পাবনা সাঁথিয়ায় বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজে বাধা প্রধান শিক্ষককে প্রাণ নাশের হুমকি
- আপডেট সময় : ১০:১১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধিঃ পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ১২০নং জোড়গাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলমান সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজে বাধা প্রদান করে প্রধান শিক্ষককে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে বিদ্যালয়ের পার্শ্বের নুর ইসলাম গং ও মাইদুল গং। বুধবার ২৫ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
প্রধান শিক্ষকের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ১২০নং জোড়গাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমান ৩৯ শতাংশ। বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলমান আছে। বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পার্শ্বে মোঃ তোফায়েল আহমেদ পিতা-মোঃ মাইদুল ইসলাম ও মোঃ মাইদুল ইসলাম পিতা- মৃত- আব্দুল গণি, সাং- জোড়গাছা, উপজেলা: সাঁথিয়া, জেলা: পাবনা বিদ্যালয়ের সীমানার মধ্যে অবৈধভাবে অবৈধভাবে ল্যাট্রিন স্থাপন করেছে। এমনকি বিদ্যালয়ের কার্নিশের উপর পানির ট্যাঙ্কি স্থাপন করেছে। বিধায় বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। বার বার বিষয়টি তাদের অবগত করলেও তারা কোন কর্ণপাত করেন না। বরং বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে, রাস্তায় এমনকি ফোনে বিভিন্ন ধরনের হুমকি, ধমকি দিয়ে আসছে।
অন্যদিকে বিদ্যালয়ের মাঠের পূর্ব পার্শ্বে একটি বাড়ী আছে বাড়ীর লোকজন (১) মোঃ নুর ইসলাম (২) মোঃ রুহুল আমিন (৩) আনিছুর রহমান সর্বপিতা- মোঃ ইয়াছিন আলী (৪) মোঃ ইয়াছিন আলী পিতা- মোঃ হাকিম উদ্দিন, সাং- জোড়গাছা, উপজেলা: সাঁথিয়া, জেলা: পাবনা বিদ্যালয়ের চলমান কাজের বাধা প্রদান করছে।
তারা বলে যে, সরকারি জায়গা ছেড়ে দিয়ে আমাদের রাস্তা দিতে হবে। আমি তাতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা জোর পুর্বক কাজে বাধা প্রদান করে। এমনকি বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ কাজের মিস্ত্রিরা কাজ করতে গেলে কাজের ফিতা, টুকরী, কোদাল এবং কাজের সরঞ্জামাদী কেরে নেয় এবং প্রধান শিক্ষককে মারার জন্য লাঠি শোঠা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। তাদেরকে রাস্তা না দিলে প্রধান শিক্ষকে স্কুলে ঢুকতে দেবে না এমনকি হাত-পা ভেঙ্গে দেবে বলে প্রধান শিক্ষককে হুমকি দেয় তারা।
বিদ্যালয় চলাকালিন অবস্থায় শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক এর সম্মুখে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। তাছাড়াও তাদের গরু-ছাগল স্কুলের শহীদ মিনারের সাথে বেধে রাখে, ইহাতে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় কোন গাছ রোপন করলে তাদের গরু-ছাগল খেয়ে ফেলে ফলে বিদ্যালয়টির আঙ্গিনায় কোন গাছ হয় না।
বিষয়টি সর্ম্পকে গত ১৫/০১/২০২৪ইং তারিখ ও ২৬/০৫/২০২৪ইং তারিখ যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক আবেদন করলেও অদ্যবধি বিষয়টি সর্ম্পকে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় হতাশ প্রধান শিক্ষক।
অভিযুক্তদের মুঠোফোনে এবিষয়ে জানতে চাইলে তারা সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই লাইন কেটে দেন।













