ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশের ক্রীড়া যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর তীব্র গরমে ডুমুরিয়া পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন মদনে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হরিণাকুন্ডুতে ৫০ জন অগ্রগামী খামারি নিয়ে লাভজন চাষে ব্রাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ প্রশিক্ষন হু হু করে বাড়ছে দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত, বন্যা ও নদীভাঙনের শঙ্কা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পৃথক অভিযানে বিস্ফোরক ও মাদক মামলার দুই আসামী গ্রেফতার জলঢাকা থানার ১২ নম্বর মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার; আদালতে সোপর্দ কুমিল্লায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার দুই মূল ঘাতক ১৪ মামলার আসামিসহ ৪ ডাকাত গ্রেফতার, অস্ত্র ও মাইক্রোবাস উদ্ধার

খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

বাংলার জনতা, প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির সাবেক মহাসচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার দেলোয়ার হোসেন-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জে কবর জিয়ারত, দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে মানিকগঞ্জের পাচুরিয়ায় তাঁর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তব্য দেন ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার।

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সংকটময় সময় হিসেবে পরিচিত ১/১১ রাজনৈতিক সংকট-এ বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন চক্রান্ত মোকাবিলায় দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার বলেন, “সেই সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদি তিনি সেদিন নেতৃত্ব না দিতেন, তাহলে দলকে সংগঠিত রাখা কঠিন হয়ে পড়ত।”

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান-এর জাতীয়তাবাদী দর্শন ধারণ করে এবং খালেদা জিয়া-র নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর এই অবদান দল ও দেশবাসী দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে ড. খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ঘিওর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল হোসেন, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সম্পাদক কবি ডা. আবুল হাসান, বিএনপি নেতা কাজী আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম চান্দুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, দৃঢ়চেতা ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসেবে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তাঁর দৃঢ়তা, অটুট মনোবল এবং ব্যক্তিত্ব তাকে একজন ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকেলে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সবাই ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বাধীন ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পরে ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ২০০৭ সালে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

আপডেট সময় : ১০:০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বিএনপির সাবেক মহাসচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার দেলোয়ার হোসেন-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জে কবর জিয়ারত, দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে মানিকগঞ্জের পাচুরিয়ায় তাঁর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তব্য দেন ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার।

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সংকটময় সময় হিসেবে পরিচিত ১/১১ রাজনৈতিক সংকট-এ বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন চক্রান্ত মোকাবিলায় দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার বলেন, “সেই সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদি তিনি সেদিন নেতৃত্ব না দিতেন, তাহলে দলকে সংগঠিত রাখা কঠিন হয়ে পড়ত।”

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান-এর জাতীয়তাবাদী দর্শন ধারণ করে এবং খালেদা জিয়া-র নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর এই অবদান দল ও দেশবাসী দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে ড. খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ঘিওর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল হোসেন, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সম্পাদক কবি ডা. আবুল হাসান, বিএনপি নেতা কাজী আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম চান্দুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, দৃঢ়চেতা ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসেবে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তাঁর দৃঢ়তা, অটুট মনোবল এবং ব্যক্তিত্ব তাকে একজন ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকেলে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সবাই ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ১৯৫৭ সালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বাধীন ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পরে ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দেন এবং ২০০৭ সালে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেন।