ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক আরবিএস পাভেল চাঁদাবাজ নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? পূর্ণাঙ্গ ঘটনায় উঠছে নানা প্রশ্ন বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পাতি নেতায় অতিষ্ট জাতীয়তাবাদী কর্মী মাসুদ ও আমন সংরক্ষিত নারী আসনে দ্বিতীয়বার এমপি মনোনীত নেওয়াজ হালিমা আরলীকে অভিনন্দন প্রবাসীর নিকট থেকে চাঁদা না পেয়ে প্রাণনাশের হুমকি  ঢাকায় জেসিআই কার্নিভাল অনুষ্ঠিত পাবনায় সাংবাদিককে মেরে পুলিশে দেওয়ার হুমকি পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগে দশ বছর পর অভিনেত্রী অধরা আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
রাজধানী মিরপুরের শাহ আলী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হুমায়ূন কবিরকে (৪৪) হত্যা করে ফজিলাতুন্নেছা রিয়া থেকে হয়ে যান সুহাসিনী অধরা (২৯)। এরপর গত দশ বছর নিজের নামে কাগজপত্র সব পরিবর্তন করে হয়ে যান মডেল ও অভিনেত্রী। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কথিত সেই মডেলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। গত বৃহস্পতিবার রাতে মেরুল বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৩। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি জানান, অধরার আসল নাম ফজিলাতুন্নেসা রিয়া। পরিচয় পরিবর্তন করে তিনি মডেল হয়েছিলেন। নতুন নাম হয় সুহাসিনী অধরা। র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায়। র‌্যাব জানায়, ২০১৩ সালে মিরপুরের পূর্ব মনিপুরের ১০৫০/৩ কাঁঠালতলার একটি ভবন থেকে শাহ আলী থানায় কর্মরত এএসআই হুমায়ূন কবিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীরে বিষক্রিয়া ইনজেকশন দিয়ে ও শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করে ফজিলাতুন্নেছা ও তাঁর স্বামী রাফা-এ-মিষ্টি। তাঁর স্বামী এই হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামি। তাঁকে গত বছর গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। কথিত এই মডেল তাঁর স্বামীসহ হুমায়ূন কবিরের বাসায় সাবলেট থাকতেন। ২০১৬ সাল থেকে মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে ছোট ও বড় পর্দায় নিজের নাম লেখান। তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম ফজিলাতুন্নেছা রিয়া থেকে কৌশলে সুহাসিনী অধরা করেন। নিজেকে মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। বসবাস শুরু করেন, রাজধানীর মেরুল বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগে দশ বছর পর অভিনেত্রী অধরা আটক

আপডেট সময় : ০৪:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

এফএনএস
রাজধানী মিরপুরের শাহ আলী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হুমায়ূন কবিরকে (৪৪) হত্যা করে ফজিলাতুন্নেছা রিয়া থেকে হয়ে যান সুহাসিনী অধরা (২৯)। এরপর গত দশ বছর নিজের নামে কাগজপত্র সব পরিবর্তন করে হয়ে যান মডেল ও অভিনেত্রী। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কথিত সেই মডেলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। গত বৃহস্পতিবার রাতে মেরুল বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৩। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি জানান, অধরার আসল নাম ফজিলাতুন্নেসা রিয়া। পরিচয় পরিবর্তন করে তিনি মডেল হয়েছিলেন। নতুন নাম হয় সুহাসিনী অধরা। র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায়। র‌্যাব জানায়, ২০১৩ সালে মিরপুরের পূর্ব মনিপুরের ১০৫০/৩ কাঁঠালতলার একটি ভবন থেকে শাহ আলী থানায় কর্মরত এএসআই হুমায়ূন কবিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীরে বিষক্রিয়া ইনজেকশন দিয়ে ও শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করে ফজিলাতুন্নেছা ও তাঁর স্বামী রাফা-এ-মিষ্টি। তাঁর স্বামী এই হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামি। তাঁকে গত বছর গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। কথিত এই মডেল তাঁর স্বামীসহ হুমায়ূন কবিরের বাসায় সাবলেট থাকতেন। ২০১৬ সাল থেকে মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে ছোট ও বড় পর্দায় নিজের নাম লেখান। তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম ফজিলাতুন্নেছা রিয়া থেকে কৌশলে সুহাসিনী অধরা করেন। নিজেকে মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। বসবাস শুরু করেন, রাজধানীর মেরুল বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ারে।