ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ২১৯ বার পড়া হয়েছে

আদালতের নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মন্ডতোষ ইউনিয়নের মেন্দা গ্রামে বিবাদপূর্ণ সম্পত্তিতে জবরদখল করে ঘর নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আদালতের নিশেধাজ্ঞা আমলে না নিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মেন্দা গ্রামের কাশেমের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। এতে অভয় পক্ষের মধ্যে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে এলাকাবাসী। এবিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অসহায় ভুক্তভোগী মোঃ মোকসেদ আলী।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মেন্দা গ্রামের মৃত ছইমুদ্দিনের ছেলে হারান উদ্দিনের নামে মেন্দা মৌজার ৩৬৯,৯০২, ৩৬৭ ও ৫৮৭ আর এস খতিয়ানের ২৮৫ দাগে ৩৭ শতক জমি রেকর্ড হয়। এর মধ্যে মৃত হারান আলীর ছেলেরা ৩৭ শতকের কাতে ১৯ শতক ও মৃত কলিম উদ্দিন ছেলেদের সাথে ১৯৮৮ সালে ৭০ নং ছোলেনামা করে ডিক্রি নিয়ে আরো ৮ শতক মোট ১৯+৮=২৭ শতক জমির মালিক হন। এর মধ্যে ৮ শতক জমি ঔ গ্রামের করবান আলী নামের একজনের কাছ বিক্রি করা হয় যাহার খতিয়ান নম্বর ৫৮৭ দাগ নম্বর ২৮৫ বাকি ১৯ শতক জমির মধ্যে ১৩ শতক মোঃ মোকসেদ আলীর দখলে আছে বাকি ৬ শতক জমি বুঝিয়ে না দিয়ে ঘর নির্মাণ করেছে। পরবর্তীতে বিষয়টি বুঝতে পেরে মোঃ মোকসেদ আলী বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় একটি জিডি করেন। এর আগে মোকসেদ আলীর হারান আলী ৩৭ শতকের কাতে ১২ শতক জমির এওয়াজ দলিল করেন,দলিল নং-১৫৮৩ যাহার ১ম পক্ষ মোঃ মোকসেদ আলী ও দ্বিতীয় পক্ষ মোছাঃ আয়শা খাতুন। দলিলে দেখা যায়, কলকতি মৌজায় আর এস ১৮৪ খতিয়ানে ৩৫৬০ দাগে ৭ শতক + ৩৫৫৭ দাগে ৯ শতক মোট ১৬ শতকের কাতে পোনে দুই শতক এবং ১৫৭ আর এস খতিয়ানে ৩৪৪০ দাগে সোয়া ৮ শতক মোট ১০ শতক এওয়াজ করেন কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঔ সব অন্য লোকের নামে। এখানে প্রতারণার সামিল হয়েছেন মোকসেদ আলী। পরবর্তীতে মোকসেদ আলী গত ১৬/০৯/২০২৫ তারিখে দলিল বাতিলের জন্য পাবনার ভাঙ্গুড়া থানার সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন,মামলা নং ৭৮/২০২৫ইং মামলা চলমান।

এর পরেও বিবাদপূর্ণ ওই সম্পত্তিতে আয়শা খাতুন ও তার ছেলেরা সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা জবর দখল করে ঘর নির্মান করছেন। যার প্রেক্ষিতে গত ২০-১০-২০২৫ তারিখে মোঃ মোকসেদ আলী বাদী হয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কাজ বন্ধের নিষেধাজ্ঞা জারি করে ১৪৪ ধারার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে কোট পিঃ ৬৯১/২০২৫ এবং ৯৭৫ নং স্মারকে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪ ধারা কার্যকর করতে তফসিলভুক্ত সম্পত্তিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ প্রদান করেন।থানার এস.আই মোঃ হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই সম্পত্তিতে ১৪৪ ধারা জারি রেখে কোন প্রকার কাজ না করার নির্দেশ প্রদান করেন। এ আদেশ আগামী ১৭/১১/২০২৫ ইং পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

কিন্তু বিবাদী আয়শা খাতুন ও তার ছেলেরা ভোগদখলকৃত অংশে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জোরপূর্বক রাজনৈতিক প্রভাব ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘর নির্মাণ করেছে। তাতে বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি, গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়।

এবিষয়ে তদন্তকারী পুলিশের এস আই হাফিজুর রহমান বলেন, যেহেতু ঔ জায়গায় আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছে সেহেতু শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কাজ বন্ধের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

