ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ কাশিনাথপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র যেন গণ-শৌচাগার ঈশ্বরদীতে মানবতার সেবা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরন টাকা না দেওয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চালান মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন খালেদা জিয়ার স্মরণে আটঘরিয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল পাবনাতে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ৩হাজার গাছ কাটার অভিযোগ কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবায় জেলার সেরা শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সীমান্তে পৃথক অভিযানে ১০ টি ভারতীয় গরু ও মহিষ জব্দ

শিল্পের মাধ্যমে জাতিকে একত্র করার অঙ্গীকার ও আহবানে শোয়েব হোসেন

অফিস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যেন দেশাত্মবোধ জাগ্রত রাখতে বিপ্লবী, বিদ্রোহী গান, গণসংগীত, কবিতা, নাটক ও মা-মাটি-দেশ বিষয়ক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মহড়া আয়োজন শুরু করতে যাচ্ছে ‘বিপ্লবী শিল্পী সমাজ’।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বিজয়ের মাস অগ্নিঝরা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে এসব মহড়া নভেম্বর মাস জুড়ে চলবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়। দেশের বিভিন্ন বিপ্লবী শিল্পী ও সংগঠনকে এতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিপ্লবী শিল্পী সমাজের আহ্বায়ক মো: শোয়েব হোসেন বলেন—
“দেশের এই সময়ে শিল্পই হতে পারে জাতিকে একত্র করার শক্তি। আমরা চাই গান ও নাটকের মাধ্যমে মানুষ আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমে জাগ্রত হোক,” বলেন তিনি।

সদস্য সচিব বিপ্লব চৌধুরী বলেন—
“আমরা বিপ্লবী শিল্পীরা কণ্ঠে দেশপ্রেম, সুরে প্রতিবাদ ও অভিনয়ে মানবতার আলো ছড়িয়ে দিতে চাই। এই মহড়াগুলো বিজয়ের মাসে সাংস্কৃতিক জাগরণের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।”

আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক প্রভাবে জাগ্রত করে এক নতুন দেশপ্রেমিক সমাজ গড়াই মূল লক্ষ্য।
তাদের ভাষায়—

> “দেশকে ভালোবাসার সুরে, সাহস ও প্রতিবাদের শিল্পে নতুন প্রজন্মকে জাগ্রত করা—এই আমাদের উদ্দেশ্য।”

আয়োজকরা আরও জানান, আহ্বায়ক মো: শোয়েব হোসেন একাধারে শিল্পী, সংগীত শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।
গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ ও পরবর্তী বিভীষিকাময় সময়েও তিনি জীবনবাজি রেখে বিপ্লবী শিল্পীদের একত্রিত করেন। প্রশাসনিক নিরাপত্তা ছাড়াই নানা হুমকির মুখেও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিপ্লবী সুরের ঝংকারে জাতির হৃদয়ে দেশাত্মবোধ জাগিয়ে তোলেন তিনি।

তার এই নেতৃত্ব, দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমিক ত্যাগ নব প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
সেদিনের সেই সাহসিক আহ্বানের ধারাবাহিকতায় চলমান এই সাংস্কৃতিক মহড়া আজ বাস্তবায়ন করছে তারই স্বপ্ন ও দেশের প্রতি চূড়ান্ত অঙ্গীকার।

বিপ্লবী শিল্পীরা মনে করেন,“মো: শোয়েব হোসেন শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি এক প্রেরণাদায়ী আন্দোলনের প্রতীক, যার নেতৃত্বে দেশাত্মবোধ ও মানবতার আলো পুনর্জ্বলে উঠছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিল্পের মাধ্যমে জাতিকে একত্র করার অঙ্গীকার ও আহবানে শোয়েব হোসেন

আপডেট সময় : ০৫:২০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যেন দেশাত্মবোধ জাগ্রত রাখতে বিপ্লবী, বিদ্রোহী গান, গণসংগীত, কবিতা, নাটক ও মা-মাটি-দেশ বিষয়ক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মহড়া আয়োজন শুরু করতে যাচ্ছে ‘বিপ্লবী শিল্পী সমাজ’।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বিজয়ের মাস অগ্নিঝরা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে এসব মহড়া নভেম্বর মাস জুড়ে চলবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়। দেশের বিভিন্ন বিপ্লবী শিল্পী ও সংগঠনকে এতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিপ্লবী শিল্পী সমাজের আহ্বায়ক মো: শোয়েব হোসেন বলেন—
“দেশের এই সময়ে শিল্পই হতে পারে জাতিকে একত্র করার শক্তি। আমরা চাই গান ও নাটকের মাধ্যমে মানুষ আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমে জাগ্রত হোক,” বলেন তিনি।

সদস্য সচিব বিপ্লব চৌধুরী বলেন—
“আমরা বিপ্লবী শিল্পীরা কণ্ঠে দেশপ্রেম, সুরে প্রতিবাদ ও অভিনয়ে মানবতার আলো ছড়িয়ে দিতে চাই। এই মহড়াগুলো বিজয়ের মাসে সাংস্কৃতিক জাগরণের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।”

আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক প্রভাবে জাগ্রত করে এক নতুন দেশপ্রেমিক সমাজ গড়াই মূল লক্ষ্য।
তাদের ভাষায়—

> “দেশকে ভালোবাসার সুরে, সাহস ও প্রতিবাদের শিল্পে নতুন প্রজন্মকে জাগ্রত করা—এই আমাদের উদ্দেশ্য।”

আয়োজকরা আরও জানান, আহ্বায়ক মো: শোয়েব হোসেন একাধারে শিল্পী, সংগীত শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।
গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ ও পরবর্তী বিভীষিকাময় সময়েও তিনি জীবনবাজি রেখে বিপ্লবী শিল্পীদের একত্রিত করেন। প্রশাসনিক নিরাপত্তা ছাড়াই নানা হুমকির মুখেও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিপ্লবী সুরের ঝংকারে জাতির হৃদয়ে দেশাত্মবোধ জাগিয়ে তোলেন তিনি।

তার এই নেতৃত্ব, দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমিক ত্যাগ নব প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
সেদিনের সেই সাহসিক আহ্বানের ধারাবাহিকতায় চলমান এই সাংস্কৃতিক মহড়া আজ বাস্তবায়ন করছে তারই স্বপ্ন ও দেশের প্রতি চূড়ান্ত অঙ্গীকার।

বিপ্লবী শিল্পীরা মনে করেন,“মো: শোয়েব হোসেন শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি এক প্রেরণাদায়ী আন্দোলনের প্রতীক, যার নেতৃত্বে দেশাত্মবোধ ও মানবতার আলো পুনর্জ্বলে উঠছে।”