ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ঈশ্বরদীতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করায় ভূক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

ঈশ্বরদী-পাবনা প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪ ৪০০ বার পড়া হয়েছে

ঈশ্বরদী পৌর এলাকার শৈলপাড়া রেলওয়ে অবসরপ্রাপ্ত করিম ড্রাইভারের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে চান ফিরোজা ও তার স্বামী সন্তান ও ভাতিজা সিহাবসহ তার পরিবার। সোমবার (১৯আগষ্ট) বিকেলে ফিরোজা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা গরীব মানুষ, সাধারণভাবে জীবন যাপন করতে ও অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন করে নিরপেক্ষ বিচার দাবী করছি। তিনি আরো বলেন, আমি ২০০৬ সালে আমার ছোট ভাই বজলুর রহমান এর কাছ থেকে (আড়াই কাঠা) জমি ক্রয় করি এবং এখানে বাড়ী নির্মাণ করি ২০০৯ সালে। আমার বাবার সম্পত্তি ছিল মূল রাস্তার সাথে,আমাকে ফুসলিয়ে বাড়ি করান আমার জায়গা থেকে পিছনের দিকে। ২০১২ সালের দিকে আমার ভাই জমির সামনে বাড়ী করিয়া আমার ভাতিজা শিহাবকে না দিয়ে সম্পূর্ণ বাড়ী দুই মেয়ের নামে লিখে দেয় ও অন্যায়ভাবে আমাকে এবং আমার স্বামীকে পুলিশে ধরিয়ে দেন। আমার ভাতিজা শিহাবকে করিম ড্রাইভার ও তার ভাই ভাইসতি পিটিয়ে আহত করেন। আবার আমাদের বিরুদ্ধে দুইটা মিথ্যা মামলা করেছেন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আমার বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের নেতাকর্মীদের দিয়ে রাস্তা ইটের পাঁচিল তুলে দিয়ে বন্ধ করে দেন। এই পাঁচিল আমরা ভেঙে দিয়ে চলাচল করছি। এর কারণে ঈশ্বরদী থানায় আমার ভাতিজা আসাদুজ্জামান শিহাবসহ চার পাঁচ জনকে আসামি করে অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা যায়। এরই মধ্যে আমার ভাতিজা আসাদুজ্জামান শিহাবকে নিয়ে গত ১৯ আগস্ট গবযবফর ঐধংধহ নামক ফেসবুক আইডি থেকে ‘‘আমাদের প্রিয় ঈশ্বরদী’’ গ্রুপে আমার ভাতিজাকে মাদককারবারী, মাদকাশক্ত, লুটপাটকারী বলে পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে বোঝায় যায় উক্ত পোস্টদাতা আব্দুল করিম ড্রাইভার। আপনারা জানেন আমার ভাতিজা শিহাব মাদক তো দুরের কথা একটি সিগারেট পর্যন্ত খায়না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। উল্লেখ্য যে, আমার ভাই আব্দুল করিম ড্রাইভার ২০০৭ সালে চট্রগ্রামে অসুস্থ হলে আমি এবং আমার ভাতিজা শিহাব প্রায় ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ঢাকা থেকে রিং পরিয়ে নিয়ে আসি। আসলে ঐ দিন লুটপাটের কোন ঘটনায় ঘটেনি। আমি প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈশ্বরদীতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করায় ভূক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:৩০:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪

ঈশ্বরদী পৌর এলাকার শৈলপাড়া রেলওয়ে অবসরপ্রাপ্ত করিম ড্রাইভারের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে চান ফিরোজা ও তার স্বামী সন্তান ও ভাতিজা সিহাবসহ তার পরিবার। সোমবার (১৯আগষ্ট) বিকেলে ফিরোজা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা গরীব মানুষ, সাধারণভাবে জীবন যাপন করতে ও অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন করে নিরপেক্ষ বিচার দাবী করছি। তিনি আরো বলেন, আমি ২০০৬ সালে আমার ছোট ভাই বজলুর রহমান এর কাছ থেকে (আড়াই কাঠা) জমি ক্রয় করি এবং এখানে বাড়ী নির্মাণ করি ২০০৯ সালে। আমার বাবার সম্পত্তি ছিল মূল রাস্তার সাথে,আমাকে ফুসলিয়ে বাড়ি করান আমার জায়গা থেকে পিছনের দিকে। ২০১২ সালের দিকে আমার ভাই জমির সামনে বাড়ী করিয়া আমার ভাতিজা শিহাবকে না দিয়ে সম্পূর্ণ বাড়ী দুই মেয়ের নামে লিখে দেয় ও অন্যায়ভাবে আমাকে এবং আমার স্বামীকে পুলিশে ধরিয়ে দেন। আমার ভাতিজা শিহাবকে করিম ড্রাইভার ও তার ভাই ভাইসতি পিটিয়ে আহত করেন। আবার আমাদের বিরুদ্ধে দুইটা মিথ্যা মামলা করেছেন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আমার বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের নেতাকর্মীদের দিয়ে রাস্তা ইটের পাঁচিল তুলে দিয়ে বন্ধ করে দেন। এই পাঁচিল আমরা ভেঙে দিয়ে চলাচল করছি। এর কারণে ঈশ্বরদী থানায় আমার ভাতিজা আসাদুজ্জামান শিহাবসহ চার পাঁচ জনকে আসামি করে অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা যায়। এরই মধ্যে আমার ভাতিজা আসাদুজ্জামান শিহাবকে নিয়ে গত ১৯ আগস্ট গবযবফর ঐধংধহ নামক ফেসবুক আইডি থেকে ‘‘আমাদের প্রিয় ঈশ্বরদী’’ গ্রুপে আমার ভাতিজাকে মাদককারবারী, মাদকাশক্ত, লুটপাটকারী বলে পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে বোঝায় যায় উক্ত পোস্টদাতা আব্দুল করিম ড্রাইভার। আপনারা জানেন আমার ভাতিজা শিহাব মাদক তো দুরের কথা একটি সিগারেট পর্যন্ত খায়না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। উল্লেখ্য যে, আমার ভাই আব্দুল করিম ড্রাইভার ২০০৭ সালে চট্রগ্রামে অসুস্থ হলে আমি এবং আমার ভাতিজা শিহাব প্রায় ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ঢাকা থেকে রিং পরিয়ে নিয়ে আসি। আসলে ঐ দিন লুটপাটের কোন ঘটনায় ঘটেনি। আমি প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।