ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

কটিয়াদীতে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: দেড় মাসেও অধরা অভিযুক্ত, আতঙ্কে ভুক্তভোগী পরিবার 

​কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আরিফুল ইসলাম (১১) নামে এক পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে।

উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের পং মসুয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর দীর্ঘ দেড় মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

​​ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদুল আজহার দিবাগত রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিবেশী বাচ্চু মিয়া শিশু আরিফুলকে ঝালমুড়ি খাওয়ানো এবং ফটকা (বাজি) ফোটানোর প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে যায়।

পরে তাকে কৌশলে এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক তার শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত বোলায় এবং বলাৎকারের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে চতুর শিশুটি আত্মরক্ষার্থে অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়ার হাতে সজোরে কামড় দিয়ে তার কবল থেকে পালিয়ে আসে এবং পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল প্রথমে সালিশ-দরবারের মাধ্যমে আপোসের চেষ্টা চালায়। সালিশে ঘটনাটি মীমাংসার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারকে কয়েক লক্ষ টাকার প্রলোভন (অফার) দেওয়া হলেও, শিশুটির পরিবার তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে এবং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অটল থাকে।

​এরপর ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে কটিয়াদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরিবারটির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করছেন।

​​প্রবাস থেকে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, “আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। প্রিয় পরিবার, স্ত্রী ও সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবাসে হাড়ভাঙা খাটুনি খাটছি। কিন্তু দেশে যদি আমার স্ত্রী-সন্তানই নিরাপদ না থাকে, তবে আমরা কার কাছে বিচার চাইব? ঘটনার পর থেকে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি এবং কাজে মনোযোগ দিতে পারছি না। আমি কোনো টাকার বিনিময়ে সমঝোতা চাই না, সমাজের এই লম্পটের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চাই।”​তিনি আরও বলেন, “আমার সন্তান ভয়ে এখন স্কুলেই যেতে চাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন আমি কিশোরগঞ্জ-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জালাল উদ্দিন মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, তিনি যেন এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখেন।”

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো পদধারী নেতা না হলেও সে দলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তবে দলটির কটিয়াদী উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মোজাম্মেল হক জোয়ারদারের সাথে তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তির সাথে জামাতে ইসলামী সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যারা এটা বলছেন সেটি সম্পুর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ভিত্তিহীন। মূলত দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই মিথ্যা অপবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।

​এদিকে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরও দৃশ্যমান কোনো আইনি পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর মা। তিনি বলেন, “আজ যদি আমার সন্তানের সাথে ঘটা এই অন্যায়ের বিচার না হয়, তবে কাল অন্য কোনো মায়ের বুক খালি হবে। প্রশাসনের কাছে আমার আকুল আবেদন, বাচ্চুকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।”

​​অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো. বাচ্চু মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, প্রথমে কল রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পরপরই সে সংযোগটি কেটে দেয়। পরবর্তীতে অসংখ্যবার কল করা হলেও সে আর ফোন রিসিভ করেনি।

​সার্বিক বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান:
​”আমরা এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য তার বাড়িতে ৩-৪ বার পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই সে আত্মগোপনে থাকায় তাকে এখনো আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। পুলিশ তার অবস্থান শনাক্তে কাজ করছে এবং দ্রুতই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​আইনি পদক্ষেপ দ্রুত নিশ্চিত করতে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কটিয়াদীতে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: দেড় মাসেও অধরা অভিযুক্ত, আতঙ্কে ভুক্তভোগী পরিবার 

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আরিফুল ইসলাম (১১) নামে এক পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে।

উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের পং মসুয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর দীর্ঘ দেড় মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

​​ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদুল আজহার দিবাগত রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিবেশী বাচ্চু মিয়া শিশু আরিফুলকে ঝালমুড়ি খাওয়ানো এবং ফটকা (বাজি) ফোটানোর প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে যায়।

পরে তাকে কৌশলে এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক তার শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত বোলায় এবং বলাৎকারের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে চতুর শিশুটি আত্মরক্ষার্থে অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়ার হাতে সজোরে কামড় দিয়ে তার কবল থেকে পালিয়ে আসে এবং পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল প্রথমে সালিশ-দরবারের মাধ্যমে আপোসের চেষ্টা চালায়। সালিশে ঘটনাটি মীমাংসার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারকে কয়েক লক্ষ টাকার প্রলোভন (অফার) দেওয়া হলেও, শিশুটির পরিবার তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে এবং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অটল থাকে।

​এরপর ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে কটিয়াদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরিবারটির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করছেন।

​​প্রবাস থেকে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, “আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। প্রিয় পরিবার, স্ত্রী ও সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবাসে হাড়ভাঙা খাটুনি খাটছি। কিন্তু দেশে যদি আমার স্ত্রী-সন্তানই নিরাপদ না থাকে, তবে আমরা কার কাছে বিচার চাইব? ঘটনার পর থেকে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি এবং কাজে মনোযোগ দিতে পারছি না। আমি কোনো টাকার বিনিময়ে সমঝোতা চাই না, সমাজের এই লম্পটের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চাই।”​তিনি আরও বলেন, “আমার সন্তান ভয়ে এখন স্কুলেই যেতে চাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন আমি কিশোরগঞ্জ-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জালাল উদ্দিন মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, তিনি যেন এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখেন।”

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো পদধারী নেতা না হলেও সে দলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তবে দলটির কটিয়াদী উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মোজাম্মেল হক জোয়ারদারের সাথে তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তির সাথে জামাতে ইসলামী সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যারা এটা বলছেন সেটি সম্পুর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ভিত্তিহীন। মূলত দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই মিথ্যা অপবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।

​এদিকে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরও দৃশ্যমান কোনো আইনি পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর মা। তিনি বলেন, “আজ যদি আমার সন্তানের সাথে ঘটা এই অন্যায়ের বিচার না হয়, তবে কাল অন্য কোনো মায়ের বুক খালি হবে। প্রশাসনের কাছে আমার আকুল আবেদন, বাচ্চুকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।”

​​অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো. বাচ্চু মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, প্রথমে কল রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পরপরই সে সংযোগটি কেটে দেয়। পরবর্তীতে অসংখ্যবার কল করা হলেও সে আর ফোন রিসিভ করেনি।

​সার্বিক বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান:
​”আমরা এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য তার বাড়িতে ৩-৪ বার পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই সে আত্মগোপনে থাকায় তাকে এখনো আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। পুলিশ তার অবস্থান শনাক্তে কাজ করছে এবং দ্রুতই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​আইনি পদক্ষেপ দ্রুত নিশ্চিত করতে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।