ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

রাবির ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-শিবিরের সকল আসামি খালাস।

রাজশাহী প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ ২০১ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বহুল আলোচিত ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় ১০৫ জন আসামির সবাই বেকসুর খালাস পেয়েছেন।
রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী রাজশাহী মহানগর অতিরিক্ত আদালত-১ এর বিচারক মোঃ জুলফিকার উল্লাহ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর কানিজ ফাতিমা জানান, মামলায় সাক্ষী বা প্রত্যক্ষদর্শী যারা ছিলেন, তারা আদালতে কারো নাম নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। ফলে এই মামলার সকল আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে হল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে ফারুক হোসেন নামে ছাত্রলীগের এক কর্মীর মরদেহ সৈয়দ আমীর আলী হল ও শাহ মখদুম হলের মাঝখানের ম্যানহোলের মধ্যে পাওয়া যায়।

ঘটনার পরদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম অপু বাদী হয়ে ৩৫ জন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে নগরীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পর ২০১২ সালের ২৮ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান আদালতে ১ হাজার ২৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে জামায়াত ইসলামির তৎকালীন কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, রাজশাহী নগর জামায়াতের তৎকালীন আমির আতাউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামসুল আলম গোলাপ, সম্পাদক মোবারক হোসেন, নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসমত আলী, শহীদ হবিবুর রহমান হলের সভাপতি রাইজুল ইসলাম, শিবিরকর্মী রুহুল আমিন ও বাপ্পীসহ ১১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাবির ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-শিবিরের সকল আসামি খালাস।

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বহুল আলোচিত ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় ১০৫ জন আসামির সবাই বেকসুর খালাস পেয়েছেন।
রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী রাজশাহী মহানগর অতিরিক্ত আদালত-১ এর বিচারক মোঃ জুলফিকার উল্লাহ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর কানিজ ফাতিমা জানান, মামলায় সাক্ষী বা প্রত্যক্ষদর্শী যারা ছিলেন, তারা আদালতে কারো নাম নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। ফলে এই মামলার সকল আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে হল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে ফারুক হোসেন নামে ছাত্রলীগের এক কর্মীর মরদেহ সৈয়দ আমীর আলী হল ও শাহ মখদুম হলের মাঝখানের ম্যানহোলের মধ্যে পাওয়া যায়।

ঘটনার পরদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম অপু বাদী হয়ে ৩৫ জন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে নগরীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পর ২০১২ সালের ২৮ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান আদালতে ১ হাজার ২৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে জামায়াত ইসলামির তৎকালীন কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, রাজশাহী নগর জামায়াতের তৎকালীন আমির আতাউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামসুল আলম গোলাপ, সম্পাদক মোবারক হোসেন, নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসমত আলী, শহীদ হবিবুর রহমান হলের সভাপতি রাইজুল ইসলাম, শিবিরকর্মী রুহুল আমিন ও বাপ্পীসহ ১১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।