ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল ঈশ্বরদীতে সারের ডিলার বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন,তদন্তের দাবী ঈশ্বরদীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু কাঁঠালিয়ায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস দুর্গাপূজায় যশোর জেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের দামুড়হুদায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে পুকুর খনন রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজুকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর

খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

বাংলার জনতা, প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির সাবেক মহাসচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার দেলোয়ার হোসেন-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জে কবর জিয়ারত, দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে মানিকগঞ্জের পাচুরিয়ায় তাঁর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তব্য দেন ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার।

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সংকটময় সময় হিসেবে পরিচিত ১/১১ রাজনৈতিক সংকট-এ বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন চক্রান্ত মোকাবিলায় দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার বলেন, “সেই সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদি তিনি সেদিন নেতৃত্ব না দিতেন, তাহলে দলকে সংগঠিত রাখা কঠিন হয়ে পড়ত।”

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান-এর জাতীয়তাবাদী দর্শন ধারণ করে এবং খালেদা জিয়া-র নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর এই অবদান দল ও দেশবাসী দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে ড. খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ঘিওর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল হোসেন, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সম্পাদক কবি ডা. আবুল হাসান, বিএনপি নেতা কাজী আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম চান্দুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, দৃঢ়চেতা ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসেবে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তাঁর দৃঢ়তা, অটুট মনোবল এবং ব্যক্তিত্ব তাকে একজন ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকেলে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সবাই ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বাধীন ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পরে ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ২০০৭ সালে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

আপডেট সময় : ১০:০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বিএনপির সাবেক মহাসচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার দেলোয়ার হোসেন-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জে কবর জিয়ারত, দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে মানিকগঞ্জের পাচুরিয়ায় তাঁর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তব্য দেন ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার।

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সংকটময় সময় হিসেবে পরিচিত ১/১১ রাজনৈতিক সংকট-এ বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন চক্রান্ত মোকাবিলায় দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার বলেন, “সেই সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদি তিনি সেদিন নেতৃত্ব না দিতেন, তাহলে দলকে সংগঠিত রাখা কঠিন হয়ে পড়ত।”

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান-এর জাতীয়তাবাদী দর্শন ধারণ করে এবং খালেদা জিয়া-র নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর এই অবদান দল ও দেশবাসী দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে ড. খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ঘিওর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল হোসেন, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সম্পাদক কবি ডা. আবুল হাসান, বিএনপি নেতা কাজী আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম চান্দুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, দৃঢ়চেতা ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসেবে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তাঁর দৃঢ়তা, অটুট মনোবল এবং ব্যক্তিত্ব তাকে একজন ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকেলে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সবাই ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বাধীন ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পরে ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ২০০৭ সালে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন।