ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ কাশিনাথপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র যেন গণ-শৌচাগার ঈশ্বরদীতে মানবতার সেবা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরন টাকা না দেওয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চালান মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন খালেদা জিয়ার স্মরণে আটঘরিয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল পাবনাতে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ৩হাজার গাছ কাটার অভিযোগ কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবায় জেলার সেরা শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সীমান্তে পৃথক অভিযানে ১০ টি ভারতীয় গরু ও মহিষ জব্দ

চলতি ডিসেম্বরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে – পার্বত্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে ৩টি করে মোট ৯টি স্কুলে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা ই-লার্নিং শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, রোবটিকস ব্যবহার করাসহ গ্লোবাল কমিউনিটিতে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর ইচ্ছা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০০টি ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

আজ বিকালে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে চাই। তিনি জানান, নির্বাচিত স্কুলগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পেশাজীবী ও দক্ষ শিক্ষকরা শহর থেকে অনলাইনে স্বেচ্ছায় পাঠদান করতে পারবেন, এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে যোগ্য শিক্ষকের অভাব পূরণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই ই-লার্নিং স্কুলগুলো পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং তাদের জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী মানসম্পন্ন ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ প্রদান করবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. সানাই প্রু ত্রিপুরা, যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইসরাত জাহানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চলতি ডিসেম্বরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে – পার্বত্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে ৩টি করে মোট ৯টি স্কুলে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা ই-লার্নিং শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, রোবটিকস ব্যবহার করাসহ গ্লোবাল কমিউনিটিতে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর ইচ্ছা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০০টি ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

আজ বিকালে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে চাই। তিনি জানান, নির্বাচিত স্কুলগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পেশাজীবী ও দক্ষ শিক্ষকরা শহর থেকে অনলাইনে স্বেচ্ছায় পাঠদান করতে পারবেন, এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে যোগ্য শিক্ষকের অভাব পূরণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই ই-লার্নিং স্কুলগুলো পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং তাদের জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী মানসম্পন্ন ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ প্রদান করবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. সানাই প্রু ত্রিপুরা, যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইসরাত জাহানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।