ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের জবাবদিহিতার প্রধান হাতিয়ার: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন *ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী* আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের জন্য অংশীদারদের নিয়ে পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জামায়াতের গোপন বৈঠক নিয়ে ঈশ্বরদীতে বিএনপির অভিযোগ, তদন্তের দাবি সাংবাদিক আরবিএস পাভেল চাঁদাবাজ নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? পূর্ণাঙ্গ ঘটনায় উঠছে নানা প্রশ্ন বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পাতি নেতায় অতিষ্ট জাতীয়তাবাদী কর্মী মাসুদ ও আমন সংরক্ষিত নারী আসনে দ্বিতীয়বার এমপি মনোনীত নেওয়াজ হালিমা আরলীকে অভিনন্দন

আমাদের সামনে দুটি রাস্তা খোলা, হয় মাতৃভূমি রক্ষা করবো না হয় শহীদ হবো : জাহিদুল ইসলাম

চট্রগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এই ভূখণ্ডের ইতিহাস বার বার লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। এই ভূখণ্ডের ইতিহাস জীবন দেওয়ার ইতিহাস।

এই ভূখণ্ডের ইতিহাস স্বাধীনতা-মুক্তির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ তিতিক্ষার ইতিহাস। বর্তমান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের সামনে দুটি রাস্তা খোলা, হয় মাতৃভূমি রক্ষা করবো না হয় শহীদ হবো।
ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর কর্তৃক আয়োজিত বিজয় র‍্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেছেন।
তিনি আরো বলেন, ৪৭ এ একবার আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিলাম। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকদের শোষণের কারণে আমরা সে স্বাদ বেশিদিন ভোগ করতে পারিনি। এরপর ১৯৭১ এ এই দেশের মানুষ জীবন দিয়ে আবারও স্বাধীনতা অর্জন করলেও শেখ মুজিব এদেশে বাকশাল কায়েম করে। এরই ধারাবাহিকতায় তার কন্যা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করে। এই ফ্যাসিবদের অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশের সূর্যসন্তান দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের হত্যা করে। শুধু তাই নয়, এদেশকে নেতৃত্ব শূন্য করতে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। সবশেষে ২৪ এর জুলাই-আগষ্টের বিপ্লবে দেশপ্রেমী ছাত্রজনতার উপর গণহত্যা চালাই।
প্রতিবেশি দেশ ভারতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তারা সিমান্তে আমাদের ভাই-বোনদের হত্যা করছে। বর্ষাকালে নদীর বাঁধ গুলো খুলে দিয়ে এদেশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী করছে।
তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি এদেশের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র হয় তাহলে ছাত্রশিবির রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা সম্পাদক ডা. উসামা রাইয়ান বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭৬ সাল থেকে সৎ, দক্ষ ও দেশ প্রেমিক নাগরিক তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। যতই প্রতিকূলতা আসুক ছাত্রশিবির এই কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ।

উক্ত সমাবেশে কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে এদেশের ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক সহ সর্বস্তরের জনতা যে উদ্দেশ্যে রক্ত দিয়েছিল স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও সেই উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি। যার প্রমাণ ৬ আগষ্টের গণঅভ্যুত্থান।
বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এই দেশের মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করুন। এই কাজে ছাত্রশিবিরকে সর্বদা পাশে পাবেন ইনশা আল্লাহ।

৫৪ তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর এ-র‍্যালির আয়োজন করে। সকাল ৯টার দিকে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতা-কর্মীরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে নগরীর লালখান বাজার এলাকায় জড়ো হয় এবং পরবর্তীতে সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত হলে র‍্যালিটি সেখান থেকে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে ২নং গেট এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

উক্ত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মু. শহীদুল ইসলাম, মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাভাপতি নাহিদুল ইসলাম।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি তানজির হোসেন জুয়েল, মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ইব্রাহিম হোসেন রনি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইবরাহীম, জেলা সভাপতিবৃন্দ, মহানগর ও সকল জেলা শাখার সেক্রেটারীয়েট সহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আমাদের সামনে দুটি রাস্তা খোলা, হয় মাতৃভূমি রক্ষা করবো না হয় শহীদ হবো : জাহিদুল ইসলাম

আপডেট সময় : ১২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এই ভূখণ্ডের ইতিহাস বার বার লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। এই ভূখণ্ডের ইতিহাস জীবন দেওয়ার ইতিহাস।

এই ভূখণ্ডের ইতিহাস স্বাধীনতা-মুক্তির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ তিতিক্ষার ইতিহাস। বর্তমান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের সামনে দুটি রাস্তা খোলা, হয় মাতৃভূমি রক্ষা করবো না হয় শহীদ হবো।
ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর কর্তৃক আয়োজিত বিজয় র‍্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেছেন।
তিনি আরো বলেন, ৪৭ এ একবার আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিলাম। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকদের শোষণের কারণে আমরা সে স্বাদ বেশিদিন ভোগ করতে পারিনি। এরপর ১৯৭১ এ এই দেশের মানুষ জীবন দিয়ে আবারও স্বাধীনতা অর্জন করলেও শেখ মুজিব এদেশে বাকশাল কায়েম করে। এরই ধারাবাহিকতায় তার কন্যা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করে। এই ফ্যাসিবদের অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশের সূর্যসন্তান দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের হত্যা করে। শুধু তাই নয়, এদেশকে নেতৃত্ব শূন্য করতে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। সবশেষে ২৪ এর জুলাই-আগষ্টের বিপ্লবে দেশপ্রেমী ছাত্রজনতার উপর গণহত্যা চালাই।
প্রতিবেশি দেশ ভারতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তারা সিমান্তে আমাদের ভাই-বোনদের হত্যা করছে। বর্ষাকালে নদীর বাঁধ গুলো খুলে দিয়ে এদেশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরী করছে।
তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি এদেশের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র হয় তাহলে ছাত্রশিবির রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা সম্পাদক ডা. উসামা রাইয়ান বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭৬ সাল থেকে সৎ, দক্ষ ও দেশ প্রেমিক নাগরিক তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। যতই প্রতিকূলতা আসুক ছাত্রশিবির এই কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ।

উক্ত সমাবেশে কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে এদেশের ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক সহ সর্বস্তরের জনতা যে উদ্দেশ্যে রক্ত দিয়েছিল স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও সেই উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি। যার প্রমাণ ৬ আগষ্টের গণঅভ্যুত্থান।
বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এই দেশের মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করুন। এই কাজে ছাত্রশিবিরকে সর্বদা পাশে পাবেন ইনশা আল্লাহ।

৫৪ তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর এ-র‍্যালির আয়োজন করে। সকাল ৯টার দিকে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতা-কর্মীরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে নগরীর লালখান বাজার এলাকায় জড়ো হয় এবং পরবর্তীতে সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত হলে র‍্যালিটি সেখান থেকে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে ২নং গেট এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

উক্ত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মু. শহীদুল ইসলাম, মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাভাপতি নাহিদুল ইসলাম।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি তানজির হোসেন জুয়েল, মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ইব্রাহিম হোসেন রনি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইবরাহীম, জেলা সভাপতিবৃন্দ, মহানগর ও সকল জেলা শাখার সেক্রেটারীয়েট সহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী।