ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

মধুপুরে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ৪০ হাজার গাছের চারা ধ্বংস

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫ ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ৪০ হাজার ইউক্যালিপটাস গাছের চারা ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৮ জুলাই)দুপুরে মধুপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন নার্সারী থেকে ইউক্যালিপটাসের চারা এনে নার্সারী মালিকদের সামনেই ধ্বংস করা হয় এসব চারা।

সরকার আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছ নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর দেশে প্রথমবারের মতো ক্ষতিকর গাছের চারা ধ্বংস করা হলো

পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টিকারী এই গাছের চারা ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আশেক পারভেজ। এসময় মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেনও বেশ কিছু ইউক্যালিপটাস গাছের চারা কেটে ধ্বংস করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, ইউক্যিালিপটাস, আকাশমনি গাছ পরিবেশের জন্য সম্পূর্ণ ক্ষতিকর। এই গাছে কখনো পাখি বাসা বাঁধেনা। গাছের পাতা মাটিতে পড়ে পচেনা। এই গাছের আশেপাশে বসবাসকারী মানুষের এজমা ও শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। ওই জমিতে অন্য কোন সাথী ফসলও হয়না। তাই এই গাছকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। আমরা সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক টাঙ্গাইলের অন্যতম গাছের চারা উৎপাদনকারী এলাকা মধুপুর ও সখীপুরে প্রথমে পরিবেশের ক্ষতিকর গাছ ধ্বংসকরণ কার্যক্রম শুরু করছি। পরবর্তীতে সবকটি উপজেলাতেই এই কার্যক্রম চলবে।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, মধুপুরের যেখানেই ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা উৎপাদন বিপনণ হবে সেখানেই সরকারের নীতিমালা অনুযায়ি ক্ষতিকর গাছের চারা ধ্বংস করা হবে।

এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. দুলালুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রকিব আল রানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতিয়ার রহমান, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাজনী নূর রাত্রী, সহ অন্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মধুপুরে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ৪০ হাজার গাছের চারা ধ্বংস

আপডেট সময় : ০১:০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ৪০ হাজার ইউক্যালিপটাস গাছের চারা ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৮ জুলাই)দুপুরে মধুপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন নার্সারী থেকে ইউক্যালিপটাসের চারা এনে নার্সারী মালিকদের সামনেই ধ্বংস করা হয় এসব চারা।

সরকার আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছ নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর দেশে প্রথমবারের মতো ক্ষতিকর গাছের চারা ধ্বংস করা হলো

পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টিকারী এই গাছের চারা ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আশেক পারভেজ। এসময় মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেনও বেশ কিছু ইউক্যালিপটাস গাছের চারা কেটে ধ্বংস করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, ইউক্যিালিপটাস, আকাশমনি গাছ পরিবেশের জন্য সম্পূর্ণ ক্ষতিকর। এই গাছে কখনো পাখি বাসা বাঁধেনা। গাছের পাতা মাটিতে পড়ে পচেনা। এই গাছের আশেপাশে বসবাসকারী মানুষের এজমা ও শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। ওই জমিতে অন্য কোন সাথী ফসলও হয়না। তাই এই গাছকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। আমরা সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক টাঙ্গাইলের অন্যতম গাছের চারা উৎপাদনকারী এলাকা মধুপুর ও সখীপুরে প্রথমে পরিবেশের ক্ষতিকর গাছ ধ্বংসকরণ কার্যক্রম শুরু করছি। পরবর্তীতে সবকটি উপজেলাতেই এই কার্যক্রম চলবে।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, মধুপুরের যেখানেই ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা উৎপাদন বিপনণ হবে সেখানেই সরকারের নীতিমালা অনুযায়ি ক্ষতিকর গাছের চারা ধ্বংস করা হবে।

এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. দুলালুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রকিব আল রানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতিয়ার রহমান, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাজনী নূর রাত্রী, সহ অন্যানরা উপস্থিত ছিলেন।