কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে ক্রয়কৃত মার্কেটের দখল নিলেন সাবেক কাউন্সিলর
- আপডেট সময় : ১২:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট বাজারে প্রায় চার বছর আগে ক্রয় করা সম্পত্তির দখল নিয়েছেন বসুরহাট পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী আবুল খায়ের| শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বসুরহাট বাজারের প্রধান সড়কে অবস্থিত ডাঃ ছেরাজ প্লাজার ১ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং হাজী মার্কেটের ৩ দশমিক ২০ শতাংশসহ মোট ৪ দশমিক ৮০ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত মার্কেটে তালা দিয়ে তিনি দখল নেন|
পরে ঘটনাস্থলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাজী আবুল খায়ের দাবি করেন, ডাঃ ছেরাজ প্লাজা ও হাজী মার্কেটের মালিক বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ সাত ভাই-বোনের মধ্যে ছয় ভাই-বোনের কাছ থেকে তিনি চার বছর আগে ওই ৪ দশমিক ৮০ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করেন| তবে দীর্ঘদিন আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা করেও তিনি সম্পত্তির দখল বুঝে পাননি|
তিনি আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিকভাবে একাধিক ˆবঠক, বসুরহাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি এবং কোম্পানীগঞ্জ থানায় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়| সেখানে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্টরা তার দাবির পক্ষে মত দেন| এরপরও বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে না দেওয়ায় তিনি নিজেই দখল গ্রহণে বাধ্য হয়েছেন| তার ভাষ্য অনুযায়ী, বেলাল উদ্দিন ছাড়া বাকি ছয় ওয়ারিশের কাছ থেকে সম্পত্তি ক্রয় করায় তিনি ওই অংশের ˆবধ মালিক|
হাজী আবুল খায়ের অভিযোগ করেন, এর আগে সম্পত্তির দখল নিতে গেলে একজন মালিক ও কয়েকজন ভাড়াটিয়া তার ওপর হামলা চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়| এছাড়া ভাড়াটিয়া কাপড় ব্যবসায়ী খায়রুল বাশার, ভুট্টু ও অলি তার কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন| এ ঘটনায় তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ আমলী আদালতে চাঁদা দাবির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান|
তবে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাপড় ব্যবসায়ী খায়রুল বাশার| তিনি বলেন, “হাজী আবুল খায়েরের সঙ্গে আমাদের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই| তার কাছে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন|”
এ বিষয়ে ডাঃ ছেরাজ প্লাজা ও হাজী মার্কেটের মালিক বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি|
















