ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল ঈশ্বরদীতে সারের ডিলার বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন,তদন্তের দাবী ঈশ্বরদীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু কাঁঠালিয়ায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস দুর্গাপূজায় যশোর জেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের দামুড়হুদায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে পুকুর খনন রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজুকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর

ঈশ্বরদীতে রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার; দেখার কেউ নেই

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় পাকা রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে ঈশ্বরদী উপজেলার রেলওয়ে গেইট থেকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে সাঁড়া ০৫ নং ঘাট পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায় এলাকার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবিরের যোগসাজসেই হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।  ঈশ্বরদী উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে প্রকৌশলীর আস্থাভাজন স্থানীয় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার নির্মাণ কাজ করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তা নির্মাণে খুব নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ যেন দায়সাড়া নির্মাণ কাজ। নাম মাত্র রোলার করে রাস্তায় নিম্নমানের বালু ফেলা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ বালুর সঙ্গে মিশিয়ে রাস্তার অধিকাংশ জায়গায় সাব-ব্যাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে। আমরা চাই কাজটি ভালোভাবে হোক। এখানে ঠিকাদারের সাথে প্রকৌশলীর কাজের শেয়ার রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়া প্রকৌশলী এই কাজে তদারকি করছেন না কেন?

উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী কতিপয় শিক্ষার্থী বলেন, অনিয়মের বিষয়টি স্যোসাল মিডিয়ায় দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ছাড়া রাস্তা নির্মাণে কারচুপির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন অনেকেই দেখেছে, তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। কেন বলতে সাহস পাচ্ছে না তা বলতে পারবো না। তবে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবির এর সঙ্গে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে বলেন,‘আমি সাইটে গিয়েছিলাম। খোয়া পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠিয়েছি।’ তবে তিনি বলেননি কোন দপ্তরে বা কোথায় টেস্ট করার জন্য পাঠিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঈশ্বরদীতে রাস্তায় নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার; দেখার কেউ নেই

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

পাবনায় পাকা রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে ঈশ্বরদী উপজেলার রেলওয়ে গেইট থেকে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে সাঁড়া ০৫ নং ঘাট পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতায় এলাকার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবিরের যোগসাজসেই হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।  ঈশ্বরদী উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে প্রকৌশলীর আস্থাভাজন স্থানীয় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার নির্মাণ কাজ করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তা নির্মাণে খুব নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ যেন দায়সাড়া নির্মাণ কাজ। নাম মাত্র রোলার করে রাস্তায় নিম্নমানের বালু ফেলা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ বালুর সঙ্গে মিশিয়ে রাস্তার অধিকাংশ জায়গায় সাব-ব্যাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার হচ্ছে। আমরা চাই কাজটি ভালোভাবে হোক। এখানে ঠিকাদারের সাথে প্রকৌশলীর কাজের শেয়ার রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়া প্রকৌশলী এই কাজে তদারকি করছেন না কেন?

উক্ত রাস্তায় চলাচলকারী কতিপয় শিক্ষার্থী বলেন, অনিয়মের বিষয়টি স্যোসাল মিডিয়ায় দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ছাড়া রাস্তা নির্মাণে কারচুপির বিষয়টি স্থানীয় লোকজন অনেকেই দেখেছে, তবে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। কেন বলতে সাহস পাচ্ছে না তা বলতে পারবো না। তবে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল কবির এর সঙ্গে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে বলেন,‘আমি সাইটে গিয়েছিলাম। খোয়া পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠিয়েছি।’ তবে তিনি বলেননি কোন দপ্তরে বা কোথায় টেস্ট করার জন্য পাঠিয়েছেন।