ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল ঈশ্বরদীতে সারের ডিলার বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন,তদন্তের দাবী ঈশ্বরদীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু কাঁঠালিয়ায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস দুর্গাপূজায় যশোর জেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের দামুড়হুদায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে পুকুর খনন রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজুকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর

অবশেষে নোবেলকে ডিভোর্স দিয়েছেন স্ত্রী সালসাবিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩ ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
আলোচিত-সমালোচিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে তার স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ ডিভোর্স দিয়েছেন। নোবেলকে ডিভোর্স দেওয়ার বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সালসাবিল মাহমুদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি নোবেলকে ডিভোর্স দিয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত ফেসবুকে পরিষ্কার করেছি। যে পেজে স্ট্যাটাসটি দেওয়া হয়েছে, সেটি আমার।’ গতকাল বৃহস্পতিবার সালসাবিল নিজের ফেসবুকে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, আমি হয়তোবা আগে ক্লিয়ার করিনি ব্যাপারটা যেহেতু আমরা দুজনেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশনটা উকিলকে বলে হোল্ডে রেখেছিলাম, কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পরও যখন আমার ও নোবেলের কথা হয় আমি তাকে শেষবারের মতো মাদকদ্রব্য ছাড়ার কথা এবং চিকিৎসা নেওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করি।

সে পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেয় সে কখনো মাদক ছাড়বে না এবং বলে, ‘নেশা ছাড়লে তো আগেই ছাড়তাম লল’। এরপর আমি আমার পারিবারিক সিদ্ধান্তে ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করি। সালসাবিল আরও লেখেন, ধন্যবাদ আমার প্রাক্তনকে আমি শুভকামনা জানাই। নোবেল কখনোই এত অসুস্থ ছিল না। এমন না যে নোবেলের আজকের এ অবস্থার জন্য ও শুধু একা দায়ী। অবশ্যই সে নিজেই সবচেয়ে বেশি দায়ী কিন্তু তার মাদকদ্রব্য প্রাপ্তি ও আসক্তির ক্ষেত্রে অনেক ক্ষমতাশালী মানুষদের অবদান আছে সরকারি প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, ক্ষমতাশালী ব্যবসায়ী; (দরকার হলে নাম বলব) যাদের আগের ক্রিমিনাল রেকর্ড আপনারা নিউজে দেখেছেন অথবা এখনো দেখেননি।

কিন্তু নোবেলের আশপাশে তাদের অবশ্যই দেখেছেন এবং দেখে থাকবেন। (তাদের মধ্যে কিছু শো অরগানাইজারও) বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য ব্যবসায় তারা সচল এবং কিছু এয়ার হোস্টেসের (একজন এয়ারহোস্টেস যে অন্য এয়ারহোস্টেসদের পরিচালনা করে এবং ডিস্ট্রিবিউশন সুবিধার্থে পরিচিত মুখ/ভিকটিম খুঁজে বের করে) মাধ্যমে এবং অন্য পন্থায় তারা দেশে মাদক আমদানি করে এবং গোপনভাবে ডিস্ট্রিবিউশন করে যার একজন ভিকটিম নোবেল নিজেই, আসলে শুধু ভিকটিম বললে ভুল হবে এখন জড়িত। মিডিয়ার বিষয় তাই শুধু সামনে এসেছে কিন্তু এসব/এক ক্ষমতাধারী সিন্ডিকেটের ব্যবসার মুনাফাই আসে বিভিন্ন পরিবারের সন্তানদের ও যুবসমাজকে মাদকাসক্ত করিয়ে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে নোবেলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সালসাবিল। কিন্তু নোবেলের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণে তার থেকে দূরে সরে যান তিনি। তাদের সম্পর্কটা ছিল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবশেষে নোবেলকে ডিভোর্স দিয়েছেন স্ত্রী সালসাবিল

আপডেট সময় : ০২:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩

এফএনএস
আলোচিত-সমালোচিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে তার স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ ডিভোর্স দিয়েছেন। নোবেলকে ডিভোর্স দেওয়ার বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সালসাবিল মাহমুদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি নোবেলকে ডিভোর্স দিয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত ফেসবুকে পরিষ্কার করেছি। যে পেজে স্ট্যাটাসটি দেওয়া হয়েছে, সেটি আমার।’ গতকাল বৃহস্পতিবার সালসাবিল নিজের ফেসবুকে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, আমি হয়তোবা আগে ক্লিয়ার করিনি ব্যাপারটা যেহেতু আমরা দুজনেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশনটা উকিলকে বলে হোল্ডে রেখেছিলাম, কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পরও যখন আমার ও নোবেলের কথা হয় আমি তাকে শেষবারের মতো মাদকদ্রব্য ছাড়ার কথা এবং চিকিৎসা নেওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করি।

সে পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেয় সে কখনো মাদক ছাড়বে না এবং বলে, ‘নেশা ছাড়লে তো আগেই ছাড়তাম লল’। এরপর আমি আমার পারিবারিক সিদ্ধান্তে ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করি। সালসাবিল আরও লেখেন, ধন্যবাদ আমার প্রাক্তনকে আমি শুভকামনা জানাই। নোবেল কখনোই এত অসুস্থ ছিল না। এমন না যে নোবেলের আজকের এ অবস্থার জন্য ও শুধু একা দায়ী। অবশ্যই সে নিজেই সবচেয়ে বেশি দায়ী কিন্তু তার মাদকদ্রব্য প্রাপ্তি ও আসক্তির ক্ষেত্রে অনেক ক্ষমতাশালী মানুষদের অবদান আছে সরকারি প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, ক্ষমতাশালী ব্যবসায়ী; (দরকার হলে নাম বলব) যাদের আগের ক্রিমিনাল রেকর্ড আপনারা নিউজে দেখেছেন অথবা এখনো দেখেননি।

কিন্তু নোবেলের আশপাশে তাদের অবশ্যই দেখেছেন এবং দেখে থাকবেন। (তাদের মধ্যে কিছু শো অরগানাইজারও) বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য ব্যবসায় তারা সচল এবং কিছু এয়ার হোস্টেসের (একজন এয়ারহোস্টেস যে অন্য এয়ারহোস্টেসদের পরিচালনা করে এবং ডিস্ট্রিবিউশন সুবিধার্থে পরিচিত মুখ/ভিকটিম খুঁজে বের করে) মাধ্যমে এবং অন্য পন্থায় তারা দেশে মাদক আমদানি করে এবং গোপনভাবে ডিস্ট্রিবিউশন করে যার একজন ভিকটিম নোবেল নিজেই, আসলে শুধু ভিকটিম বললে ভুল হবে এখন জড়িত। মিডিয়ার বিষয় তাই শুধু সামনে এসেছে কিন্তু এসব/এক ক্ষমতাধারী সিন্ডিকেটের ব্যবসার মুনাফাই আসে বিভিন্ন পরিবারের সন্তানদের ও যুবসমাজকে মাদকাসক্ত করিয়ে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে নোবেলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সালসাবিল। কিন্তু নোবেলের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণে তার থেকে দূরে সরে যান তিনি। তাদের সম্পর্কটা ছিল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।