“সরকারি ক্রয়: নৈতিকতা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করতে বললেন আইএমইডি সচিব”
- আপডেট সময় : ০৯:২৬:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫ ২৭২ বার পড়া হয়েছে
বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইইএমডি)-এর সচিব জনাব মো. কামাল উদ্দিন সরকারি কর্মকর্তাদেরকে নৈতিকতা ও সাহসিকতার সঙ্গে সরকারি ক্রয় বিষয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০ মে ২০২৫ তারিখে ঢাকার রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ (ইএসসিবি) ক্যাম্পাসে “বেসিক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট” বিষয়ে নবম ব্যাচের অনাবাসিক প্রশিক্ষণের ওপেন ফোরাম, সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) পরিচালিত তিন সপ্তাহব্যাপী এ নবম প্রশিক্ষণ কোর্স ৩ মে ২০২৫ তারিখে শুরু হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপিপিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মির্জা আশফাকুর রহমান।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি ও সরকারি ক্রয় বিষয়ে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপিপিএ’র পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জনাব মো. নাছিমুর রহমান শরীফ।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে আইইএমডি সচিব বলেন, যারা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে, তাদেরকে তাদের কর্মস্থলে সরকারি ক্রয় পরিচালনায় নৈতিকতা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ‘স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা’ ব্যবহারের কোন সুযোগ নাই; বরং সকল কার্যক্রম আইন ও বিধিমালার আলোকে সম্পাদন করতে হবে।
বিপিপিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তিন সপ্তাহের প্রশিক্ষণ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান অংশগ্রহণকারীদেরকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ইএসসিবি’র রেক্টর জনাব মো. আশরাফুল আলম। এছাড়াও প্রশিক্ষণ সমন্বয়কারী ও ইএসসিবি’র প্রকিউরমেন্ট ইউনিট প্রধান এবং ফ্যাকাল্টি ট্রেইনার ড. তৌহিদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।
নবম ব্যাচের প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সরকারি ক্রয়কারী সংস্থা থেকে আসা কয়েকজন নারী কর্মকর্তাসহ মোট ৩৪ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রজেক্ট (ডিআইএমএপিপি)-এর আওতায় ইএসসিবি-তে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বিপিপিএ ও ইএসসিবি’র মধ্যে বর্তমানে চলমান এক চুক্তির আওতায় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে “বেসিক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজমেন্ট” বিষয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং এটি ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত চলবে।
নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাগুলো হলো:
• অনাবাসিক কোর্সের জন্য ৩০টি ব্যাচ (৯০০ জন অংশগ্রহণকারী)
• আবাসিক কোর্সের জন্য ১১টি ব্যাচ (৩৩০ জন অংশগ্রহণকারী)
• পূর্বে তিন সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য তিন দিনের রিফ্রেশারস কোর্সে ১৮টি ব্যাচ (প্রায় ৫৪০ জন অংশগ্রহণকারী)
















