ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী অনিয়ম রোধে মামলা

মালিকুজ্জামান কাকা
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

যশোর সদর উপজেলার ১০ নং চাঁচড়া ইউনিয়নের রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে সদর সহকারী জজ আদালতে মামলা হয়েছে। সীমাহীন দুর্নীতি এবং রাতের আঁধারে পরিচালনা কমিটি গঠনের অভিযোগ এনে মামলাটি করেছেন রহমত আলী মোড়লের ছেলে বাবলু মোড়ল। মামলা নম্বর ৪৬৭/২০২৫। মামলার আসামি মাদ্রাসা সুপার আব্দুস সালাম। বিজ্ঞ বিচারক আসামিদের শোকজ করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, ১) মোঃ আব্দুস সালাম, সুপার, রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, যশোর সদর যশোর, কোড-১৪৪০৭, মাদ্রাসা ইন নং- ১১৬০৮৯। ২) মোঃ জাকির হোসেন, পিতা- নুর উদ্দীন মোড়ল, সভাপতি এডহক কমিটি রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, রূপদিয়া, সদর যশোর। ৩) আলাউদ্দিন, পিতা- আফসার মোড়ল, অভিভাবক সদস্য, রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, রূপদিয়া, সদর যশোর। 8) অজ্ঞাত, পিতা- অজ্ঞাত, রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা,রূপদিয়া, সদর যশোর। ৫) এস এম সাইফুল আলম, প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, যশোর সদর, যশোর। ৬) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর, যশোর। ৭) জেলা প্রশাসক, যশোর। ৮)চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা।

একটি পক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে সার্বিক নির্বাচন প্রক্রিয়া গোপনে চূড়ান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত এই মাদ্রাসা সুপার। এ বিষয়ে সু নিদৃষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

বাদি বাবলু মোড়লসহ রূপদিয়া গ্রামবাসী বলেন, তড়িঘড়ি করে মাদ্রাসা সুপার অতি ক্ষুদ্র চোখে না পড়া প্রক্রিয়ায় পত্রিকা বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। মাত্র তিনদিনের মধ্যে ভোটের তফশীল ঘোষণা করা হয়। কার্যত অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার রূপদিয়ার নূর উদ্দীন মোড়লের ছেলে জাকির হোসেনকে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি করতে অপচেষ্টা করছেন। অথচ নানা দোষে অভিযুক্ত এই ব্যাক্তিটি।

মাদ্রাসার নির্বাচন কিন্ত কোন মাইকিং নেই। নোটিস বোর্ডে নোটিস টাঙানো হয়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাছাড়া ২ অক্টবর গ্রামের কাগজে তৃতীয় পাতায় ছোট্ট করে একটি বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। ৭, ৮, ৯ অক্টবর মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমা করার সময়। যা কারো চোখে পড়েনি। মনোনয়ন পত্র কিনতে গেলে মাদ্রাসা সুপার বলেন মনোনয়ন পত্র বিক্রি হয়ে গেছে। এরপর গোপন ভোট প্রক্রিয়ায় ১৫ অক্টবর একটি কমিটি গঠন দেখানো হচ্ছে।

গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার দেড় বিঘা জমির আয় ৩০ বছর ধরে একাই হজম করছেন মাদ্রাসা সুপার আব্দুস সালাম। কোন দৃশ্যত উন্নয়ন নেই এ কারণে। অথচ সেই ৩০ বছর ধরে নানা উন্নয়ন ফিরিস্তি বর্ণনা করে সুধী জন গ্রামবাসীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করছেন মাদ্রাসা সুপার।
অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৪২ হাজার টাকা নিয়েও তাকে দাতা সদস্য করা হয়নি। এছাড়া দাতা সদস্য মৃত ইসমাইল মোড়ল, ফাতেমা ও নূর আলী ব্যাপারীর পরিবারের কাউকে ভোটার করা হয়নি।

নির্বাচন দিতে হলে সাধারণ সভা করতে হবে আদতে সভা হয়নি। আর নেই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। কিভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে কারো বোধগম্য নয়। ভোটার আর গ্রামবাসীকে অন্ধকারে রেখে অপকর্ম করছে রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার আব্দুস সালাম। তার সাথে আছে গোপনে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে ইচ্ছুক জাকির হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী অনিয়ম রোধে মামলা

