ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাঙামাটিতে গৃহবধূকে হত্যা, ঘর থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ কুমিল্লায় ফার্মেসিতে যৌথ অভিযান: ওষুধ বিক্রির আড়ালে মাদক ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার-১ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পুনরায় যোগদান করলেন কর্মদক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউনুস আলী বালিয়াডাঙ্গীতে ২ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বাংলাদেশের ক্রীড়া যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর তীব্র গরমে ডুমুরিয়া পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন মদনে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হরিণাকুন্ডুতে ৫০ জন অগ্রগামী খামারি নিয়ে লাভজন চাষে ব্রাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ প্রশিক্ষন হু হু করে বাড়ছে দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত, বন্যা ও নদীভাঙনের শঙ্কা

পনেরো বছরে ১০ গুণ সম্পদ বেড়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস : মানিকগঞ্জ-৩ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী জাহিদ মালেকের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তার আয় ও সম্পদ বেড়েছে দশগুণেরও বেশি। তবে বর্তমানে তার বাড়িতে কোনো ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নেই বলে জানানো হয়েছে হলফনামাতে। মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে আসনে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জয় লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাহিদ মালেক। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দায়িত্ব পান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণে জানা যায় , ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় জাহিদ মালেকের এক লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ছিল। তবে তার পরের নির্বাচনগুলোর হলফনামায় ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নেই উল্লেখ্য রয়েছে, যা কিনা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য। জাহিদ মালিকের বার্ষিক আয়ের উৎস হিসেবে রয়েছে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া, অ্যাগ্রো ফার্ম, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র এবং ব্যাংক আমানত। এই সকল স্থান থেকে প্রতি বছর ৮ কোটি ২৯ লাখ ৯৭ হাজার ২৫ টাকা আয় করে থাকেন তিনি, যা কিনা ২০০৮ সালে ছিল ৭১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯১ টাকা। গত ১৫ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৩ গুণ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকা, বন্ড ও ঋণপত্র, যানবাহন ও অন্যান্য বাবদ তার অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য ৭০ কোটি ৩৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬১ টাকা। নবম জাতীয় নির্বাচনের হলফনামার ছিল ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫৭ টাকা । সে হিসেবে গত ১৫ বছরে জাহিদ মালেকের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ১০ দশমিক ৩৭ গুণ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় জাহিদ মালেক উল্লেখ করেছেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিডেড, সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার ও কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কাছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭৯ টাকা দায় রয়েছে। গত ১৫ বছরের হিসেবে স্বাস্থমন্ত্রীর স্ত্রী শাবানা মালেকের সম্পদ কিছুটা কমেছে। নবম জাতীয় নির্বাচনের সময় শাবানা মালেকের ৩৯ লাখ ৮৬ হাজার ৩০০ টাকার বন্ড ছিল। এবারের হলফনামায় তা উল্লেখ্য নেই। এবার শাবানা মালেক স্বর্ণ দেখিয়েছেন ৫৫ ভরি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেখানো হয়েছে ৫০ ভরি এবং নির্ভরশীলদের ২৫ ভরি স্বর্ণ থাকলেও এবারের হলফনামা তা উল্লেখ নেই অর্থাৎ নির্ভরশীলদের স্বর্ণ কমেছে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় জাহিদ মালেকের নামে অকৃষি জমি ছিল ২ দশমিক ৫ কাঠা এবং তার স্ত্রীর ছিল ২ দশমিক ৫ কাঠা। এছাড়া ৫৩ দশমিক ৪ শতক জমিতে ১১তলা আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন এবং বাড়ি ছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। যৌথ মালিকানায় ৪০ বিঘা কৃষি জমি ছিল। এখন এই স্থাবর সম্পদের পরিমাণ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। তবে স্ত্রীর নামে ২ দশমিক ৫ কাঠার ওই জমি এবার নির্ভরশীলদের নামে স্থানান্তর করা হয়েছে। যৌথ মালিকানার ৪০ বিঘা কৃষিজমি এবার নির্ভরশীলদের নামে রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পনেরো বছরে ১০ গুণ সম্পদ বেড়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০২:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

এফএনএস : মানিকগঞ্জ-৩ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী জাহিদ মালেকের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তার আয় ও সম্পদ বেড়েছে দশগুণেরও বেশি। তবে বর্তমানে তার বাড়িতে কোনো ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নেই বলে জানানো হয়েছে হলফনামাতে। মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে আসনে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জয় লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাহিদ মালেক। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দায়িত্ব পান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণে জানা যায় , ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় জাহিদ মালেকের এক লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ছিল। তবে তার পরের নির্বাচনগুলোর হলফনামায় ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নেই উল্লেখ্য রয়েছে, যা কিনা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য। জাহিদ মালিকের বার্ষিক আয়ের উৎস হিসেবে রয়েছে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া, অ্যাগ্রো ফার্ম, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র এবং ব্যাংক আমানত। এই সকল স্থান থেকে প্রতি বছর ৮ কোটি ২৯ লাখ ৯৭ হাজার ২৫ টাকা আয় করে থাকেন তিনি, যা কিনা ২০০৮ সালে ছিল ৭১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯১ টাকা। গত ১৫ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৩ গুণ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকা, বন্ড ও ঋণপত্র, যানবাহন ও অন্যান্য বাবদ তার অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য ৭০ কোটি ৩৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬১ টাকা। নবম জাতীয় নির্বাচনের হলফনামার ছিল ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫৭ টাকা । সে হিসেবে গত ১৫ বছরে জাহিদ মালেকের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ১০ দশমিক ৩৭ গুণ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় জাহিদ মালেক উল্লেখ করেছেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিডেড, সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার ও কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কাছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭৯ টাকা দায় রয়েছে। গত ১৫ বছরের হিসেবে স্বাস্থমন্ত্রীর স্ত্রী শাবানা মালেকের সম্পদ কিছুটা কমেছে। নবম জাতীয় নির্বাচনের সময় শাবানা মালেকের ৩৯ লাখ ৮৬ হাজার ৩০০ টাকার বন্ড ছিল। এবারের হলফনামায় তা উল্লেখ্য নেই। এবার শাবানা মালেক স্বর্ণ দেখিয়েছেন ৫৫ ভরি। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেখানো হয়েছে ৫০ ভরি এবং নির্ভরশীলদের ২৫ ভরি স্বর্ণ থাকলেও এবারের হলফনামা তা উল্লেখ নেই অর্থাৎ নির্ভরশীলদের স্বর্ণ কমেছে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় জাহিদ মালেকের নামে অকৃষি জমি ছিল ২ দশমিক ৫ কাঠা এবং তার স্ত্রীর ছিল ২ দশমিক ৫ কাঠা। এছাড়া ৫৩ দশমিক ৪ শতক জমিতে ১১তলা আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন এবং বাড়ি ছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। যৌথ মালিকানায় ৪০ বিঘা কৃষি জমি ছিল। এখন এই স্থাবর সম্পদের পরিমাণ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। তবে স্ত্রীর নামে ২ দশমিক ৫ কাঠার ওই জমি এবার নির্ভরশীলদের নামে স্থানান্তর করা হয়েছে। যৌথ মালিকানার ৪০ বিঘা কৃষিজমি এবার নির্ভরশীলদের নামে রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে ।