রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে
- আপডেট সময় : ১০:০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে রুয়েটের ষষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা ও সম্মতি পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে রুয়েটের ষষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সাক্ষাৎকালে রুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামগ্রিক একাডেমিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন আয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সমাবর্তন আয়োজনের প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গেলেও অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত তারিখ রাষ্ট্রপতির সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। সমাবর্তনের বিস্তারিত কর্মসূচি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
সৌজন্য সাক্ষাতে রুয়েটের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসাইন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো: রবিউল ইসলাম সরকার, অধ্যাপক এইচ এম রাসেল, অনুষদের ডিনবন্দ এবং সাবেক রুয়েট শিক্ষার্থী ও নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। দেশের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এসব প্রতিষ্ঠানের অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়াও রুয়েটের শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
















