ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসীর মানবন্ধন

আল আমিন বিন আমজাদ ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বড়পুকরিয়া কয়লাখনির পার্শ্বে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সোলার প্লান্ট এর কাজ শুরু করার প্রতিবাদে মানববন্ধ করেছে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারী সকল ১১ টায় পাতরাপাড়া মোড়ে মানবন্ধন করেন কয়েকটি গ্রামের ১ হাজার নারী পুরুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোন্তাসির আফসানী সাগর। তিনি বলেন,এই এলাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনের চাষা-বাদী জমিতে হঠাৎ করে কে বা কাহারা ঘেরা বেড়া দিচ্ছে, পরে আমরা জানতে পারি এখানে সোলার প্লান্ট এর কাজ করা হবে। কিন্তু এ কাজ সম্পর্কে এলাকাবাসী কেউ অবগত নয়। আমরা এখন পর্যন্ত পূর্নাঙ্গ ক্ষতিপূরণ পাইনি।পূর্নাঙ্গ ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই কাজ শুর করতে দিব না। আমরা এখনো মসজিদ, মাদ্রাসা, কবর স্থান সহ ঘরবাড়ী ফাটলের ক্ষতিপূরণ এখনো পাইনি। একটি কুচক্রীমহল আমাদের ক্ষতিপূরণ না দিয়েই এখানে সোলার প্লান্ট এর কাজ শুরু করার পায়তারা করছে। আমাদের কয়ল খনি কর্তৃপক্ষে সঙ্গে গত ১ মে ২০০৯ইং সালে ১০ দফা চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এখানে কোন সোলার প্লান্ট করতে দেওয়া হবে না। খনি কর্তৃপক্ষ এই এলাকার মানুষের সঙ্গে প্রতারনা করেছে। তারা আমাদের কোন কথা এবং আন্দোলনে কর্ণপাত করছে না। মানববন্ধনে অন্যান্যদরে মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, পাতরা পাড়া গ্রামের মোঃ রেজওয়ান বাপ্পী, মোঃ আসাদ সরকার, মোঃ কিবরিয়া, মোঃ হাফিজুর রহমান। মানববন্ধন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোন গ্রহন করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসীর মানবন্ধন

আপডেট সময় : ১০:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দিনাজপুরের বড়পুকরিয়া কয়লাখনির পার্শ্বে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সোলার প্লান্ট এর কাজ শুরু করার প্রতিবাদে মানববন্ধ করেছে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারী সকল ১১ টায় পাতরাপাড়া মোড়ে মানবন্ধন করেন কয়েকটি গ্রামের ১ হাজার নারী পুরুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোন্তাসির আফসানী সাগর। তিনি বলেন,এই এলাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনের চাষা-বাদী জমিতে হঠাৎ করে কে বা কাহারা ঘেরা বেড়া দিচ্ছে, পরে আমরা জানতে পারি এখানে সোলার প্লান্ট এর কাজ করা হবে। কিন্তু এ কাজ সম্পর্কে এলাকাবাসী কেউ অবগত নয়। আমরা এখন পর্যন্ত পূর্নাঙ্গ ক্ষতিপূরণ পাইনি।পূর্নাঙ্গ ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই কাজ শুর করতে দিব না। আমরা এখনো মসজিদ, মাদ্রাসা, কবর স্থান সহ ঘরবাড়ী ফাটলের ক্ষতিপূরণ এখনো পাইনি। একটি কুচক্রীমহল আমাদের ক্ষতিপূরণ না দিয়েই এখানে সোলার প্লান্ট এর কাজ শুরু করার পায়তারা করছে। আমাদের কয়ল খনি কর্তৃপক্ষে সঙ্গে গত ১ মে ২০০৯ইং সালে ১০ দফা চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এখানে কোন সোলার প্লান্ট করতে দেওয়া হবে না। খনি কর্তৃপক্ষ এই এলাকার মানুষের সঙ্গে প্রতারনা করেছে। তারা আমাদের কোন কথা এবং আন্দোলনে কর্ণপাত করছে না। মানববন্ধনে অন্যান্যদরে মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, পাতরা পাড়া গ্রামের মোঃ রেজওয়ান বাপ্পী, মোঃ আসাদ সরকার, মোঃ কিবরিয়া, মোঃ হাফিজুর রহমান। মানববন্ধন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোন গ্রহন করেননি।