ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের কাহারোলে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী লিখিত তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ সময় পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) হস্তক্ষেপে পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায় ওই সাংবাদিকদের উদ্ধার করা হয়।

২৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় কাহারোল উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধিত ‘অগ্রণী কৃষি সমবায় সমিতি’র কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন—দৈনিক আমার সংবাদ ও দ্য বাংলাদেশ টুডে পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দৈনিক খবর একদিন-এর স্টাফ রিপোর্টার মো. রশিদুল ইসলাম এবং দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার কাহারোল উপজেলা প্রতিনিধি সুকুমার রায়।
​
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক মো. রশিদুল ইসলাম ও সুকুমার রায় তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর ‘ক’ ফরম পূরণের মাধ্যমে অগ্রণী কৃষি সমবায় সমিতির বিভিন্ন অনিয়ম ও কার্যক্রমের তথ্য চেয়ে লিখিত আবেদন করতে যান। বিষয়টি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. সারোয়ার মুর্শেদকে লিখিতভাবে অবহিত করার পর তারা সমিতির ব্যবস্থাপক প্রার্থনা রায়ের নিকট তথ্য আবেদন নিয়ে হাজির হন।

আবেদনপত্র গ্রহণ না করে সমিতির ব্যবস্থাপক প্রার্থনা রায় হঠাৎ চড়াও হন এবং অফিসের প্রধান দরজা ভেতর থেকে আটকে দেন। এ সময় তিনি প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন, “হাজার হাজার টাকা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে দিয়ে আমি ব্যবসা করি। আপনাদের কেন তথ্য দেব? আবেদন গ্রহণও করব না, আপনাদের দেখে নেওয়ার ব্যবস্থাও করছি।

অফিসের ভেতরে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় সাংবাদিকরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোখলেদা খাতুন মীমকে মুঠোফোনে অবহিত করেন। পরে ইউএনও’র দ্রুত হস্তক্ষেপে প্রশাসনের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধ দুই সাংবাদিককে নিরাপদে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্বাধীন পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের এভাবে হেনস্থা ও তথ্য প্রদানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুরের কাহারোলে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী লিখিত তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ সময় পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) হস্তক্ষেপে পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায় ওই সাংবাদিকদের উদ্ধার করা হয়।

২৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় কাহারোল উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধিত ‘অগ্রণী কৃষি সমবায় সমিতি’র কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন—দৈনিক আমার সংবাদ ও দ্য বাংলাদেশ টুডে পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দৈনিক খবর একদিন-এর স্টাফ রিপোর্টার মো. রশিদুল ইসলাম এবং দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার কাহারোল উপজেলা প্রতিনিধি সুকুমার রায়।
​
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক মো. রশিদুল ইসলাম ও সুকুমার রায় তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর ‘ক’ ফরম পূরণের মাধ্যমে অগ্রণী কৃষি সমবায় সমিতির বিভিন্ন অনিয়ম ও কার্যক্রমের তথ্য চেয়ে লিখিত আবেদন করতে যান। বিষয়টি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. সারোয়ার মুর্শেদকে লিখিতভাবে অবহিত করার পর তারা সমিতির ব্যবস্থাপক প্রার্থনা রায়ের নিকট তথ্য আবেদন নিয়ে হাজির হন।

আবেদনপত্র গ্রহণ না করে সমিতির ব্যবস্থাপক প্রার্থনা রায় হঠাৎ চড়াও হন এবং অফিসের প্রধান দরজা ভেতর থেকে আটকে দেন। এ সময় তিনি প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন, “হাজার হাজার টাকা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে দিয়ে আমি ব্যবসা করি। আপনাদের কেন তথ্য দেব? আবেদন গ্রহণও করব না, আপনাদের দেখে নেওয়ার ব্যবস্থাও করছি।

অফিসের ভেতরে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় সাংবাদিকরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোখলেদা খাতুন মীমকে মুঠোফোনে অবহিত করেন। পরে ইউএনও’র দ্রুত হস্তক্ষেপে প্রশাসনের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধ দুই সাংবাদিককে নিরাপদে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্বাধীন পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের এভাবে হেনস্থা ও তথ্য প্রদানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।