ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীন গণমাধ্যমই গণতন্ত্রের জবাবদিহিতার প্রধান হাতিয়ার: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন *ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী* আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের জন্য অংশীদারদের নিয়ে পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জামায়াতের গোপন বৈঠক নিয়ে ঈশ্বরদীতে বিএনপির অভিযোগ, তদন্তের দাবি সাংবাদিক আরবিএস পাভেল চাঁদাবাজ নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার? পূর্ণাঙ্গ ঘটনায় উঠছে নানা প্রশ্ন বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পাতি নেতায় অতিষ্ট জাতীয়তাবাদী কর্মী মাসুদ ও আমন সংরক্ষিত নারী আসনে দ্বিতীয়বার এমপি মনোনীত নেওয়াজ হালিমা আরলীকে অভিনন্দন

ঈশ্বরদীতে রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার; দেখার কেউ নেই

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় পাকা রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে ঈশ্বরদী উপজেলার রেলওয়ে গেইট থেকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে সাঁড়া ০৫ নং ঘাট পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায় এলাকার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবিরের যোগসাজসেই হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।  ঈশ্বরদী উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে প্রকৌশলীর আস্থাভাজন স্থানীয় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার নির্মাণ কাজ করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তা নির্মাণে খুব নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ যেন দায়সাড়া নির্মাণ কাজ। নাম মাত্র রোলার করে রাস্তায় নিম্নমানের বালু ফেলা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ বালুর সঙ্গে মিশিয়ে রাস্তার অধিকাংশ জায়গায় সাব-ব্যাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে। আমরা চাই কাজটি ভালোভাবে হোক। এখানে ঠিকাদারের সাথে প্রকৌশলীর কাজের শেয়ার রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়া প্রকৌশলী এই কাজে তদারকি করছেন না কেন?

উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী কতিপয় শিক্ষার্থী বলেন, অনিয়মের বিষয়টি স্যোসাল মিডিয়ায় দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ছাড়া রাস্তা নির্মাণে কারচুপির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন অনেকেই দেখেছে, তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। কেন বলতে সাহস পাচ্ছে না তা বলতে পারবো না। তবে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবির এর সঙ্গে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে বলেন,‘আমি সাইটে গিয়েছিলাম। খোয়া পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠিয়েছি।’ তবে তিনি বলেননি কোন দপ্তরে বা কোথায় টেস্ট করার জন্য পাঠিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈশ্বরদীতে রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার; দেখার কেউ নেই

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

পাবনায় পাকা রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে ঈশ্বরদী উপজেলার রেলওয়ে গেইট থেকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে সাঁড়া ০৫ নং ঘাট পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায় এলাকার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবিরের যোগসাজসেই হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।  ঈশ্বরদী উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে প্রকৌশলীর আস্থাভাজন স্থানীয় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার নির্মাণ কাজ করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তা নির্মাণে খুব নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ যেন দায়সাড়া নির্মাণ কাজ। নাম মাত্র রোলার করে রাস্তায় নিম্নমানের বালু ফেলা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ বালুর সঙ্গে মিশিয়ে রাস্তার অধিকাংশ জায়গায় সাব-ব্যাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে। আমরা চাই কাজটি ভালোভাবে হোক। এখানে ঠিকাদারের সাথে প্রকৌশলীর কাজের শেয়ার রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়া প্রকৌশলী এই কাজে তদারকি করছেন না কেন?

উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী কতিপয় শিক্ষার্থী বলেন, অনিয়মের বিষয়টি স্যোসাল মিডিয়ায় দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ছাড়া রাস্তা নির্মাণে কারচুপির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন অনেকেই দেখেছে, তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। কেন বলতে সাহস পাচ্ছে না তা বলতে পারবো না। তবে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবির এর সঙ্গে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে বলেন,‘আমি সাইটে গিয়েছিলাম। খোয়া পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠিয়েছি।’ তবে তিনি বলেননি কোন দপ্তরে বা কোথায় টেস্ট করার জন্য পাঠিয়েছেন।