ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও বর্ষা মৌসুম হওয়ায় যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পরিস্থিতি অবলোকনের জন্য এলাকায় জনসাধারণের আনাগোনা বেড়েছে।

যমুনায় প্রচণ্ড স্রোতের তোড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাঙন রক্ষায় রাত দিন কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সোমবার দুপুরে গিয়ে ভাঙন কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তারাকান্দি- ভূঞাপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়ার স্লুইসগেট অংশের বিধ্বস্ত বাঁধের প্রায় একশ ফুট অংশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করছে পাউবো। পাশাপাশি স্হানীয় জনসাধারণ নিজ উদ্যোগেও গাছের ডালপালা কেটে ভাঙন এলাকার নদীতীরে ফেলছে।

ভাঙন কবলিত এলাকায় বাঁধ পরিদর্শনে আসেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কথা বলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।এছাড়াও পরিদর্শনে আসেন গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম।

ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান, পানি বাড়ায় নদীতে স্রোতের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। পাউবো বিপুল পরিমান জিও ব্যাগ সরবরাহ করেছেন। প্রবাহমান নদীর স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে এসব জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। মানুষের মধ্যে যে ভীতি ছিল তা কিছুটা কমে এসেছে।

বাঁধের উপর নির্মিত তারাকান্দি-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে দ্বিতীয় দিনের মতো সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় স্থানীয় প্রশাসন যান চলাচলে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন।

গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ফাড়ির পুলিশ জানায়, সকল প্রকার যানবাহন নলিন বাজার হয়ে ঢাকা যাচ্ছে। এছাড়াও অনেক যানবাহন বিকল্প সড়ক হিসেবে গোপালপুর উপজেলা শহরের ভেতর দিয়েও চলাচল করতে দেখা যায়। উজানের পানির প্রবাহে যমুনা নদী এখন অশান্ত। আর এই অশান্ত যমুনাকে বাগে আনা কঠিন।

তারপরেও ঝুঁকিপূর্ন বাঁধের অংশে কারিগরী পরীক্ষা চলছে। বাঁধ রক্ষায় সকলেই আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও বর্ষা মৌসুম হওয়ায় যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পরিস্থিতি অবলোকনের জন্য এলাকায় জনসাধারণের আনাগোনা বেড়েছে।

যমুনায় প্রচণ্ড স্রোতের তোড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাঙন রক্ষায় রাত দিন কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সোমবার দুপুরে গিয়ে ভাঙন কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তারাকান্দি- ভূঞাপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়ার স্লুইসগেট অংশের বিধ্বস্ত বাঁধের প্রায় একশ ফুট অংশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করছে পাউবো। পাশাপাশি স্হানীয় জনসাধারণ নিজ উদ্যোগেও গাছের ডালপালা কেটে ভাঙন এলাকার নদীতীরে ফেলছে।

ভাঙন কবলিত এলাকায় বাঁধ পরিদর্শনে আসেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কথা বলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।এছাড়াও পরিদর্শনে আসেন গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম।

ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান, পানি বাড়ায় নদীতে স্রোতের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। পাউবো বিপুল পরিমান জিও ব্যাগ সরবরাহ করেছেন। প্রবাহমান নদীর স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে এসব জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। মানুষের মধ্যে যে ভীতি ছিল তা কিছুটা কমে এসেছে।

বাঁধের উপর নির্মিত তারাকান্দি-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে দ্বিতীয় দিনের মতো সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় স্থানীয় প্রশাসন যান চলাচলে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন।

গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ফাড়ির পুলিশ জানায়, সকল প্রকার যানবাহন নলিন বাজার হয়ে ঢাকা যাচ্ছে। এছাড়াও অনেক যানবাহন বিকল্প সড়ক হিসেবে গোপালপুর উপজেলা শহরের ভেতর দিয়েও চলাচল করতে দেখা যায়। উজানের পানির প্রবাহে যমুনা নদী এখন অশান্ত। আর এই অশান্ত যমুনাকে বাগে আনা কঠিন।

তারপরেও ঝুঁকিপূর্ন বাঁধের অংশে কারিগরী পরীক্ষা চলছে। বাঁধ রক্ষায় সকলেই আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।