ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

ভালুকায় জমি বিরোধে দলিল লেখক হত্যা, ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন

আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১২ বছর পর বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রমে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, জেরা এবং মামলার উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

আদালতের রায়ে মো. ফরিদ খলিফা ও পলাতক মো. মাসুদ মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার অপর ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে পরিকল্পিত হামলায় দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু নিহত হন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলাটি দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর নিহত মিন্টুর পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ এক যুগের অপেক্ষার পর তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আকরাম হোসেন বলেন, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন। এ রায় অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, প্রায় ১২ বছর আগে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভালুকায় জমি বিরোধে দলিল লেখক হত্যা, ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১০:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১২ বছর পর বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রমে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, জেরা এবং মামলার উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

আদালতের রায়ে মো. ফরিদ খলিফা ও পলাতক মো. মাসুদ মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার অপর ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে পরিকল্পিত হামলায় দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু নিহত হন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলাটি দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর নিহত মিন্টুর পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ এক যুগের অপেক্ষার পর তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আকরাম হোসেন বলেন, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন। এ রায় অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, প্রায় ১২ বছর আগে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।