ঢাকা ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তিন দিনে দেশে এসেছে ৮ হাজার ৩০০ টন পেঁয়াজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। গত সোমবার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৮ হাজার ৩০০ টন আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে এসেছে। গতকাল বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা) মো. কামরুল ইসলাম ভূঁইয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গত সোমবার ৪ লাখ ৭৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দেশে এসেছে ৮ হাজার ৩০০ টন পেঁয়াজ। দেশের বাজারে অস্বাভাবিকভাবে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে আমদানির অনুমতি দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি পেঁয়াজের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জাতের দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে বাজারে প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) পাবনার পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে ৩৭৫ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে। কেজিতে যা পড়ছে ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা। ফরিদপুরের পেঁয়াজের পাল্লা বিক্রি করা হচ্ছে ৩১০ টাকা থেকে ৩৪০ টাকায়। কেজিতে যা পড়ছে ৬২ থেকে ৬৮ টাকা। রাজশাহীর পেঁয়াজের পাল্লা বিক্রি করা হচ্ছে ৩৭৫ টাকায়, যা কেজিতে পড়ছে ৭৫ টাকা। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে ৩২৫ টাকায়, যা কেজিতে পড়েছে ৬৫ টাকা। অথচ ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরুর আগে এ বাজারেই প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকার বেশি বিক্রি হয়েছিল। এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির পর দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০- ৩৫ টাকা কমলেও সন্তুষ্ট হতে পারছে না ক্রেতারা। তারা বলছেন, যেভাবে দাম বেড়েছে, সেভাবে দাম কমেনি। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে। এ ছাড়া অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের জোর ভূমিকা নেই বলেও জানিয়েছেন তারা। তবে পাইারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে এখনো পেঁয়াজের দাম কমার প্রভাব পড়েনি। পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিন দিনে দেশে এসেছে ৮ হাজার ৩০০ টন পেঁয়াজ

আপডেট সময় : ০২:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

এফএনএস

আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। গত সোমবার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৮ হাজার ৩০০ টন আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে এসেছে। গতকাল বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা) মো. কামরুল ইসলাম ভূঁইয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গত সোমবার ৪ লাখ ৭৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দেশে এসেছে ৮ হাজার ৩০০ টন পেঁয়াজ। দেশের বাজারে অস্বাভাবিকভাবে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে আমদানির অনুমতি দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি পেঁয়াজের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জাতের দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে বাজারে প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) পাবনার পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে ৩৭৫ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে। কেজিতে যা পড়ছে ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা। ফরিদপুরের পেঁয়াজের পাল্লা বিক্রি করা হচ্ছে ৩১০ টাকা থেকে ৩৪০ টাকায়। কেজিতে যা পড়ছে ৬২ থেকে ৬৮ টাকা। রাজশাহীর পেঁয়াজের পাল্লা বিক্রি করা হচ্ছে ৩৭৫ টাকায়, যা কেজিতে পড়ছে ৭৫ টাকা। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে ৩২৫ টাকায়, যা কেজিতে পড়েছে ৬৫ টাকা। অথচ ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরুর আগে এ বাজারেই প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকার বেশি বিক্রি হয়েছিল। এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির পর দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০- ৩৫ টাকা কমলেও সন্তুষ্ট হতে পারছে না ক্রেতারা। তারা বলছেন, যেভাবে দাম বেড়েছে, সেভাবে দাম কমেনি। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে। এ ছাড়া অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের জোর ভূমিকা নেই বলেও জানিয়েছেন তারা। তবে পাইারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে এখনো পেঁয়াজের দাম কমার প্রভাব পড়েনি। পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।