ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছে বেড়ার লেপ তোষকের কারিগররা

মহসীন মল্লিক, বেড়া
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪ ৪২৭ বার পড়া হয়েছে

পাবনার বেড়া উপজেলাতে শীতের হাত থেকে বাঁচতে অনেকে আগেভাগেই লেপ-তোশক-কম্বলের দোকানে ভিড় করছে। তৈরি কাপড়ের দোকানগুলোতে নতুন কম্বল তুলতে শুরু করেছে। আর লেপের দোকানে নতুন লেপ বানানোর চাহিদা বাড়ছে। মাঝে মাঝে সময়-অসময়ের বৃষ্টি আর প্রকৃতির বিরূপ আচরণে লেপ-তোশকের দোকানগুলোতে কারিগরদের ভীষণ ব্যস্ততা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রতিদিন দশ-বারোটা লেপ তৈরি করতে হচ্ছে। তাই কারিগরদের দম ফেলার সময় নেই। কারিগর রহিম বলেন, ভাই, এখন সারাদিন লেপ বানাতে হয়। কয়দিন আগেও এত ব্যস্ত ছিলাম না। এদিকে লেপ তৈরির পাশাপাশি অনেকেই কম্বলের দোকানগুলোতেও ছুটছেন।

এছাড়া, ভ্রাম্যমাণ লেপ-তোশক ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিও বেড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অনেকেই পুরনো লেপ-তোশক মেরামত করছেন। হেমন্তের এই মৌসুমে ভোর ও সন্ধ্যায় শীত অনুভূত হচ্ছে। বিছানায় টেনে নিতে হচ্ছে কাঁথা বা কম্বল। বাজারে তুলার দামও উল্লেখযোগ্য বেড়ে গেছে। শিমুল তুলা প্রতিকেজি ৪০০ টাকা, কার্পাস তুলা ৮০ টাকা, কালো হুল ২০ থেকে ৪০ টাকা এবং সাদা তুলা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেড়া পৌরসভা লেপ তোষকের দোকানদার মালিক সুজন আলী জানান, গতবারের তুলনায় এবারের জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। প্রতি কেজি লেপের তুলা ৮-১০ টাকা এবং কাপড়ের দাম প্রায় গজপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে। ঢাকা, বগুড়া ও সৈয়দপুর থেকে মাল আনা হচ্ছে। আরও বলেন, শীতের শুরুতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। গতবারের চেয়ে এবারে ক্রেতা তুলনামূলক বেশি। আকার অনুযায়ী লেপ-তোশক তৈরিতে দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। একটি লেপ তৈরি করতে মজুরি ২০০ টাকা।

এছাড়া তোশক ২৫০ টাকা, বালিশ প্রতিটি ১০০ টাকা এবং জাজিম তৈরিতে ১০০ টাকা হারে মজুরি নেওয়া হচ্ছে। এই মজুরির হার অন্য সময়ের চাইতে কিছুটা বেশি। বেড়া উপজেলা সানিলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হক জানান, বাজারে প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবার লেপ- তোশক তৈরির খরচও বেড়েছে। তাই পুরোনো লেপ খুলে নতুন করে তৈরি করার জন্য দোকানে নিয়ে এসেছি। তুলার খরচ বাদ দিয়ে কাপড় ও মজুরি বাবদ ১১০০ টাকায় বানাতে দিতে হচ্ছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছে বেড়ার লেপ তোষকের কারিগররা

আপডেট সময় : ০১:৫০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

পাবনার বেড়া উপজেলাতে শীতের হাত থেকে বাঁচতে অনেকে আগেভাগেই লেপ-তোশক-কম্বলের দোকানে ভিড় করছে। তৈরি কাপড়ের দোকানগুলোতে নতুন কম্বল তুলতে শুরু করেছে। আর লেপের দোকানে নতুন লেপ বানানোর চাহিদা বাড়ছে। মাঝে মাঝে সময়-অসময়ের বৃষ্টি আর প্রকৃতির বিরূপ আচরণে লেপ-তোশকের দোকানগুলোতে কারিগরদের ভীষণ ব্যস্ততা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রতিদিন দশ-বারোটা লেপ তৈরি করতে হচ্ছে। তাই কারিগরদের দম ফেলার সময় নেই। কারিগর রহিম বলেন, ভাই, এখন সারাদিন লেপ বানাতে হয়। কয়দিন আগেও এত ব্যস্ত ছিলাম না। এদিকে লেপ তৈরির পাশাপাশি অনেকেই কম্বলের দোকানগুলোতেও ছুটছেন।

এছাড়া, ভ্রাম্যমাণ লেপ-তোশক ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিও বেড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অনেকেই পুরনো লেপ-তোশক মেরামত করছেন। হেমন্তের এই মৌসুমে ভোর ও সন্ধ্যায় শীত অনুভূত হচ্ছে। বিছানায় টেনে নিতে হচ্ছে কাঁথা বা কম্বল। বাজারে তুলার দামও উল্লেখযোগ্য বেড়ে গেছে। শিমুল তুলা প্রতিকেজি ৪০০ টাকা, কার্পাস তুলা ৮০ টাকা, কালো হুল ২০ থেকে ৪০ টাকা এবং সাদা তুলা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেড়া পৌরসভা লেপ তোষকের দোকানদার মালিক সুজন আলী জানান, গতবারের তুলনায় এবারের জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। প্রতি কেজি লেপের তুলা ৮-১০ টাকা এবং কাপড়ের দাম প্রায় গজপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে। ঢাকা, বগুড়া ও সৈয়দপুর থেকে মাল আনা হচ্ছে। আরও বলেন, শীতের শুরুতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। গতবারের চেয়ে এবারে ক্রেতা তুলনামূলক বেশি। আকার অনুযায়ী লেপ-তোশক তৈরিতে দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। একটি লেপ তৈরি করতে মজুরি ২০০ টাকা।

এছাড়া তোশক ২৫০ টাকা, বালিশ প্রতিটি ১০০ টাকা এবং জাজিম তৈরিতে ১০০ টাকা হারে মজুরি নেওয়া হচ্ছে। এই মজুরির হার অন্য সময়ের চাইতে কিছুটা বেশি। বেড়া উপজেলা সানিলা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হক জানান, বাজারে প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবার লেপ- তোশক তৈরির খরচও বেড়েছে। তাই পুরোনো লেপ খুলে নতুন করে তৈরি করার জন্য দোকানে নিয়ে এসেছি। তুলার খরচ বাদ দিয়ে কাপড় ও মজুরি বাবদ ১১০০ টাকায় বানাতে দিতে হচ্ছে