পাবনায় প্রকল্পের কাজ না করে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে
- আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
পাবনা বেড়া উপজেলার মাসুন্দিয়া ইউনিয়নের মাসুন্দিয়া ইউনিয়নে গত ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের টিআর,কাবিটা প্রকল্পের নগদ অর্থ ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির মেম্বারের বিরুদ্ধে ।
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচি আওতায় শ্যামপুর বেপারী পাড়া বিল্লাল বেপারী বাড়ি হইতে নজরুল মৃধার বাড়ি শ্যামপুর বেপারীপাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত মাটির রাস্তা মেরামত বরাদ্দ ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
দ্বিতীয় পর্যায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (কাবিটা) কর্মসূচি আওতায় শ্যামপুর মজিদ সরদারের বাড়ি হইতে শ্যামপুর জামে মসজিদ অভিমুখে মাটির রাস্তা নির্মাণ বরাদ্দ ২লক্ষ ৮১ হাজার ৬০০টাকা এবং শ্যামপুর মানিক মানিক ব্যাপারীর বাড়ির সামনে বক্স কালভার্ট নির্মাণ ২লক্ষ টাকার তিনটি প্রকল্প কাগজে-কলমে দেখা গেলেও বাস্তবে দ্বিতীয় পর্যায়ের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (কাবিটা) কর্মসূচির অনুমোদিত ২লক্ষ ৮১ হাজার ৬০০টাকার ১টি কাজ কিছুটা করেছে বলে দেখা যায় ।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের কবির মেম্বারে ৩টি প্রকল্পের মধ্যে ২টি প্রথম পর্যায়ের (টিআর) কর্মসূচি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় পর্যাযের (কাবিটা) প্রকল্পের বক্স কালভার্ট নির্মাণের ২ লক্ষ টাকার কাজ না করে আত্মসাৎ করেছে বলে জানা যায়।
প্রকল্পের পরিপত্র অনুযায়ী কাজ শুরুর আগে বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, কমিটির নাম ও বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে প্রকল্পের আশেপাশে কোনো সাইনবোর্ড দেখা যায় নাই।
এ ব্যাপারে কবির মেম্বার মুঠোফোনে বলেন আমি ঢাকায় চিকিৎসা নিতে এসেছি আপনাদের সাথে পরে কথা হবে, পরে বারবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নাম না বলার শর্তে কয়েকজন ইউপি সদস্য এবং স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন মাসুমদিয়া ইউনিয়নের সিংহভাগ প্রকল্পের কাজের পি,আই,সি অন্যান্য মেম্বার হলেও বাস্তবে বিএনপি সমর্থিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাম মাত্র কাজ করেছে ইউপি সদস্য কবির মেম্বার।
তবে এ বিষয়ে মাসুন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুর রহমান, নেতা শহীদের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন বিগত বছরে একাধিকবার আমাকে দীর্ঘদিন জেলে থাকতে হয়েছে, আমি কিছু জানি না।
তবে বেড়া উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তহিদ-উজ-জামান বলেন কাজ না করলে আইনগতভাবে টাকা ফেরত আনা হবে।
এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনাল্ট চাকমা মুঠোফোনে বলেন এর আগে আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। আমি আপনাদের কাছ থেকে প্রথম শুনলাম, যদি এধরনের অভিযোগ সঠিক হয়, অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।



















