ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক আরবিএস পাভেল চাঁদাবাজ নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? পূর্ণাঙ্গ ঘটনায় উঠছে নানা প্রশ্ন বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পাতি নেতায় অতিষ্ট জাতীয়তাবাদী কর্মী মাসুদ ও আমন সংরক্ষিত নারী আসনে দ্বিতীয়বার এমপি মনোনীত নেওয়াজ হালিমা আরলীকে অভিনন্দন প্রবাসীর নিকট থেকে চাঁদা না পেয়ে প্রাণনাশের হুমকি  ঢাকায় জেসিআই কার্নিভাল অনুষ্ঠিত পাবনায় সাংবাদিককে মেরে পুলিশে দেওয়ার হুমকি পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ

সৈয়দপুরে রেললাইনের পাশে পৌরসভা ভাগাড়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০০ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের প্রানকেন্দ্রের চারপাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আর এর মধ্যস্থান দিয়ে চলে গেছে রেললাইন। রেল লাইনের ওপর ফাঁকা জায়গায় সম্প্রতি সৈয়দপুর পৌরসভা থেকে ভ্যান ও পিকআপে করে ফেলা হচ্ছে ময়লা আর্বজনা। বর্তমানে ওই ময়লা আর্বজনা বিশাল এক ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। মনে হয় এটি একটি ছোট পাহাড়। ওই ময়লা আর্বজনা পঁচে গলে ছড়াচ্ছে বিশ্রী দুর্গন্ধ। একটু বাতাস বইলে ওই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। ওই পথ দিয়ে অনেকে চলাচল করা ছেড়ে দিয়েছে। ওই স্থানের আশপাশের ব্যবসায়িরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে থাকতে পারছেন না দুর্গন্ধে। এদিকে ওই স্থানে যখন ট্রেন আসে তখন ট্রেনের যাত্রীরাও বিশ্রী গন্ধে বমি করে থাকে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম রয়েল বলেন অতি দ্রুত সময়ে ময়লা পরিস্কার করা হবে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ি ও সাবেক কাউন্সিলর আকতার হোসেন ফেকু বলেন, শহরের মধ্যে ময়লা কেন ফেলা হবে। ময়লা আর্বজনা ফেলার জন্য পৌরসভাকে নির্দিষ্ঠ একটি স্থান নির্ধারণ করা উচিৎ। শহরের মধ্যে ময়লা ফেলার কারণে পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। মানুষ ওই পথ দিয়ে যেতে পারছে না। শহরের মধ্যে ময়লার ভাগাড় হওয়ায় নিন্দা জানান সাংবাদিক অনিক এ মন্ডল। তিনি বলেন কোন সভ্য সমাজে এ ধরনের কাজ করা উচিত নয়। এটি নিন্দনীয় কাজ বলে তিনি মনে করেন। শহরে কেন ময়লার স্তুপ এ ব্যাপারে পৌর মেয়রের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,ময়লাগুলো প্রায়ই সময় পরিস্কার করা হয়। কিন্তু ওই স্থানের ময়লা কেন পরিস্কার করা হচ্ছে না তা আমার জানা নেই। তবে দ্রুত সময়ে ময়লা পরিস্কার করা হবে বলে জানান তিনি। দ্রুত সময়ে ময়লা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন আন্তজার্তিক মানবাধিকার সংস্থা ও আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সৈয়দপুরে রেললাইনের পাশে পৌরসভা ভাগাড়

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

এফএনএস
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের প্রানকেন্দ্রের চারপাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আর এর মধ্যস্থান দিয়ে চলে গেছে রেললাইন। রেল লাইনের ওপর ফাঁকা জায়গায় সম্প্রতি সৈয়দপুর পৌরসভা থেকে ভ্যান ও পিকআপে করে ফেলা হচ্ছে ময়লা আর্বজনা। বর্তমানে ওই ময়লা আর্বজনা বিশাল এক ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। মনে হয় এটি একটি ছোট পাহাড়। ওই ময়লা আর্বজনা পঁচে গলে ছড়াচ্ছে বিশ্রী দুর্গন্ধ। একটু বাতাস বইলে ওই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। ওই পথ দিয়ে অনেকে চলাচল করা ছেড়ে দিয়েছে। ওই স্থানের আশপাশের ব্যবসায়িরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে থাকতে পারছেন না দুর্গন্ধে। এদিকে ওই স্থানে যখন ট্রেন আসে তখন ট্রেনের যাত্রীরাও বিশ্রী গন্ধে বমি করে থাকে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম রয়েল বলেন অতি দ্রুত সময়ে ময়লা পরিস্কার করা হবে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ি ও সাবেক কাউন্সিলর আকতার হোসেন ফেকু বলেন, শহরের মধ্যে ময়লা কেন ফেলা হবে। ময়লা আর্বজনা ফেলার জন্য পৌরসভাকে নির্দিষ্ঠ একটি স্থান নির্ধারণ করা উচিৎ। শহরের মধ্যে ময়লা ফেলার কারণে পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। মানুষ ওই পথ দিয়ে যেতে পারছে না। শহরের মধ্যে ময়লার ভাগাড় হওয়ায় নিন্দা জানান সাংবাদিক অনিক এ মন্ডল। তিনি বলেন কোন সভ্য সমাজে এ ধরনের কাজ করা উচিত নয়। এটি নিন্দনীয় কাজ বলে তিনি মনে করেন। শহরে কেন ময়লার স্তুপ এ ব্যাপারে পৌর মেয়রের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,ময়লাগুলো প্রায়ই সময় পরিস্কার করা হয়। কিন্তু ওই স্থানের ময়লা কেন পরিস্কার করা হচ্ছে না তা আমার জানা নেই। তবে দ্রুত সময়ে ময়লা পরিস্কার করা হবে বলে জানান তিনি। দ্রুত সময়ে ময়লা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য পৌর মেয়রের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন আন্তজার্তিক মানবাধিকার সংস্থা ও আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম।