ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশের ক্রীড়া যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর তীব্র গরমে ডুমুরিয়া পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন মদনে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হরিণাকুন্ডুতে ৫০ জন অগ্রগামী খামারি নিয়ে লাভজন চাষে ব্রাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ প্রশিক্ষন হু হু করে বাড়ছে দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত, বন্যা ও নদীভাঙনের শঙ্কা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পৃথক অভিযানে বিস্ফোরক ও মাদক মামলার দুই আসামী গ্রেফতার জলঢাকা থানার ১২ নম্বর মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার; আদালতে সোপর্দ কুমিল্লায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার দুই মূল ঘাতক ১৪ মামলার আসামিসহ ৪ ডাকাত গ্রেফতার, অস্ত্র ও মাইক্রোবাস উদ্ধার

ঈশ্বরদীতে রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার; দেখার কেউ নেই

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় পাকা রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে ঈশ্বরদী উপজেলার রেলওয়ে গেইট থেকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে সাঁড়া ০৫ নং ঘাট পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায় এলাকার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবিরের যোগসাজসেই হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।  ঈশ্বরদী উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে প্রকৌশলীর আস্থাভাজন স্থানীয় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার নির্মাণ কাজ করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তা নির্মাণে খুব নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ যেন দায়সাড়া নির্মাণ কাজ। নাম মাত্র রোলার করে রাস্তায় নিম্নমানের বালু ফেলা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ বালুর সঙ্গে মিশিয়ে রাস্তার অধিকাংশ জায়গায় সাব-ব্যাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে। আমরা চাই কাজটি ভালোভাবে হোক। এখানে ঠিকাদারের সাথে প্রকৌশলীর কাজের শেয়ার রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়া প্রকৌশলী এই কাজে তদারকি করছেন না কেন?

উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী কতিপয় শিক্ষার্থী বলেন, অনিয়মের বিষয়টি স্যোসাল মিডিয়ায় দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ছাড়া রাস্তা নির্মাণে কারচুপির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন অনেকেই দেখেছে, তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। কেন বলতে সাহস পাচ্ছে না তা বলতে পারবো না। তবে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবির এর সঙ্গে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে বলেন,‘আমি সাইটে গিয়েছিলাম। খোয়া পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠিয়েছি।’ তবে তিনি বলেননি কোন দপ্তরে বা কোথায় টেস্ট করার জন্য পাঠিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈশ্বরদীতে রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার; দেখার কেউ নেই

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

পাবনায় পাকা রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে ঈশ্বরদী উপজেলার রেলওয়ে গেইট থেকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে সাঁড়া ০৫ নং ঘাট পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায় এলাকার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবিরের যোগসাজসেই হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।  ঈশ্বরদী উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে প্রকৌশলীর আস্থাভাজন স্থানীয় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার নির্মাণ কাজ করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তা নির্মাণে খুব নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ যেন দায়সাড়া নির্মাণ কাজ। নাম মাত্র রোলার করে রাস্তায় নিম্নমানের বালু ফেলা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ বালুর সঙ্গে মিশিয়ে রাস্তার অধিকাংশ জায়গায় সাব-ব্যাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে। আমরা চাই কাজটি ভালোভাবে হোক। এখানে ঠিকাদারের সাথে প্রকৌশলীর কাজের শেয়ার রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়া প্রকৌশলী এই কাজে তদারকি করছেন না কেন?

উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী কতিপয় শিক্ষার্থী বলেন, অনিয়মের বিষয়টি স্যোসাল মিডিয়ায় দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ছাড়া রাস্তা নির্মাণে কারচুপির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন অনেকেই দেখেছে, তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। কেন বলতে সাহস পাচ্ছে না তা বলতে পারবো না। তবে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবির এর সঙ্গে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে বলেন,‘আমি সাইটে গিয়েছিলাম। খোয়া পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠিয়েছি।’ তবে তিনি বলেননি কোন দপ্তরে বা কোথায় টেস্ট করার জন্য পাঠিয়েছেন।