ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

পাবনায় প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

পাবনা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪ ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় ভাঙ্গুরা মুন্ডমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা স্বপ্না ও তার স্বামী সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার ও দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে, এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে তাদের স্বেচ্ছাচারিতা অনিয়ম স্কুলের অর্থনীতি ব্যাপক লুটপাট করে ইচ্ছামত মুনডমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে তারা স্বামী স্ত্রীর বিরুদ্ধে ।

জানা যায় অত্র স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্বপ্না খাতুন দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং একমাত্র দ্বিতীয় শিক্ষক হিসেবে তার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন রয়েছেন অত্র  বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান একেবারে তলানিতে, স্কুলের পাশে বাড়ি হওয়ায় তাদের পাশে কেউ ঘেষতে পারে না বিগত সরকারের আমলে একক আধিপত্য বজায় রেখে স্কুলে শিক্ষক বরাদ্দ দিলেও স্বপ্নার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে স্কুল ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় অন্য সহকারী শিক্ষকেরা , এলাকার বাসীর পক্ষ থেকে ভাঙ্গুরা উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগে বলা হয়,ভাঙ্গুড়া উপজেলাধীন মুন্ডুমালা গ্রামের বাসিন্দারা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের গ্রামে একটি নব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যেখানে মোছাঃ স্বপ্না খাতুন, প্রধান শিক্ষক এবং মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (জালাল), সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করিয়া আসিতেছে। তারা দুই জন সম্পর্কে স্বামী ও স্ত্রী। তাহারা তাদের চাকুরী জীবনে অত্র বিদ্যালয়ে বিভিন্নভাবে দুর্ণীতি ও অনিয়মের সাথে যুক্ত রহিয়াছে যার অসংখ্য প্রমান রহিয়াছে। তাহারা দুজন মিলে বিদ্যালয়ে এক অরাজকতার অবস্থার সৃষ্টি করিয়াছে। তারা নিয়মিত ভাবে স্কুলে উপস্থিত থাকে না। শিশুদের পাঠদানে গুরুত্ব না দেয়া। ছাত্র/ছাত্রী ক্লাসে গিয়ে পড়ানোর কথা বল্লে ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক আচারণ করেন যা শিক্ষকদের কাছে বোধগম্য নয়। অত্র প্রতিষ্ঠানে স্লিপ, প্রাক-প্রাথমিক এবং রুটিন মেইটেইন বাবদ বাৎসরিক উন্নয়ন কল্পে যে টাকা আসে সেগুলো তারা দুই জন মিলে প্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে না জানিয়ে গোপনে অন্যজনকে এ্যাকাউন্ট অপারেটর বানিয়ে টাকা উত্তলোন করে আত্মসাৎ করেন। উক্ত টাকার হিসেবে চাইলে তাহারা বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করে দেয়। তাদের দুর্ণীতির কারনে মোছাঃ স্বপ্না খাতুন প্রধান শিক্ষক হিসেবে আসার পরে অত্র প্রতিষ্ঠানে কোন উন্নয়নই দৃশ্যমান হয় নাই। তারা টাকার প্রতি এতটাই অন্ধ হয়েছে যে তারা সুদের উপর টাকা লাগাতেও দিধাবোধ করছেনা। তারা হত-দরিদ্রদের অবস্থার সুযোগ নিয়ে উর্দ্ধগতিতে সুদ গ্রহনের মাধ্যমে টাকা লাগিয়ে আসিতেছে। তারা অত্র প্রতিষ্ঠানে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতেছে। তাদের কৃত কর্মের জন্য প্রতিষ্ঠানের এক ভঙ্গুর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত দুই শিক্ষক মিলে বিদ্যালয়ের কমলমতি ছাত্র/ছাত্রীদেরকে দিয়ে তাদের বাসার সকল কাজ করিয়ে নেয়। তাদের সন্তানদের কোলে রাখার জন্য নির্দেশ দেয়। উক্ত দুই শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়ে আসার পূর্বে ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত সংখ্যা ছিলো ১০০জন এর উপরে। সেখানে বর্তমানে ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা মাত্র ০৫/০৭জন। যাহা অতি নগন্য। তারা তাদের সন্তানদেরকে এই স্কুলে না পড়িয়ে পাশের গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করাচ্ছেন। যে কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি, হুমকি ধামকিসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিহত করেন। ইতোপূর্বে আমরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের নিকট আবেদন করেছিলাম সেই আবেদনটি টাকা খাইয়ে বাতিল করে দেয়। আওয়ামী লীগ নেতাদের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে ক্ষমতা দেখিয়ে ত্রাশ চালিয়েছে। এমতবস্থায় উক্ত দুই শিক্ষকদের তাদের শিক্ষক পদ হতে অপসারনসহ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সুশিক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পরেছে বলে অভিযোগ দায়ের করেছে,

