ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেশার টাকা চেয়ে বাবা-মাকে মারধরে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা কাহারোলে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে অবরুদ্ধ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উদ্ধার লালপুরে পুলিশ সদস্যসহ ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার ৩ ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের ‘গুপ্ত মিছিলের’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান

জলঢাকায় বুড়িতিস্তার বাঁধে ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ল।

সুমন মিয়া, জলঢাকা উপজেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪ ৩৯২ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর জলঢাকায় ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ায় এলাকাজুড়ে আতংক বিরাজ করছে।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের আলসিয়া পাড়ায় বুড়িতিস্তা নদীর বাঁধে একটি নৌকা থেকে রাসেল ভাইপার সাপটির দেখা মিলেছে। এদিকে, দেশজুড়ে আলোচিত এ বিষধর সাপ আটকের খবর পেয়ে শত শত গ্রামবাসী সাপটি দেখতে ভিড় জমায়। প্রত্যক্ষদর্শী কৃষক মোঃ গফরান (৩০) জানান, তিনি প্রত্যেকদিনের মতো আজকেও ঘাষ কাটতে নদীর চড়ে যাচ্ছিলেন। বাঁধে রাখা নৌকাটিতে উঠতেই দেখতে পান একটি অচেনা সাপ তাকে দেখে ফুসফুস করে তেড়ে উঠছেন। এসময় ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে স্হানীয় লোকদের খবর দিলে সবাই মিলে লাঠিসোঁটা দিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন।এরপর তার পেট থেকে বের হয় এক-এক করে ২৯ টি বাচ্চা সাপ। তবে সাপটি মেরে ফেললেও উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাসেল ভাইপার সাপের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনা শোনার সাথে-সাথেই সেখানে গেছেন এবং থানায় অবগত করে সবাইকে আতঙ্ক না হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ জোবায়ের আলমকে একাধিক বার কল দিলে তিনি গাড়িতে থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন। তবে বন অফিসের কর্মচারী প্রদীপ কুমার জানান, তিনি বন কর্মকর্তা স্যারের নির্দেশে সেখানে গিয়ে নিশ্চিত হন এটি রাসেলস ভাইপার সাপ। পরে স্যারের নির্দেশে স্হানীয় মানুষকে সাপটিকে মাটিতে পুতে ফেলতে বলেন।

জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, রাসেল ভাইপার একটি বিষাক্ত সাপ। লম্বা বহির্গামী বিষদাঁতের জন্য অনেক বেশি লোক দংশিত হয়।সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন দিতে পারলে কোনো ক্ষতি হয় না। আমাদের হাসপাতালে যথেষ্ট পরিমান ভ্যাকসিন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সাপটি ডিম পাড়ার পরিবর্তে সরাসরি বাচ্চা দেয়। এরা বছরের যেকোনো সময় বাচ্চা প্রজনন করে। একটি স্ত্রী সাপ গর্ভধারণ শেষে ২০-৪০ টি বাচ্চা দেয়।সাপটি দেখে আতঙ্কিত না হয়ে উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে সচেতন থাকতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জলঢাকায় বুড়িতিস্তার বাঁধে ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ল।

আপডেট সময় : ০১:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

নীলফামারীর জলঢাকায় ২৯টি বাচ্চাসহ একটি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ায় এলাকাজুড়ে আতংক বিরাজ করছে।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের আলসিয়া পাড়ায় বুড়িতিস্তা নদীর বাঁধে একটি নৌকা থেকে রাসেল ভাইপার সাপটির দেখা মিলেছে। এদিকে, দেশজুড়ে আলোচিত এ বিষধর সাপ আটকের খবর পেয়ে শত শত গ্রামবাসী সাপটি দেখতে ভিড় জমায়। প্রত্যক্ষদর্শী কৃষক মোঃ গফরান (৩০) জানান, তিনি প্রত্যেকদিনের মতো আজকেও ঘাষ কাটতে নদীর চড়ে যাচ্ছিলেন। বাঁধে রাখা নৌকাটিতে উঠতেই দেখতে পান একটি অচেনা সাপ তাকে দেখে ফুসফুস করে তেড়ে উঠছেন। এসময় ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে স্হানীয় লোকদের খবর দিলে সবাই মিলে লাঠিসোঁটা দিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন।এরপর তার পেট থেকে বের হয় এক-এক করে ২৯ টি বাচ্চা সাপ। তবে সাপটি মেরে ফেললেও উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাসেল ভাইপার সাপের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনা শোনার সাথে-সাথেই সেখানে গেছেন এবং থানায় অবগত করে সবাইকে আতঙ্ক না হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ জোবায়ের আলমকে একাধিক বার কল দিলে তিনি গাড়িতে থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন। তবে বন অফিসের কর্মচারী প্রদীপ কুমার জানান, তিনি বন কর্মকর্তা স্যারের নির্দেশে সেখানে গিয়ে নিশ্চিত হন এটি রাসেলস ভাইপার সাপ। পরে স্যারের নির্দেশে স্হানীয় মানুষকে সাপটিকে মাটিতে পুতে ফেলতে বলেন।

জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, রাসেল ভাইপার একটি বিষাক্ত সাপ। লম্বা বহির্গামী বিষদাঁতের জন্য অনেক বেশি লোক দংশিত হয়।সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন দিতে পারলে কোনো ক্ষতি হয় না। আমাদের হাসপাতালে যথেষ্ট পরিমান ভ্যাকসিন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সাপটি ডিম পাড়ার পরিবর্তে সরাসরি বাচ্চা দেয়। এরা বছরের যেকোনো সময় বাচ্চা প্রজনন করে। একটি স্ত্রী সাপ গর্ভধারণ শেষে ২০-৪০ টি বাচ্চা দেয়।সাপটি দেখে আতঙ্কিত না হয়ে উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে সচেতন থাকতে হবে।