্রাফিকের দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ: ই পি জেড ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান সুজন নিরলস পরিশ্রম প্রশংসিত
- আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ৬২ বার পড়া হয়েছে
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার ই পি জেড মোড়—যেখানে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে, সেখানে এখন দৃশ্যপট অনেকটাই বদলেছে। আগে যেখানে যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতেন নগরবাসী, সেখানে এখন দেখা যাচ্ছে এক দৃশ্যমান পরিবর্তন। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এক নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা — ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান সুজন।
ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান সুজন ট্রাফিক (ই পি জেড বিভাগ)-এর অধীনে দায়িত্ব পালন করছেন ই পি জেড ২নং মাইলের মাথা বড় মসজিদ এলাকা পর্যন্ত তিনি তাঁর নিজ দায়িত্ববোধ, কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য আন্তরিকতার মাধ্যমে যানজট সমস্যাকে এখন সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি মাঠে থেকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকেন, রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরবাসীর স্বস্তি ফিরিয়ে আনছেন।
বন্দর ইপিজেড পতেঙ্গা সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্যরা ও স্তানীয় সাধারণ জনগন জানান, টি আই কামরুজ্জামান সুজন সত্যিকারের এক দায়িত্বশীল ট্রাফিক কর্মকর্তা। তাঁর কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও সততা আমরা ও মানবাধিকার কর্মী ও মিডিয়া কর্মীরা নিজেরা চোখে দেখেছেন তিনি কেবল নির্দেশ দেন না, নিজে মাঠে নেমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। সংগঠনের প্ল্যাটফর্মে তাঁর দায়িত্ব পালনের কিছু ভিডিওচিত্রও শেয়ার করা হয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, টি আই কামরুজ্জামান সুজন এর মতো যদি প্রতিটি ট্রাফিক কর্মকর্তা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করতেন, তাহলে চট্টগ্রামের যানজট অনেকটাই অতীত হয়ে যেত।
ডিসি ট্রাফিক (বন্দর) কবীর আহমেদের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বদলে যাচ্ছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
ই পি জেড এলাকার পরিবর্তনের পেছনে ডিসি ট্রাফিক (বন্দর) কবীর আহমেদের দূরদর্শী দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনাও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর নেতৃত্বে বন্দর ট্রাফিক বিভাগ এখন আরও সংগঠিত ও গতিশীল হয়ে উঠেছে।
কবীর আহমেদ নিয়মিতভাবে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সরেজমিনে গিয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধান দিচ্ছেন। বন্দর এলাকা, পতেঙ্গা, ইপিজেড, সল্টগোলা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে যে বিশাল পরিমাণ পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে, তা সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনি একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করেছেন।
বন্দর ইপিজেড পতেঙ্গা সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলা হয়েছে,
ডিসি ট্রাফিক কবীর আহমেদ নেতৃত্বে বন্দর এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এক নতুন ধারা তৈরি হয়েছে। তিনি আন্তরিক, মানবিক ও ফলপ্রসূ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নির্দেশনা ও মনিটরিংয়ের ফলেই মাঠপর্যায়ে ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান সুজনের মতো কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে পারছেন।
সমন্বিত উদ্যোগে স্বস্তি ফিরছে বন্দর নগরীতে – এদিকে বন্দর ইপিজেড পতেঙ্গা সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক), সিডিএ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে যানজট নিরসনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সমাজের দাবি, এই সমন্বিত প্রয়াস অব্যাহত থাকলে শিগগিরই চট্টগ্রামের বন্দর এলাকাকে যানজটমুক্ত একটি মডেল জোনে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান সুজনের আন্তরিকতা, ডিসি ট্রাফিক কবীর আহমেদের নেতৃত্ব এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ—সব মিলিয়ে বন্দর নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে “চট্টগ্রাম” হতে পারে দেশের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন নগরীর অন্যতম উদাহরণ।