গত বৃহস্পতিবার সরোজমিনে ভালো উপজেলা শিক্ষা অফিসের দুই কর্মকর্তা তদন্তে গেলে প্রধান শিক্ষক স্বপ্না কোন উত্তর দিতে পারে নাই পাবনা থেকে কয়েকজন সাংবাদিক তদন্ত চলাকালে ওখানে উপস্থিত থাকে কোন এক প্রতিবেদকের মোবাইল ফোনে গোপনে ০১৭৩৭৫৫৩০৭৯ নং বিকাশ নাম্বার থেকে ৫০০ টাকা পাঠিয়ে দিয়ে স্বপ্না নিউজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করলে উক্ত প্রতিবেদক সাথে সাথে টাকা ফেরত পাঠায়, উৎকোচ দেওয়ার অপরাধে উক্ত সাংবাদিক ভাঙ্গুরা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে, এলাকাবাসী জানান স্বপ্ন ও তার স্বামীর অত্যাচারে শিক্ষার্থীরা যেমন অতিষ্ঠ তেমনি এলাকাবাসী একজন প্রধান শিক্ষকের অভদ্র ব্যবহারে মুখ খুলতে পারেনা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে স্বপ্না গঙ্গের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাবনায় প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪

পাবনায় ভাঙ্গুরা মুন্ডমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা স্বপ্না ও তার স্বামী সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার ও দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে, এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে তাদের স্বেচ্ছাচারিতা অনিয়ম স্কুলের অর্থনীতি ব্যাপক লুটপাট করে ইচ্ছামত মুনডমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে তারা স্বামী স্ত্রীর বিরুদ্ধে ।

