ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

সামান্য বৃষ্টিতেই দুর্ভোগে পাটগাঁওয়ের শতাধিক পরিবার

হাসিনুজ্জামান মিন্টু , ঠাকুরগাঁওয় প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ৪ নং লেহেম্বা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পাটগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাস পীর মাঠ এখন এলাকাবাসীর জন্য আশীর্বাদের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠজুড়ে পানি জমে গিয়ে আশপাশের শতাধিক পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠের ওপর দিয়েই গ্রামের অনেক মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ। কিন্তু কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই সেই পথ পানির নিচে চলে যায়। ফলে শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্কদের প্রতিদিনই চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

এক বাসিন্দা বলেন, “অল্প বৃষ্টিতেই মাঠ পানিতে ভরে যায়। তখন হাঁটাচলা করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।”

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও স্থায়ী সমাধানে এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রতি বর্ষা মৌসুমে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, একসময় বিশ্বাস পীর মাঠ ছিল গ্রামের খেলাধুলা, সামাজিক অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। বিভিন্ন উৎসব, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সামাজিক আয়োজন এই মাঠকে ঘিরেই অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু অব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মাঠটি এখন অধিকাংশ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে।

পাটগাঁওবাসীর দাবি, দ্রুত মাঠ সংস্কার, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ, যাতায়াতের রাস্তা উন্নয়ন এবং স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। তাদের আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হলে বিশ্বাস পীর মাঠ আবারও গ্রামের খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ফিরে আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সামান্য বৃষ্টিতেই দুর্ভোগে পাটগাঁওয়ের শতাধিক পরিবার

আপডেট সময় : ১১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ৪ নং লেহেম্বা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পাটগাঁও গ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাস পীর মাঠ এখন এলাকাবাসীর জন্য আশীর্বাদের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠজুড়ে পানি জমে গিয়ে আশপাশের শতাধিক পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠের ওপর দিয়েই গ্রামের অনেক মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ। কিন্তু কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই সেই পথ পানির নিচে চলে যায়। ফলে শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্কদের প্রতিদিনই চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

এক বাসিন্দা বলেন, “অল্প বৃষ্টিতেই মাঠ পানিতে ভরে যায়। তখন হাঁটাচলা করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।”

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও স্থায়ী সমাধানে এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রতি বর্ষা মৌসুমে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, একসময় বিশ্বাস পীর মাঠ ছিল গ্রামের খেলাধুলা, সামাজিক অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। বিভিন্ন উৎসব, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সামাজিক আয়োজন এই মাঠকে ঘিরেই অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু অব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মাঠটি এখন অধিকাংশ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে।

পাটগাঁওবাসীর দাবি, দ্রুত মাঠ সংস্কার, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ, যাতায়াতের রাস্তা উন্নয়ন এবং স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। তাদের আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হলে বিশ্বাস পীর মাঠ আবারও গ্রামের খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ফিরে আসবে।