আপডেট সময় : ১২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

যশোর সদর উপজেলার ১০ নং চাঁচড়া ইউনিয়নের রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে সদর সহকারী জজ আদালতে মামলা হয়েছে। সীমাহীন দুর্নীতি এবং রাতের আঁধারে পরিচালনা কমিটি গঠনের অভিযোগ এনে মামলাটি করেছেন রহমত আলী মোড়লের ছেলে বাবলু মোড়ল। মামলা নম্বর ৪৬৭/২০২৫। মামলার আসামি মাদ্রাসা সুপার আব্দুস সালাম। বিজ্ঞ বিচারক আসামিদের শোকজ করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, ১) মোঃ আব্দুস সালাম, সুপার, রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, যশোর সদর যশোর, কোড-১৪৪০৭, মাদ্রাসা ইন নং- ১১৬০৮৯। ২) মোঃ জাকির হোসেন, পিতা- নুর উদ্দীন মোড়ল, সভাপতি এডহক কমিটি রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, রূপদিয়া, সদর যশোর। ৩) আলাউদ্দিন, পিতা- আফসার মোড়ল, অভিভাবক সদস্য, রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, রূপদিয়া, সদর যশোর। 8) অজ্ঞাত, পিতা- অজ্ঞাত, রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা,রূপদিয়া, সদর যশোর। ৫) এস এম সাইফুল আলম, প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, যশোর সদর, যশোর। ৬) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর, যশোর। ৭) জেলা প্রশাসক, যশোর। ৮)চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা।

একটি পক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে সার্বিক নির্বাচন প্রক্রিয়া গোপনে চূড়ান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত এই মাদ্রাসা সুপার। এ বিষয়ে সু নিদৃষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

বাদি বাবলু মোড়লসহ রূপদিয়া গ্রামবাসী বলেন, তড়িঘড়ি করে মাদ্রাসা সুপার অতি ক্ষুদ্র চোখে না পড়া প্রক্রিয়ায় পত্রিকা বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। মাত্র তিনদিনের মধ্যে ভোটের তফশীল ঘোষণা করা হয়। কার্যত অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার রূপদিয়ার নূর উদ্দীন মোড়লের ছেলে জাকির হোসেনকে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি করতে অপচেষ্টা করছেন। অথচ নানা দোষে অভিযুক্ত এই ব্যাক্তিটি।

মাদ্রাসার নির্বাচন কিন্ত কোন মাইকিং নেই। নোটিস বোর্ডে নোটিস টাঙানো হয়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাছাড়া ২ অক্টবর গ্রামের কাগজে তৃতীয় পাতায় ছোট্ট করে একটি বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। ৭, ৮, ৯ অক্টবর মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমা করার সময়। যা কারো চোখে পড়েনি। মনোনয়ন পত্র কিনতে গেলে মাদ্রাসা সুপার বলেন মনোনয়ন পত্র বিক্রি হয়ে গেছে। এরপর গোপন ভোট প্রক্রিয়ায় ১৫ অক্টবর একটি কমিটি গঠন দেখানো হচ্ছে।

গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার দেড় বিঘা জমির আয় ৩০ বছর ধরে একাই হজম করছেন মাদ্রাসা সুপার আব্দুস সালাম। কোন দৃশ্যত উন্নয়ন নেই এ কারণে। অথচ সেই ৩০ বছর ধরে নানা উন্নয়ন ফিরিস্তি বর্ণনা করে সুধী জন গ্রামবাসীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করছেন মাদ্রাসা সুপার।
অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৪২ হাজার টাকা নিয়েও তাকে দাতা সদস্য করা হয়নি। এছাড়া দাতা সদস্য মৃত ইসমাইল মোড়ল, ফাতেমা ও নূর আলী ব্যাপারীর পরিবারের কাউকে ভোটার করা হয়নি।

নির্বাচন দিতে হলে সাধারণ সভা করতে হবে আদতে সভা হয়নি। আর নেই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। কিভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে কারো বোধগম্য নয়। ভোটার আর গ্রামবাসীকে অন্ধকারে রেখে অপকর্ম করছে রূপদিয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার আব্দুস সালাম। তার সাথে আছে গোপনে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে ইচ্ছুক জাকির হোসেন।