ঢাকা ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

বিএনপি’র পরিচয়ে অপকর্ম করছে কিছু মুখোশধারী : বিএনপি কর্মীর সংবাদ সম্মেলন

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ২৭৫ বার পড়া হয়েছে
ঈশ্বরদীতে হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি কর্মী মো. সোহেল আরমান। সোমবার (৩০ জুন) বিকেল ৫টায় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের দাদপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।

সোহেল আরমান দাবি করেন, গত ২৮ জুন (শনিবার) দুপুর ২টার দিকে দাশুড়িয়া বাজার থেকে ইজিবাইকে করে নিজ বাড়ি ফেরার পথে দাদপুর এলাকায় স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইমদাদুল হকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ‘ইমদাদুল মেম্বারের সহযোগিতায় তার চাচাতো ভাই, ভাতিজা, ছেলে ও আরও কয়েকজন আমাকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে রড, বাটাম, বাঁশ দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় বাড়িতে নেওয়া হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঈশ্বরদী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান। ওই দিনই ঈশ্বরদী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে জানান তিনি।

সোহেল আরমান দাবি করেন, তিনি প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময়ও তিনি আওয়ামী লীগের হামলার শিকার হন। ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার কারণে তাঁকে একাধিকবার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে সোহেল আরমান আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী আমলে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া ও বিনা ভোটের নির্বাচনে সহায়তাকারী মো. ইমদাদুল হক মেম্বার, মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ এবং মো. ইয়াসিন আলী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নানা অপকর্ম করছে।’ তিনি জানান, এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মসূচি ব্যাহত করা, পুলিশের সহযোগিতায় বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি, পোস্টার ছেঁড়া ও মারধরের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

তিনি পাবনা জেলা ও ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে সোহেল আরমান নিজেকে সাবেক ছাত্রদল কর্মী এবং বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন।

অভিযোগের এসব বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক কে মুঠোফোনে জানান, কোন হামলার সাথে আমার সম্পৃক্ততা নেই। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।আমি দীর্ঘদিন যাবত বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। জনপ্রতিনিধি হিসাবে বিগত সরকারের নেতাকর্মীদের সাথে আমার ছবি থাকতেই পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিএনপি’র পরিচয়ে অপকর্ম করছে কিছু মুখোশধারী : বিএনপি কর্মীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০২:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
ঈশ্বরদীতে হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি কর্মী মো. সোহেল আরমান। সোমবার (৩০ জুন) বিকেল ৫টায় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের দাদপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।

সোহেল আরমান দাবি করেন, গত ২৮ জুন (শনিবার) দুপুর ২টার দিকে দাশুড়িয়া বাজার থেকে ইজিবাইকে করে নিজ বাড়ি ফেরার পথে দাদপুর এলাকায় স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইমদাদুল হকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ‘ইমদাদুল মেম্বারের সহযোগিতায় তার চাচাতো ভাই, ভাতিজা, ছেলে ও আরও কয়েকজন আমাকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে রড, বাটাম, বাঁশ দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় বাড়িতে নেওয়া হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঈশ্বরদী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান। ওই দিনই ঈশ্বরদী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে জানান তিনি।

সোহেল আরমান দাবি করেন, তিনি প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময়ও তিনি আওয়ামী লীগের হামলার শিকার হন। ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার কারণে তাঁকে একাধিকবার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে সোহেল আরমান আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী আমলে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া ও বিনা ভোটের নির্বাচনে সহায়তাকারী মো. ইমদাদুল হক মেম্বার, মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ এবং মো. ইয়াসিন আলী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নানা অপকর্ম করছে।’ তিনি জানান, এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মসূচি ব্যাহত করা, পুলিশের সহযোগিতায় বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি, পোস্টার ছেঁড়া ও মারধরের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

তিনি পাবনা জেলা ও ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে সোহেল আরমান নিজেকে সাবেক ছাত্রদল কর্মী এবং বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন।

অভিযোগের এসব বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক কে মুঠোফোনে জানান, কোন হামলার সাথে আমার সম্পৃক্ততা নেই। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।আমি দীর্ঘদিন যাবত বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। জনপ্রতিনিধি হিসাবে বিগত সরকারের নেতাকর্মীদের সাথে আমার ছবি থাকতেই পারে।