ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল ঈশ্বরদীতে সারের ডিলার বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন,তদন্তের দাবী ঈশ্বরদীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু কাঁঠালিয়ায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস দুর্গাপূজায় যশোর জেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের দামুড়হুদায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে পুকুর খনন রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজুকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর

সড়ক দুর্ঘটনার ১৬ প্রধান কারণ চিহ্নিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

ঝুঁকিমুক্ত সড়কের দাবিতে সব মহল একমত হলেও সড়ক দুর্ঘটনার হার এখনো সহনীয় মাত্রায় নামেনি। বরং দেশজুড়ে প্রতিদিনই একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) পর্যবেক্ষণে এসব দুর্ঘটনার জন্য ১৬টি প্রধান কারণ চিহ্নিত হয়েছে। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করে সংগঠনটি। ঝালকাঠির ছত্রাকান্দা এলাকায় গত শনিবার যাত্রী বোঝাই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে ১৭ জন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহতের ঘটনা সড়ক নিরাপত্তাকে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এসসিআরএফের তথ্য মতে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৭৮১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৮৯৮ জন নিহত ও ৪ হাজার ৭২০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৮। পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল আন্তরিক। তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর একশ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দায়িত্বশীলতার ঘাটতিও রয়েছে। পরিবহন খাতের ওপর মালিক ও শ্রমিক নেতাদের ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার, জনপ্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ এবং চালকসহ সাধারণ শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের অসচেতনতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। সড়ক দুর্ঘটনার ১৬টি প্রধান কারণ হচ্ছেÑ ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন। অদক্ষ, অসচেতন ও অসুস্থ চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো। প্রচলিত আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে ওভারটেকিং। নিয়োগপত্র, সাপ্তাহিক ছুটি ও নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা না থাকায় চালক ও সহকারীদের মানসিক অবসন্নতা। বিভিন্ন স্থানে সড়কের বেহাল দশা। জাতীয় মহাসড়ক ও আন্তঃজেলা সড়কে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক। দূরপাল্লার সড়কে বাণিজ্যিকভাবে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল চলাচল। মহাসড়কে স্বল্পগতির তিন চাকার যানবাহন চলাচল। তরুণ ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো। বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি ও সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি। দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং হাইওয়ে পুলিশের জনবল ও অন্যান্য সুবিধার ঘাটতি। সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণার অভাব। চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা। প্রচলিত আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর শিথিলতা এবং বিভিন্ন টার্মিনাল ও সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন থেকে চাঁদাবাজি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সড়ক দুর্ঘটনার ১৬ প্রধান কারণ চিহ্নিত

আপডেট সময় : ১১:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩

এফএনএস

ঝুঁকিমুক্ত সড়কের দাবিতে সব মহল একমত হলেও সড়ক দুর্ঘটনার হার এখনো সহনীয় মাত্রায় নামেনি। বরং দেশজুড়ে প্রতিদিনই একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) পর্যবেক্ষণে এসব দুর্ঘটনার জন্য ১৬টি প্রধান কারণ চিহ্নিত হয়েছে। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করে সংগঠনটি। ঝালকাঠির ছত্রাকান্দা এলাকায় গত শনিবার যাত্রী বোঝাই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে ১৭ জন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহতের ঘটনা সড়ক নিরাপত্তাকে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এসসিআরএফের তথ্য মতে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সারাদেশে ২ হাজার ৭৮১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৮৯৮ জন নিহত ও ৪ হাজার ৭২০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৮। পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল আন্তরিক। তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর একশ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দায়িত্বশীলতার ঘাটতিও রয়েছে। পরিবহন খাতের ওপর মালিক ও শ্রমিক নেতাদের ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার, জনপ্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ এবং চালকসহ সাধারণ শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের অসচেতনতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। সড়ক দুর্ঘটনার ১৬টি প্রধান কারণ হচ্ছেÑ ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন। অদক্ষ, অসচেতন ও অসুস্থ চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো। প্রচলিত আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে ওভারটেকিং। নিয়োগপত্র, সাপ্তাহিক ছুটি ও নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা না থাকায় চালক ও সহকারীদের মানসিক অবসন্নতা। বিভিন্ন স্থানে সড়কের বেহাল দশা। জাতীয় মহাসড়ক ও আন্তঃজেলা সড়কে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক। দূরপাল্লার সড়কে বাণিজ্যিকভাবে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল চলাচল। মহাসড়কে স্বল্পগতির তিন চাকার যানবাহন চলাচল। তরুণ ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো। বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি ও সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি। দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং হাইওয়ে পুলিশের জনবল ও অন্যান্য সুবিধার ঘাটতি। সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণার অভাব। চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা। প্রচলিত আইন প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর শিথিলতা এবং বিভিন্ন টার্মিনাল ও সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন থেকে চাঁদাবাজি।