নওগাঁয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকুরী করার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৪:৪১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪ ৩৭৩ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁর ফয়েজ উদ্দিন মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ এর রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মামুনাল হাসানের বিরুদ্ধে জাল সনদে নিয়োগ গ্রহণের অভিযোগ। গত বৃহস্পতিবার ফয়েজ উদ্দিন মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের আরেক প্রভাষক আব্দুল হান্নান নওগাঁর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ১৭ ই মে ২০০৩ তারিখে ফয়েজ উদ্দিন মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজে আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। তৎকালীন উক্ত প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ আব্দুল জলিল এর যোগ সাজসে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে জাল সনদে মোঃ মামুনাল হাসানকে নিয়োগ দেওয়া হয় যার ফলে আমার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আমি চাকুরী থেকে বঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে মামুনাল হাসান অত্র কলেজের সিনিয়র প্রভাষক ও সরকারি বেতনভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ২০০৩ সাল থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস শুরু করেন এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের দলীয় পরিচয়ে এপিপি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তও হয়েছিলেন।
অভিযুক্ত প্রভাষক মামুনুল হাসানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বাবা একজন আইনজীবী ছিলেন সে হিসেবে আমিও মাঝে মাঝে একটু প্র্যাকটিস করি তবে আমি নিয়মিত আইনজীবী নয়।
ফয়েজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মামুনুল হাসান নিয়মিত আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করে কিনা তা আমার সঠিক জানা নেই তবে অনেকের কাছেই শুনেছি তিনি আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেন। এসব নিয়ে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে উর্ধ্বতম কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
নওগাঁ এ্যাডভোকেট বার এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ২ ফিরোজ বলেন, দেওয়ান মামুনাল হাসান এপিপি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন তবে যোগদান করেননি এবং উনি নিয়মিত আইনজীবীও নয় হঠাৎ মাঝে মাঝে আসেন।
অভিযোগের বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহফুজা খাতুন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, যেহেতু অভিযোগটি কলেজ শাখার এবং জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছে আমাদের অবগতির জন্য অনলিপি প্রদান করেছে অভিযোগকারী।
অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের (01715-292377) মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কল রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।













