ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান ৩ কোটি টাকার ৮টি ব্রিজের কাজে অনিয়ম, ২ বছরেও শেষ হয়নি,তদন্তের কথা বলেন জেলা প্রশাসক বর্ণাঢ্য আয়োজনে রুয়েটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার

৩ কোটি টাকার ৮টি ব্রিজের কাজে অনিয়ম, ২ বছরেও শেষ হয়নি,তদন্তের কথা বলেন জেলা প্রশাসক

পাবনা প্রতিনিধি :-
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

পাবনার সুজানগর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে নির্মিত ৮টি ব্রিজের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, কাগজে-কলমে কোটি, কোটি টাকার প্রকল্প হলেও মাঠ পর্যায়ে কাজের মান ও অগ্রগতি নিয়ে রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।

প্রকল্পের কাজ শেষ না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সহযোগিতায় ঠিকাদারের সিংহ ভাগ টাকা উত্তোলন করেছে বলে জানা যায় ।

২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে সুজানগর উপজেলার হাটখালী, রানীনগর, মানিকহাট ও সাগরকান্দি ইউনিয়নে ১১.৫৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ৮টি ব্রিজের কাজ পায় “রুনু কনস্ট্রাকশন”কাশীনাথপুর নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি ব্রিজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৯শত ৮ টাকা। ৮টি ব্রিজের মোট ব্যয় ৩ কোটি ২১ লক্ষ ১১ হাজার ২শত ৬৪ টাকা। কিন্তু অর্ধেক টাকাও প্রকল্পে ব্যয় করা হয়নি বলে অভিযোগ।

দুই বছর পার হলেও ব্রিজগুলোর কাজ শেষ হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগের তালিকায় রয়েছে- নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ,সঠিক মাপে ব্রিজ নির্মাণ না করা,কাজে দীর্ঘ সময় ক্ষেপণের কারণে জনদুর্ভোগের কথা বলেন।
স্থানীয়দের তথ্যভিত্তিতে গত রবিবার গণমাধ্যম কর্মীরা উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের স্বাগতায় ২টি ব্রিজের কাজ দেখতে গিয়ে ঘটনা সত্যতা পান। তারা সাংবাদিকদের কাছে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীম এহসান এর বক্তব্য জানতে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি এড়িয়ে যান। অফিসে থাকার কথা বললেও ২দিন অফিসে ঘুরে তাকে তার চেয়ারে পাওয়া যায়নি।

কিন্তু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং তার অফিসের কোন স্টাফের সহযোগিতা না পাওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন শীঘ্রই একটি তদন্ত কমিটি করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান, তিনি বলেন সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৩ কোটি টাকার ৮টি ব্রিজের কাজে অনিয়ম, ২ বছরেও শেষ হয়নি,তদন্তের কথা বলেন জেলা প্রশাসক

আপডেট সময় : ০৬:১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবনার সুজানগর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে নির্মিত ৮টি ব্রিজের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, কাগজে-কলমে কোটি, কোটি টাকার প্রকল্প হলেও মাঠ পর্যায়ে কাজের মান ও অগ্রগতি নিয়ে রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।

প্রকল্পের কাজ শেষ না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সহযোগিতায় ঠিকাদারের সিংহ ভাগ টাকা উত্তোলন করেছে বলে জানা যায় ।

২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে সুজানগর উপজেলার হাটখালী, রানীনগর, মানিকহাট ও সাগরকান্দি ইউনিয়নে ১১.৫৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ৮টি ব্রিজের কাজ পায় “রুনু কনস্ট্রাকশন”কাশীনাথপুর নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি ব্রিজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৯শত ৮ টাকা। ৮টি ব্রিজের মোট ব্যয় ৩ কোটি ২১ লক্ষ ১১ হাজার ২শত ৬৪ টাকা। কিন্তু অর্ধেক টাকাও প্রকল্পে ব্যয় করা হয়নি বলে অভিযোগ।

দুই বছর পার হলেও ব্রিজগুলোর কাজ শেষ হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগের তালিকায় রয়েছে- নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ,সঠিক মাপে ব্রিজ নির্মাণ না করা,কাজে দীর্ঘ সময় ক্ষেপণের কারণে জনদুর্ভোগের কথা বলেন।
স্থানীয়দের তথ্যভিত্তিতে গত রবিবার গণমাধ্যম কর্মীরা উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের স্বাগতায় ২টি ব্রিজের কাজ দেখতে গিয়ে ঘটনা সত্যতা পান। তারা সাংবাদিকদের কাছে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীম এহসান এর বক্তব্য জানতে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি এড়িয়ে যান। অফিসে থাকার কথা বললেও ২দিন অফিসে ঘুরে তাকে তার চেয়ারে পাওয়া যায়নি।

কিন্তু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং তার অফিসের কোন স্টাফের সহযোগিতা না পাওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন শীঘ্রই একটি তদন্ত কমিটি করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান, তিনি বলেন সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।