আদালতের নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মন্ডতোষ ইউনিয়নের মেন্দা গ্রামে বিবাদপূর্ণ সম্পত্তিতে জবরদখল করে ঘর নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আদালতের নিশেধাজ্ঞা আমলে না নিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মেন্দা গ্রামের কাশেমের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। এতে অভয় পক্ষের মধ্যে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে এলাকাবাসী। এবিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অসহায় ভুক্তভোগী মোঃ মোকসেদ আলী।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মেন্দা গ্রামের মৃত ছইমুদ্দিনের ছেলে হারান উদ্দিনের নামে মেন্দা মৌজার ৩৬৯,৯০২, ৩৬৭ ও ৫৮৭ আর এস খতিয়ানের ২৮৫ দাগে ৩৭ শতক জমি রেকর্ড হয়। এর মধ্যে মৃত হারান আলীর ছেলেরা ৩৭ শতকের কাতে ১৯ শতক ও মৃত কলিম উদ্দিন ছেলেদের সাথে ১৯৮৮ সালে ৭০ নং ছোলেনামা করে ডিক্রি নিয়ে আরো ৮ শতক মোট ১৯+৮=২৭ শতক জমির মালিক হন। এর মধ্যে ৮ শতক জমি ঔ গ্রামের করবান আলী নামের একজনের কাছ বিক্রি করা হয় যাহার খতিয়ান নম্বর ৫৮৭ দাগ নম্বর ২৮৫ বাকি ১৯ শতক জমির মধ্যে ১৩ শতক মোঃ মোকসেদ আলীর দখলে আছে বাকি ৬ শতক জমি বুঝিয়ে না দিয়ে ঘর নির্মাণ করেছে। পরবর্তীতে বিষয়টি বুঝতে পেরে মোঃ মোকসেদ আলী বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় একটি জিডি করেন। এর আগে মোকসেদ আলীর হারান আলী ৩৭ শতকের কাতে ১২ শতক জমির এওয়াজ দলিল করেন,দলিল নং-১৫৮৩ যাহার ১ম পক্ষ মোঃ মোকসেদ আলী ও দ্বিতীয় পক্ষ মোছাঃ আয়শা খাতুন। দলিলে দেখা যায়, কলকতি মৌজায় আর এস ১৮৪ খতিয়ানে ৩৫৬০ দাগে ৭ শতক + ৩৫৫৭ দাগে ৯ শতক মোট ১৬ শতকের কাতে পোনে দুই শতক এবং ১৫৭ আর এস খতিয়ানে ৩৪৪০ দাগে সোয়া ৮ শতক মোট ১০ শতক এওয়াজ করেন কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঔ সব অন্য লোকের নামে। এখানে প্রতারণার সামিল হয়েছেন মোকসেদ আলী। পরবর্তীতে মোকসেদ আলী গত ১৬/০৯/২০২৫ তারিখে দলিল বাতিলের জন্য পাবনার ভাঙ্গুড়া থানার সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন,মামলা নং ৭৮/২০২৫ইং মামলা চলমান।

এর পরেও বিবাদপূর্ণ ওই সম্পত্তিতে আয়শা খাতুন ও তার ছেলেরা সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা জবর দখল করে ঘর নির্মান করছেন। যার প্রেক্ষিতে গত ২০-১০-২০২৫ তারিখে মোঃ মোকসেদ আলী বাদী হয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কাজ বন্ধের নিষেধাজ্ঞা জারি করে ১৪৪ ধারার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে কোট পিঃ ৬৯১/২০২৫ এবং ৯৭৫ নং স্মারকে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪ ধারা কার্যকর করতে তফসিলভুক্ত সম্পত্তিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ প্রদান করেন।থানার এস.আই মোঃ হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই সম্পত্তিতে ১৪৪ ধারা জারি রেখে কোন প্রকার কাজ না করার নির্দেশ প্রদান করেন। এ আদেশ আগামী ১৭/১১/২০২৫ ইং পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

কিন্তু বিবাদী আয়শা খাতুন ও তার ছেলেরা ভোগদখলকৃত অংশে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জোরপূর্বক রাজনৈতিক প্রভাব ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘর নির্মাণ করেছে। তাতে বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি, গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়।

এবিষয়ে তদন্তকারী পুলিশের এস আই হাফিজুর রহমান বলেন, যেহেতু ঔ জায়গায় আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছে সেহেতু শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কাজ বন্ধের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।