ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

পাবনায় ছাত্র-জনতাকে গুলিবর্ষণকারী আসামির রিমান্ডের বিরোধিতা করলেন বিএনপি নেতা, সমালোচনার ঝড়

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেফতার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পক্ষে রিমান্ডের বিরোধিতা করে আদালতে শুনানি করেছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার। এনিয়ে জেলাব্যাপী সমালোচনার ঝড় বইছে।
ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করার অভিযোগে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক ও আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইউসুফ আলী খানকে গ্রেফতার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। পরেরদিন মঙ্গলবার পাবনার আমলী-২ আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। রিমান্ডের বিরোধিতা করে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মুকুল বিশ্বাস এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. ইউসুফ আলী এবং পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন শাহিন।

স্বৈরাচারের দোসর ও ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণকারীর পক্ষে মাসুদ খন্দকারের শুনানির বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ঝড় বইছে। কেউ কেউ তার বহিস্কার দাবি করেন। মন্তব্যকারীরা বলছেন- ‘এটা নৈতিকতার প্রশ্ন! দীর্ঘদিন ধরে যেই আদর্শ নিয়ে আপনি শীর্ষ পদে থেকে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে লড়াই করলেন, ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করলেন। ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের বাণী শোনাচ্ছেন আবার ফ্যাসিবাদের পক্ষে আদালতে লড়াই করছেন? এটা তামাশা নয়?’

পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন শাহিন বলেন, ‘বিষয়টি শতভাগ সত্য। এখনো রাস্তায় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র-জনতার রক্তের দাগ শুকাইনি, একটা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হয়ে এরকম একটা মামলায় আইনি প্রটেক্টশন দিলে নীতিবিমর্জিত মানসিকতা বলে মনে করি।’

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘এটা ভিত্তিহীন অভিযোগ। এর কোনো প্রমাণ নেই। এখন যারা আমার ভালো চায় না তারা এবং একটি চক্র দলের মধ্যে এবং দলের বাইরে যারা অন্যের ভালো চায় না তারা এগুলো বলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাবনায় ছাত্র-জনতাকে গুলিবর্ষণকারী আসামির রিমান্ডের বিরোধিতা করলেন বিএনপি নেতা, সমালোচনার ঝড়

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
পাবনার ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করার অভিযোগে গ্রেফতার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পক্ষে রিমান্ডের বিরোধিতা করে আদালতে শুনানি করেছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার। এনিয়ে জেলাব্যাপী সমালোচনার ঝড় বইছে।
ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করার অভিযোগে মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক ও আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইউসুফ আলী খানকে গ্রেফতার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। পরেরদিন মঙ্গলবার পাবনার আমলী-২ আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। রিমান্ডের বিরোধিতা করে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মুকুল বিশ্বাস এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. ইউসুফ আলী এবং পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন শাহিন।

স্বৈরাচারের দোসর ও ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণকারীর পক্ষে মাসুদ খন্দকারের শুনানির বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ঝড় বইছে। কেউ কেউ তার বহিস্কার দাবি করেন। মন্তব্যকারীরা বলছেন- ‘এটা নৈতিকতার প্রশ্ন! দীর্ঘদিন ধরে যেই আদর্শ নিয়ে আপনি শীর্ষ পদে থেকে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে লড়াই করলেন, ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করলেন। ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের বাণী শোনাচ্ছেন আবার ফ্যাসিবাদের পক্ষে আদালতে লড়াই করছেন? এটা তামাশা নয়?’

পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন শাহিন বলেন, ‘বিষয়টি শতভাগ সত্য। এখনো রাস্তায় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র-জনতার রক্তের দাগ শুকাইনি, একটা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হয়ে এরকম একটা মামলায় আইনি প্রটেক্টশন দিলে নীতিবিমর্জিত মানসিকতা বলে মনে করি।’

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘এটা ভিত্তিহীন অভিযোগ। এর কোনো প্রমাণ নেই। এখন যারা আমার ভালো চায় না তারা এবং একটি চক্র দলের মধ্যে এবং দলের বাইরে যারা অন্যের ভালো চায় না তারা এগুলো বলছে।