ঈশ্বরদীতে ইজারাকৃত হাটে খাজনা আদায়ে বাধা-চাঁদা দাবির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১২:৩৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫ ৩২৯ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে ইজারাকৃত হাটে খাজনা আদায়ে বাধা প্রদান, ইজারাদারকে ভয়ভীতি ও মারধোরের চেষ্টা এবং চাঁদা দাবির অভিযোগে বিভাগীয় কমিশনার, পাবনা জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছে ভুক্তভোগী ইজারাদার।
গত ৩রা মে ২০২৫ইং উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জয়নগর বিশ্বরোড বিডিসি মোড় হাট নিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে পঠানো অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, বাংলা ১৪৩২ সালের জন্য ডাকা হাটবাজারের দরপত্র অনুযায়ী ১ বছরের জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে মোট ৬,৫২,০০০/-(ছয়লক্ষ বায়ান্ন হাজার) টাকা ইজারা পরিশোধের মাধ্যমে উক্ত হাটটির মালিকানা পায় মো: মাহফুজুর রহমান। এরপর নিয়মানুসারে উক্ত হাটের মধ্যে একটি কার্যালয় ভাড়া নিয়ে লোকজনসহ সে হাটের খাজনা আদায় করতে গেলে তাকে ও তার লোকজনকে লাঠি সোঠা এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইজারা সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন স্থানীয় সন্ত্রাসীরা।
অভিযুক্তরা হলেন, জয়নগর এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ এর ছেলে মো: শরিফুল ইসলাম শরিফ (৩৮), ইউনূস আলী মিস্ত্রির ছেলে নূর মোহাম্মদ রতন (৪০), মৃত নূর মোহাম্মদ এর ছেলে নাফিজ আহম্মেদ আরিফ (৪২), ইউনূস আলী মিস্ত্রির ছেলে ইসরাইল হোসেন (৩৫), শাজাহান আলী রঞ্জুর ছেলে লিমন হোসেন (২৫), মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম রবি (৪০), ও এনামুল হক মাস্টার (৫০), মৃত আবুল কাশেমের ছেলে খাইরুল বাশার মিঠু (৪০), ইউনূস আলী মৃধার ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৮), চাঁদ আলীর ছেলে রুবেল হোসেন (৩৫), মৃত আব্দুর রশিদ এর ছেলে আব্দুল মোমিন (৪৫), আবু তাহের মিস্ত্রীর ছেলে জনি হোসেন (৩৫),মৃত মধু প্রাং এর ছেলে শাজাহান আলী (৩৫), মৃত আব্দুস সাত্তারেএর ছেলে রেন্টু সরকার (৫২),মোশারফ আলী মশার ছেলে সোহেল (৩৫) সহ অজ্ঞাত আরও ৫/৭ জন ।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন যে, ইজারা প্রদানের পাশাপাশি সরকারী ভ্যাট ৯৭,৮০০/- (সাতানব্বই হাজার আটশত) টাকা এবং আয়কর বাবদ ৬৫,২০০/- (পঁয়ষট্টি হাজার দুইশত) টাকা প্রদান করে সরকারী বিধি মোতাবেক এই হাটের ইজারা পেয়েছি। তবুও তারা চাঁদা দাবি করেই চলেছে। তবে যেহেতেু অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে সেহেতু প্রশাসনসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে একটি অ্যাকশান নিবেন বলে মনে করছেন ইজারাদার।
অপর দিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, আমি প্রশাসনের মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে পেরেছি।
ঘটনার উল্লেখিত সময় অর্থাৎ গত (২৪ মে) শনিবার আমি বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের যৌথ সমাবেশ উপলক্ষে বগুড়াতে ছিলাম। লাঠি সোটা যোগে হামলা বা হুমকির মতো কোন ঘটনাই ঘটেনি । এটা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।আমি মনে করি জামায়াত ইসলামের অঙ্গ সংগঠন ঈশ্বরদী উপজেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মাহফুজ তার দলীয় নীতি অনুসারে একাধারে মিথ্যাচার করে চলেছেন। আপনারা জানেন আটঘরিয়াতে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে পুঁজি করে জামায়াত ইসলাম যে ন্যাক্কারজনক নোংরা রাজনীতি করেছে, এটা তারই ধারাবাহিকতা।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোটের মাঠে প্রভাব বিস্তার করতে এরকম মিথ্যাচার করছে। আমি তাদের সঠিক ও প্রগতিশীল রাজনীতির আহবান জানাই। আমার বিরুদ্ধে ন্যুনতম চাঁদাবাজির কোন অভিযোগ দিতে পারলে আমি রাজনীতিই ছেড়ে দিবো। আপনাদের সঠিক তথ্য সংগ্রহের অনুরোধ করছি।
হাটের অভিযোগের বিষয়ে খাইরুল বাশার মিঠু বলেন, এ অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। আপনারা হাটে এসে আমাদের বিষয়ে তদন্ত করে দেখতে পারেন, এ অভিযোগের সত্যতা কতোটুকু ।










