ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান

কাজী দিদারুল আলম ভাউকসার, বরুড়া -কুমিল্লা
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

কিছু মানুষ পদ-পদবির কারণে পরিচিত হন, আর কিছু মানুষ তাঁদের কর্ম, চিন্তা, সাহস ও আদর্শের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। সায়েক এম রহমান তেমনই একজন—একজন নির্ভীক লেখক, কলামিস্ট, চিন্তাশীল ব্যক্তিত্ব এবং নীরব দেশপ্রেমিক।

সুনামগঞ্জের এই কৃতী সন্তান দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে তাঁর শক্তিশালী কলম চালিয়ে আসছেন। এমন এক কঠিন সময়ে তিনি সত্য লিখেছেন, যখন অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস সবার ছিল না।

বিগত সরকারের কঠিন সময়ে অন্যায়-অবিচার, নির্যাতন, গুম-খুন এবং মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ছিল সোচ্চার। দেশ থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকলেও বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান কখনো বদলায়নি। প্রবাসের মাটিতে থেকেও তাঁর চিন্তা ও লেখনী আবর্তিত হয়েছে প্রিয় বাংলাদেশকে ঘিরে।

‘শীর্ষ খবর’-এর উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল পরিবেশেও মানুষের কথা, গণতন্ত্রের কথা এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের কথা তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর সাহসী ভূমিকা স্মরণযোগ্য। বিশেষ করে বিএনপির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বক্তব্য ও রাজনৈতিক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর লেখনী ও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

সায়েক এম রহমান ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের। তাঁকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি—তিনি কখনো নিজের প্রচারের জন্য কাজ করেননি; কাজ করেছেন বিশ্বাস, আদর্শ ও একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্নকে সামনে রেখে।

তিনি পদ-পদবির পেছনে ছোটেননি, নিজের অবদানের প্রচারেও আগ্রহী হননি। অথচ কঠিন সময়ে তাঁর কলম আমাদের মতো অসংখ্য মানুষকে সাহস দিয়েছে, সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করেছে এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে।

তাঁর ‘অবরুদ্ধ বাংলাদেশ’ ও **‘একটি ভোরের প্রত্যাশা’**সহ বিভিন্ন লেখনী শুধু বই বা লেখা নয়; এগুলো একটি সময়ের দলিল, একটি প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা এবং একটি মুক্ত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি।

সায়েক এম রহমানের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর কলম। সেই কলম অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি, সত্যকে আড়াল করেনি এবং মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে নীরব থাকেনি।

ইতিহাস শুধু ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা মানুষদের মনে রাখে না; ইতিহাস তাঁদেরও মনে রাখে, যারা কঠিন সময়ে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লিখেছেন এবং কলমকে মানুষের অধিকারের শক্তিশালী হাতিয়ার বানিয়েছেন।

সায়েক এম রহমান সেই নীরব যোদ্ধাদেরই একজন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার জন্য নয়, বরং একটি সুন্দর বাংলাদেশের প্রত্যাশায় তিনি বছরের পর বছর নীরবে লিখেছেন, লড়েছেন এবং মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন।

আজ সময় এসেছে তাঁর মতো জ্ঞানী, চিন্তাশীল, অভিজ্ঞ ও দেশপ্রেমিক মানুষের মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতাকে বৃহত্তর জনকল্যাণে কাজে লাগানোর।

সত্যের পক্ষে তাঁর কলম আরও শক্তিশালী হোক, মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে তাঁর কণ্ঠ আরও উচ্চারিত হোক। আর তাঁর সেই ‘একটি ভোরের প্রত্যাশা’ একদিন সত্যিকারের নতুন ভোর হয়ে বাংলাদেশের আকাশে উদিত হোক—এই প্রত্যাশাই রইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিছু মানুষ পদ-পদবির কারণে পরিচিত হন, আর কিছু মানুষ তাঁদের কর্ম, চিন্তা, সাহস ও আদর্শের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। সায়েক এম রহমান তেমনই একজন—একজন নির্ভীক লেখক, কলামিস্ট, চিন্তাশীল ব্যক্তিত্ব এবং নীরব দেশপ্রেমিক।

সুনামগঞ্জের এই কৃতী সন্তান দীর্ঘদিন ধরে মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে তাঁর শক্তিশালী কলম চালিয়ে আসছেন। এমন এক কঠিন সময়ে তিনি সত্য লিখেছেন, যখন অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস সবার ছিল না।

বিগত সরকারের কঠিন সময়ে অন্যায়-অবিচার, নির্যাতন, গুম-খুন এবং মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ছিল সোচ্চার। দেশ থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকলেও বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান কখনো বদলায়নি। প্রবাসের মাটিতে থেকেও তাঁর চিন্তা ও লেখনী আবর্তিত হয়েছে প্রিয় বাংলাদেশকে ঘিরে।

‘শীর্ষ খবর’-এর উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল পরিবেশেও মানুষের কথা, গণতন্ত্রের কথা এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের কথা তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর সাহসী ভূমিকা স্মরণযোগ্য। বিশেষ করে বিএনপির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বক্তব্য ও রাজনৈতিক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর লেখনী ও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

সায়েক এম রহমান ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের। তাঁকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি—তিনি কখনো নিজের প্রচারের জন্য কাজ করেননি; কাজ করেছেন বিশ্বাস, আদর্শ ও একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্নকে সামনে রেখে।

তিনি পদ-পদবির পেছনে ছোটেননি, নিজের অবদানের প্রচারেও আগ্রহী হননি। অথচ কঠিন সময়ে তাঁর কলম আমাদের মতো অসংখ্য মানুষকে সাহস দিয়েছে, সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করেছে এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে।

তাঁর ‘অবরুদ্ধ বাংলাদেশ’ ও **‘একটি ভোরের প্রত্যাশা’**সহ বিভিন্ন লেখনী শুধু বই বা লেখা নয়; এগুলো একটি সময়ের দলিল, একটি প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা এবং একটি মুক্ত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি।

সায়েক এম রহমানের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর কলম। সেই কলম অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি, সত্যকে আড়াল করেনি এবং মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে নীরব থাকেনি।

ইতিহাস শুধু ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা মানুষদের মনে রাখে না; ইতিহাস তাঁদেরও মনে রাখে, যারা কঠিন সময়ে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লিখেছেন এবং কলমকে মানুষের অধিকারের শক্তিশালী হাতিয়ার বানিয়েছেন।

সায়েক এম রহমান সেই নীরব যোদ্ধাদেরই একজন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার জন্য নয়, বরং একটি সুন্দর বাংলাদেশের প্রত্যাশায় তিনি বছরের পর বছর নীরবে লিখেছেন, লড়েছেন এবং মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন।

আজ সময় এসেছে তাঁর মতো জ্ঞানী, চিন্তাশীল, অভিজ্ঞ ও দেশপ্রেমিক মানুষের মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতাকে বৃহত্তর জনকল্যাণে কাজে লাগানোর।

সত্যের পক্ষে তাঁর কলম আরও শক্তিশালী হোক, মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে তাঁর কণ্ঠ আরও উচ্চারিত হোক। আর তাঁর সেই ‘একটি ভোরের প্রত্যাশা’ একদিন সত্যিকারের নতুন ভোর হয়ে বাংলাদেশের আকাশে উদিত হোক—এই প্রত্যাশাই রইল।