জানা যায় অত্র স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্বপ্না খাতুন দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং একমাত্র দ্বিতীয় শিক্ষক হিসেবে তার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন রয়েছেন অত্র  বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান একেবারে তলানিতে, স্কুলের পাশে বাড়ি হওয়ায় তাদের পাশে কেউ ঘেষতে পারে না বিগত সরকারের আমলে একক আধিপত্য বজায় রেখে স্কুলে শিক্ষক বরাদ্দ দিলেও স্বপ্নার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে স্কুল ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় অন্য সহকারী শিক্ষকেরা , এলাকার বাসীর পক্ষ থেকে ভাঙ্গুরা উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগে বলা হয়,ভাঙ্গুড়া উপজেলাধীন মুন্ডুমালা গ্রামের বাসিন্দারা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের গ্রামে একটি নব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যেখানে মোছাঃ স্বপ্না খাতুন, প্রধান শিক্ষক এবং মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (জালাল), সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করিয়া আসিতেছে। তারা দুই জন সম্পর্কে স্বামী ও স্ত্রী। তাহারা তাদের চাকুরী জীবনে অত্র বিদ্যালয়ে বিভিন্নভাবে দুর্ণীতি ও অনিয়মের সাথে যুক্ত রহিয়াছে যার অসংখ্য প্রমান রহিয়াছে। তাহারা দুজন মিলে বিদ্যালয়ে এক অরাজকতার অবস্থার সৃষ্টি করিয়াছে। তারা নিয়মিত ভাবে স্কুলে উপস্থিত থাকে না। শিশুদের পাঠদানে গুরুত্ব না দেয়া। ছাত্র/ছাত্রী ক্লাসে গিয়ে পড়ানোর কথা বল্লে ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক আচারণ করেন যা শিক্ষকদের কাছে বোধগম্য নয়। অত্র প্রতিষ্ঠানে স্লিপ, প্রাক-প্রাথমিক এবং রুটিন মেইটেইন বাবদ বাৎসরিক উন্নয়ন কল্পে যে টাকা আসে সেগুলো তারা দুই জন মিলে প্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে না জানিয়ে গোপনে অন্যজনকে এ্যাকাউন্ট অপারেটর বানিয়ে টাকা উত্তলোন করে আত্মসাৎ করেন। উক্ত টাকার হিসেবে চাইলে তাহারা বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করে দেয়। তাদের দুর্ণীতির কারনে মোছাঃ স্বপ্না খাতুন প্রধান শিক্ষক হিসেবে আসার পরে অত্র প্রতিষ্ঠানে কোন উন্নয়নই দৃশ্যমান হয় নাই। তারা টাকার প্রতি এতটাই অন্ধ হয়েছে যে তারা সুদের উপর টাকা লাগাতেও দিধাবোধ করছেনা। তারা হত-দরিদ্রদের অবস্থার সুযোগ নিয়ে উর্দ্ধগতিতে সুদ গ্রহনের মাধ্যমে টাকা লাগিয়ে আসিতেছে। তারা অত্র প্রতিষ্ঠানে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতেছে। তাদের কৃত কর্মের জন্য প্রতিষ্ঠানের এক ভঙ্গুর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত দুই শিক্ষক মিলে বিদ্যালয়ের কমলমতি ছাত্র/ছাত্রীদেরকে দিয়ে তাদের বাসার সকল কাজ করিয়ে নেয়। তাদের সন্তানদের কোলে রাখার জন্য নির্দেশ দেয়। উক্ত দুই শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়ে আসার পূর্বে ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত সংখ্যা ছিলো ১০০জন এর উপরে। সেখানে বর্তমানে ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা মাত্র ০৫/০৭জন। যাহা অতি নগন্য। তারা তাদের সন্তানদেরকে এই স্কুলে না পড়িয়ে পাশের গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করাচ্ছেন। যে কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি, হুমকি ধামকিসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিহত করেন। ইতোপূর্বে আমরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের নিকট আবেদন করেছিলাম সেই আবেদনটি টাকা খাইয়ে বাতিল করে দেয়। আওয়ামী লীগ নেতাদের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে ক্ষমতা দেখিয়ে ত্রাশ চালিয়েছে। এমতবস্থায় উক্ত দুই শিক্ষকদের তাদের শিক্ষক পদ হতে অপসারনসহ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ জীবনে সুশিক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পরেছে বলে অভিযোগ দায়ের করেছে,

গত বৃহস্পতিবার সরোজমিনে ভালো উপজেলা শিক্ষা অফিসের দুই কর্মকর্তা তদন্তে গেলে প্রধান শিক্ষক স্বপ্না কোন উত্তর দিতে পারে নাই পাবনা থেকে কয়েকজন সাংবাদিক তদন্ত চলাকালে ওখানে উপস্থিত থাকে কোন এক প্রতিবেদকের মোবাইল ফোনে গোপনে ০১৭৩৭৫৫৩০৭৯ নং বিকাশ নাম্বার থেকে ৫০০ টাকা পাঠিয়ে দিয়ে স্বপ্না নিউজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করলে উক্ত প্রতিবেদক সাথে সাথে টাকা ফেরত পাঠায়, উৎকোচ দেওয়ার অপরাধে উক্ত সাংবাদিক ভাঙ্গুরা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে, এলাকাবাসী জানান স্বপ্ন ও তার স্বামীর অত্যাচারে শিক্ষার্থীরা যেমন অতিষ্ঠ তেমনি এলাকাবাসী একজন প্রধান শিক্ষকের অভদ্র ব্যবহারে মুখ খুলতে পারেনা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে স্বপ্না গঙ্গের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে তারা।