ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান”

বাংলার জনতা প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের রাজনীতি ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, ভাষা সৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র দুঃসময়ের এই কান্ডারীকে তাঁর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে যথাযথভাবে স্মরণ না করায় ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে। বিশেষ করে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামে তাঁর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

২০০৭ সালের ১/১১ পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটে যখন বিরাজনীতিকরণের নীল নকশা চলছিল, তখন চরম প্রতিকূলতার মাঝেও দলকে রক্ষা করেছিলেন তৎকালীন মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, তাঁর সেই আপসহীন ভূমিকার কারণেই আজ বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরতে পেরেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু সুদিনে এসে এই ‘লৌহমানব’কে দল ও সরকার ভুলে গেছে কি না—এমন প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

গত ১৬ মার্চ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঘিওরের বাড়িতে কোনো কেন্দ্রীয় কর্মসূচি না থাকায় হতাশ স্থানীয় সমর্থকরা। তারা বলছেন, “যদি আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সক্রিয় থাকতেন, তবে দেলোয়ার হোসেনকে এভাবে অবমূল্যায়ন করা হতো না।

তৃণমূলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচিত একবারের জন্য হলেও মানিকগঞ্জে গিয়ে এই বীর সেনানীর কবর জিয়ারত করা। পাশাপাশি ১/১১-এর সময়ে তারেক রহমানের জন্য চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া খোন্দকার দেলোয়ারের বড় ছেলে ড. খোন্দকার আকবর হোসেনকে যোগ্যতা অনুযায়ী যথাযথ মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারের নিকট জোর দাবি উঠেছে যেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষাসৈনিক খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করা হয়। নেতাকর্মীরা মনে করেন, এটি কোনো দয়া নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনে তাঁর অবদানের ন্যায্য স্বীকৃতি।

মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার। বিশেষ করে ১/১১-এর ক্রান্তিলগ্নে তিনি যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা দেশের যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য এক বলিষ্ঠ দৃষ্টান্ত। তৃণমূলের দাবি, দলের এই দুঃসময়ের কান্ডারীর ঋণ স্বীকার করে তাঁর পরিবার ও স্মৃতিকে যথাযথ সম্মানে ভূষিত করবে বিএনপি ও বর্তমান সরকার।

লেখক : মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিক তালুকদার

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বাংলাপোষ্ট

সভাপতি

ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান”

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতি ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, ভাষা সৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র দুঃসময়ের এই কান্ডারীকে তাঁর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে যথাযথভাবে স্মরণ না করায় ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে। বিশেষ করে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামে তাঁর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

২০০৭ সালের ১/১১ পরবর্তী রাজনৈতিক সংকটে যখন বিরাজনীতিকরণের নীল নকশা চলছিল, তখন চরম প্রতিকূলতার মাঝেও দলকে রক্ষা করেছিলেন তৎকালীন মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, তাঁর সেই আপসহীন ভূমিকার কারণেই আজ বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরতে পেরেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু সুদিনে এসে এই ‘লৌহমানব’কে দল ও সরকার ভুলে গেছে কি না—এমন প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

গত ১৬ মার্চ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঘিওরের বাড়িতে কোনো কেন্দ্রীয় কর্মসূচি না থাকায় হতাশ স্থানীয় সমর্থকরা। তারা বলছেন, “যদি আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সক্রিয় থাকতেন, তবে দেলোয়ার হোসেনকে এভাবে অবমূল্যায়ন করা হতো না।

তৃণমূলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচিত একবারের জন্য হলেও মানিকগঞ্জে গিয়ে এই বীর সেনানীর কবর জিয়ারত করা। পাশাপাশি ১/১১-এর সময়ে তারেক রহমানের জন্য চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া খোন্দকার দেলোয়ারের বড় ছেলে ড. খোন্দকার আকবর হোসেনকে যোগ্যতা অনুযায়ী যথাযথ মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারের নিকট জোর দাবি উঠেছে যেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষাসৈনিক খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করা হয়। নেতাকর্মীরা মনে করেন, এটি কোনো দয়া নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনে তাঁর অবদানের ন্যায্য স্বীকৃতি।

মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার। বিশেষ করে ১/১১-এর ক্রান্তিলগ্নে তিনি যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা দেশের যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য এক বলিষ্ঠ দৃষ্টান্ত। তৃণমূলের দাবি, দলের এই দুঃসময়ের কান্ডারীর ঋণ স্বীকার করে তাঁর পরিবার ও স্মৃতিকে যথাযথ সম্মানে ভূষিত করবে বিএনপি ও বর্তমান সরকার।

লেখক : মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিক তালুকদার

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : বাংলাপোষ্ট

সভাপতি

ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন