ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল ঈশ্বরদীতে সারের ডিলার বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন,তদন্তের দাবী ঈশ্বরদীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু কাঁঠালিয়ায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস দুর্গাপূজায় যশোর জেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের দামুড়হুদায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে পুকুর খনন রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজুকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর

পাকিস্তানে অবৈধ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনের রমরমা ব্যবসা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩ ২৫১ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস : অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনের অবৈধ ব্যবসার আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে পাকিস্তান। একশ্রেণির দুষ্কৃতিকারী এজেন্ট, চিকিৎসক, দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা এবং লোভী ও অমনোযোগী রাজনীতিবিদদের একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এর সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করা হয়। খবর ডনের। লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, গুজরানওয়ালা ও করাচির মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো এই জঘন্য অপারেশনের প্রধান কেন্দ্র হয়েছে উঠেছে, যা অংশগ্রহণকারী হাসপাতাল, চিকিৎসক, পুলিশ ও রাজনীতিবিদদের কোটি কোটি টাকা আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন দেশ থেকে শত শত রোগী কিডনির মতো অঙ্গের সন্ধানে এখানে ছুটে আসছেন। এই চক্র এতটাই বেপরোয়া যে, পুলিশের নাকের ডগায় তারা এমন জঘন্য কাজ করলেও তাদের কার্যকলাপের কথা বাইরের লোকজন খুব কমই জানতে পারে।

তবে এ বছরের জানুয়ারিতে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য একটি ভূগর্ভস্থ পরীক্ষাগারে জিম্মি হিসেবে অর্ধ-ডজন পুরুষ ও এক কিশোর ছেলেকে গ্রেপ্তারের ঘটনাটি এর ব্যতিক্রম ছিল। সৌদি এক নাগরিক এর ক্রেতা ছিলেন। পুলিশ একটি নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে রাওয়ালপিন্ডির গ্যারিসন শহরে এই চক্রের সন্ধান পায়। ছেলেটির কিডনির জন্য বলা হচ্ছিল ৪ হাজার ডলার। তবে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত চিকিৎসক ও সার্জনদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রায় অবিচ্ছিন্নভাবে কিডনির অবৈধ প্রতিস্থাপন পাঞ্জাবে, বিশেষ করে রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর ও ইসলামাবাদে সংঘটিত হয়ে থাকে বলে জানা যায়। আর এর ফলে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে অঙ্গ সংগ্রহের জন্য শিশুদের অপহরণের ঘটনা বাড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তানে অবৈধ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনের রমরমা ব্যবসা

আপডেট সময় : ০২:৩৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩

এফএনএস : অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনের অবৈধ ব্যবসার আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে পাকিস্তান। একশ্রেণির দুষ্কৃতিকারী এজেন্ট, চিকিৎসক, দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তা এবং লোভী ও অমনোযোগী রাজনীতিবিদদের একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এর সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করা হয়। খবর ডনের। লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, গুজরানওয়ালা ও করাচির মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো এই জঘন্য অপারেশনের প্রধান কেন্দ্র হয়েছে উঠেছে, যা অংশগ্রহণকারী হাসপাতাল, চিকিৎসক, পুলিশ ও রাজনীতিবিদদের কোটি কোটি টাকা আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন দেশ থেকে শত শত রোগী কিডনির মতো অঙ্গের সন্ধানে এখানে ছুটে আসছেন। এই চক্র এতটাই বেপরোয়া যে, পুলিশের নাকের ডগায় তারা এমন জঘন্য কাজ করলেও তাদের কার্যকলাপের কথা বাইরের লোকজন খুব কমই জানতে পারে।

তবে এ বছরের জানুয়ারিতে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য একটি ভূগর্ভস্থ পরীক্ষাগারে জিম্মি হিসেবে অর্ধ-ডজন পুরুষ ও এক কিশোর ছেলেকে গ্রেপ্তারের ঘটনাটি এর ব্যতিক্রম ছিল। সৌদি এক নাগরিক এর ক্রেতা ছিলেন। পুলিশ একটি নিখোঁজ ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে রাওয়ালপিন্ডির গ্যারিসন শহরে এই চক্রের সন্ধান পায়। ছেলেটির কিডনির জন্য বলা হচ্ছিল ৪ হাজার ডলার। তবে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত চিকিৎসক ও সার্জনদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রায় অবিচ্ছিন্নভাবে কিডনির অবৈধ প্রতিস্থাপন পাঞ্জাবে, বিশেষ করে রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর ও ইসলামাবাদে সংঘটিত হয়ে থাকে বলে জানা যায়। আর এর ফলে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে অঙ্গ সংগ্রহের জন্য শিশুদের অপহরণের ঘটনা বাড়ছে।