দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ঈশ্বরদীতে ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ০৩:৪৮:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ২২২ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানপুর (পূর্বপাড়া) এলাকায় পবিত্র কুরআনের নূর ও সহীহ দ্বীনি শিক্ষার প্রসারের মহান লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা’র শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় এক আধ্যাত্মিক পরিবেশে আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব আবুল হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঈশ্বরদী পূর্বটেংরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিম হোসেন।
আলেম-ওলামাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা শাহিনুর রহমান, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা মো: আব্দুল খালেক,মাওলানা আরিফুল ইসলাম, মাওলানা মনিরুল ইসলাম, হাফেজ আজিজুল ইসলাম।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বক্তব্য দেন আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন, আলহাজ্ব আব্দুর রকিব, আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ, ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আমজাদ হোসেন মন্ডল, দাশুড়িয়া ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, ডাঃ মহসিন আলী, মুনসুর আলী, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, চঞ্চল আমিনসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে আলেম-ওলামায়ে কেরামগণ কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জীবন গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে এবং তাদেরকে প্রকৃত ইসলামী আদর্শে গড়ে তুলতে নূরানী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের মাদরাসা সমাজে দ্বীনি চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আব্দুল কাদের, সুলতান খান, নজরুল ইসলাম ফকির, শামসুল আলম, মাসুদ রানা, নবির উদ্দিন,মোস্তাক আহমেদ, আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, আলমগীর হোসেন চাদ, মাসুদ রানা, রাকিবুল, রকিসহ সুলতানপুর, বয়রা, বাড়হুসিয়া, খালিশপুর, হাতিগাড়া, পাড়াশিধাইসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-ওলামা, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মাওলানা মোঃ আবু আইয়ুব আনসারী বলেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও দ্বীনের খেদমতের নিয়তে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আমরা চাই, এই মাদরাসার মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের অন্তরে কুরআনের নূর প্রজ্বলিত হোক এবং তারা আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে নুরানী বিভাগের পাশাপাশি নাজেরা, জেনারেল এবং হিফজ বিভাগ চালু করা হবে।”
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সেকেন্দার আলী।










