ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ছাএদলের উদ্যোগে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বড় পর্দায় একসাথে খেলা দেখলো রুয়েটিয়ানরা

রায়হান ইসলাম রনি রাজশাহী প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ১১৭ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা ছুঁয়ে গেল রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাসকেও। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রুয়েট শাখার উদ্যোগে সেন্ট্রাল ফিল্ডে চলছে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর আয়োজন, যার ধারাবাহিকতায় রাত ১টা থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার মহারণ। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এবং হ্যারি কেন-জুড বেলিংহ্যামের ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ফাইনালে উঠে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।

খোলা মাঠে প্রজেক্টর স্ক্রিনের সামনে চাদর-মাদুর বিছিয়ে, কেউবা দাঁড়িয়েই খেলা উপভোগ করেন বিভিন্ন বিভাগ ও ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। মেসি বল ধরতেই যেমুন গ্যালারির মতো গর্জে ওঠে মাঠ, তেমনি কেনের প্রতিটি আক্রমণেও সমান উত্তেজনা ছড়ায় দর্শকদের মাঝে। খেলা চলাকালীন হাসি-আড্ডা, তর্ক-বিতর্ক আর গোলের প্রত্যাশায় দমবন্ধ মুহূর্তগুলো মিলিয়ে পুরো মাঠ পরিণত হয় যেনো এক টুকরো স্টেডিয়ামে।

তবে এই আয়োজনের আসল সার্থকতা লুকিয়ে ছিল খেলার বাইরে। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট রাউন্ড পর্যন্ত একটানা এই স্ক্রিনিং আয়োজন সিনিয়র-জুনিয়র, ভিন্ন বিভাগ ও ভিন্ন হলের শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে বসিয়ে দিয়েছে বারবার, যা ক্লাস-ল্যাবের গণ্ডি ভেঙে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে তাদের একে অপরের সঙ্গে। আয়োজকদের ভাষ্যে, লক্ষ্য ছিল স্রেফ ম্যাচ দেখানো নয় – পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে ধারাবাহিকভাবে ক্যাম্পাসে সৌহার্দ্য আর সম্মিলিত আনন্দের পরিবেশ ধরে রাখা। ফুটবল এখানে অজুহাত মাত্র, আসল প্রাপ্তি রুয়েটিয়ানদের মধ্যকার এই মেলবন্ধন। ফাইনাল পর্যন্ত এই আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ছাএদলের উদ্যোগে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বড় পর্দায় একসাথে খেলা দেখলো রুয়েটিয়ানরা

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা ছুঁয়ে গেল রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাসকেও। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রুয়েট শাখার উদ্যোগে সেন্ট্রাল ফিল্ডে চলছে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর আয়োজন, যার ধারাবাহিকতায় রাত ১টা থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার মহারণ। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এবং হ্যারি কেন-জুড বেলিংহ্যামের ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ফাইনালে উঠে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।

খোলা মাঠে প্রজেক্টর স্ক্রিনের সামনে চাদর-মাদুর বিছিয়ে, কেউবা দাঁড়িয়েই খেলা উপভোগ করেন বিভিন্ন বিভাগ ও ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। মেসি বল ধরতেই যেমুন গ্যালারির মতো গর্জে ওঠে মাঠ, তেমনি কেনের প্রতিটি আক্রমণেও সমান উত্তেজনা ছড়ায় দর্শকদের মাঝে। খেলা চলাকালীন হাসি-আড্ডা, তর্ক-বিতর্ক আর গোলের প্রত্যাশায় দমবন্ধ মুহূর্তগুলো মিলিয়ে পুরো মাঠ পরিণত হয় যেনো এক টুকরো স্টেডিয়ামে।

তবে এই আয়োজনের আসল সার্থকতা লুকিয়ে ছিল খেলার বাইরে। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট রাউন্ড পর্যন্ত একটানা এই স্ক্রিনিং আয়োজন সিনিয়র-জুনিয়র, ভিন্ন বিভাগ ও ভিন্ন হলের শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে বসিয়ে দিয়েছে বারবার, যা ক্লাস-ল্যাবের গণ্ডি ভেঙে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে তাদের একে অপরের সঙ্গে। আয়োজকদের ভাষ্যে, লক্ষ্য ছিল স্রেফ ম্যাচ দেখানো নয় – পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে ধারাবাহিকভাবে ক্যাম্পাসে সৌহার্দ্য আর সম্মিলিত আনন্দের পরিবেশ ধরে রাখা। ফুটবল এখানে অজুহাত মাত্র, আসল প্রাপ্তি রুয়েটিয়ানদের মধ্যকার এই মেলবন্ধন। ফাইনাল পর্যন্ত এই আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা।