ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পার্কে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক অন্তঃসত্ত্বা তরুনী, থানায় ধর্ষণ মামলা

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫ ২১৬ বার পড়া হয়েছে

প্রেমিকার অন্তঃসত্ত্বার খবর শুনে পালিয়ে গেছেন প্রেমিক। প্রেমিকের বাড়িতে গিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। পরে নিরুপায় পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রেমিকা।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে দেখা মেলে ওই তরুণীর। ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর বালুরখাদ মোড় এলাকার মৃত ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে শিমুল হোসেনের সঙ্গে দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক। শিমুল বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আটঘরিয়ার দূর্গাপুর ড পার্কে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। আমাকে কথা দিয়েছিলেন মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত পাশে থাকবেন। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য যাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম তিনি এখন আমাকে বিয়ে না করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ অবস্থায় শিমুলকে বিয়ে করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই। অভিযুক্ত শিমুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা রজু করা হয়েছে এবং অভিযোগকারী তরুনীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পার্কে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক অন্তঃসত্ত্বা তরুনী, থানায় ধর্ষণ মামলা

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

প্রেমিকার অন্তঃসত্ত্বার খবর শুনে পালিয়ে গেছেন প্রেমিক। প্রেমিকের বাড়িতে গিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। পরে নিরুপায় পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রেমিকা।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে দেখা মেলে ওই তরুণীর। ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর বালুরখাদ মোড় এলাকার মৃত ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে শিমুল হোসেনের সঙ্গে দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক। শিমুল বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আটঘরিয়ার দূর্গাপুর ড পার্কে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। আমাকে কথা দিয়েছিলেন মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত পাশে থাকবেন। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য যাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম তিনি এখন আমাকে বিয়ে না করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ অবস্থায় শিমুলকে বিয়ে করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই। অভিযুক্ত শিমুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা রজু করা হয়েছে এবং অভিযোগকারী তরুনীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।