ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাঁঠালিয়ায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত পুকুরের মাছ মরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ ইউনিয়ন পুনর্বহালের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ পাবনায় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‌্যালি ও আলোচনা সভা মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নরসিংদীতে সন্ত্রাসী আবু লাল গ্রেফতার  লালপুরে  হ্যাকিং চক্রের ৩ সদস্য আটক, ৬ মোবাইল ফোন উদ্ধার জিয়ার আদর্শ ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে: কুমিল্লায় কৃষি মন্ত্রী বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপি নেতার তোরণে ট্রাকের ধাক্কা, টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

পুকুরের মাছ মরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:১০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
ঈশ্বরদীর পার্শ্ববর্তী  মৃধা-কচুয়ায় পুকুরের মাছ মরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শামসুল হক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
পুকুরের পানি ও মাছ মরে যাওয়ার ঘটনায় নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা। সংবাদ সম্মেলনে তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন  ডাক্তার মাসুদ রানা। তিনি উপজেলার মৃধা-কচুয়া গ্রামের রাজাপুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
লিখিত বক্তব্যে ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন, তাদের বাড়ির পাশে শামসুল হকের একটি পুকুর রয়েছে। প্রতিবছর পুকুরের পাড় ভেঙে তাদের বসতভিটার জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পুকুরের পাড় সংরক্ষণের জন্য জমি বেঁধে দেওয়ার কথা বলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
তাদের অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট পুকুরের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগে শামসুল হক তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করেন। তবে ওই অভিযোগের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পুলিশ তদন্তে এসে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনায় তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায়নি বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, চলতি বছরও ওই পুকুরে কিছু মাছ মারা যাওয়ার পর আবারও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুকুরপাড়ের বাসিন্দাদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ প্রশাসনকে টাকা দিয়ে নিজের পক্ষে নেওয়ার কথাও বলে বেড়ান বলে দাবি তাদের।
লিখিত বক্তব্যে ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন, তারা সাধারণ কৃষক। দিনভর কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পুকুরে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনায় তাদের কোনো ভূমিকা নেই। অথচ বারবার মামলা ও হয়রানির আশঙ্কায় তারা উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পুকুরের পানি পাঁচবার পরীক্ষা করিয়ে তাতে অক্সিজেনের ঘাটতি পাওয়া গেছে। তাই মাছ মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বড়াইগ্রাম থানা-পুলিশের প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্যক্তিরা প্রশাসনের কাছে হয়রানি বন্ধ, বসতভিটার জমির নিরাপত্তা এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জিন্নাত আলী মেম্বার সাইদুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, আকসেদ মোল্লা, আফাজ উদ্দিন মোল্লা, মোহাম্মদ মফিজ প্রামানিক, জমশেদ আলী, মফিজ উদ্দিন, তাইজ উদ্দিন ও  মজির উদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পুকুরের মাছ মরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:১০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
ঈশ্বরদীর পার্শ্ববর্তী  মৃধা-কচুয়ায় পুকুরের মাছ মরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শামসুল হক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
পুকুরের পানি ও মাছ মরে যাওয়ার ঘটনায় নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা। সংবাদ সম্মেলনে তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন  ডাক্তার মাসুদ রানা। তিনি উপজেলার মৃধা-কচুয়া গ্রামের রাজাপুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
লিখিত বক্তব্যে ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন, তাদের বাড়ির পাশে শামসুল হকের একটি পুকুর রয়েছে। প্রতিবছর পুকুরের পাড় ভেঙে তাদের বসতভিটার জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পুকুরের পাড় সংরক্ষণের জন্য জমি বেঁধে দেওয়ার কথা বলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
তাদের অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট পুকুরের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগে শামসুল হক তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করেন। তবে ওই অভিযোগের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পুলিশ তদন্তে এসে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনায় তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায়নি বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, চলতি বছরও ওই পুকুরে কিছু মাছ মারা যাওয়ার পর আবারও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুকুরপাড়ের বাসিন্দাদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ প্রশাসনকে টাকা দিয়ে নিজের পক্ষে নেওয়ার কথাও বলে বেড়ান বলে দাবি তাদের।
লিখিত বক্তব্যে ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন, তারা সাধারণ কৃষক। দিনভর কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পুকুরে মাছ মারা যাওয়ার ঘটনায় তাদের কোনো ভূমিকা নেই। অথচ বারবার মামলা ও হয়রানির আশঙ্কায় তারা উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পুকুরের পানি পাঁচবার পরীক্ষা করিয়ে তাতে অক্সিজেনের ঘাটতি পাওয়া গেছে। তাই মাছ মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বড়াইগ্রাম থানা-পুলিশের প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্যক্তিরা প্রশাসনের কাছে হয়রানি বন্ধ, বসতভিটার জমির নিরাপত্তা এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জিন্নাত আলী মেম্বার সাইদুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, আকসেদ মোল্লা, আফাজ উদ্দিন মোল্লা, মোহাম্মদ মফিজ প্রামানিক, জমশেদ আলী, মফিজ উদ্দিন, তাইজ উদ্দিন ও  মজির উদ্দিন।